ডোপ টেস্টে পজিটিভ প্রমাণিত, কাজী অনিক পেতে যাচ্ছেন বড় শাস্তি

বিপিএল ড্রাফটে তরুণ পেসার কাজী অনিকের নাম না থাকার পরই গুঞ্জন ওঠে ডোপ টেস্টে পজিটিভ প্রমাণিত হয়েছেন বলে রাখা হয়নি তালিকায়। যদিও নানাভাবেই বিসিবি বিষয়টি এড়িয়ে যেতে চেয়েছে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসার আগে, কদিন আগে বিসিবি প্রধান নির্বাহী নিজাম উদ্দিন চৌধুরীও সাংবাদিকদের জানান এ বিষয়ে এখনই মন্তব্য নয়।

তবে শেষ পর্যন্ত গুঞ্জনই সত্য হতে যাচ্ছে, আজ (৩০ নভেম্বর) জাতীয় দলের প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদিন নান্নু অন্তত সে ঈঙ্গিতই দিলেন। জনপ্রিয় ক্রিকেট ওয়েবসাইট ‘ক্রিকবাজকে’ তিনি জানান, ‘আমরা মেডিকেল টিমের কাছ থেকে জানতে পেরেছি যে জাতীয় লিগ চলাকালীন তার ডোপ টেস্ট পজিটিভ প্রমাণিত হয়েছে।’

‘ফলে পরের জাতীয় লিগে (সদ্য সমাপ্ত ২১তম জাতীয় লিগ) আমরা তাকে রাখিনি এবং একই কারণে তাকে বঙ্গবন্ধু বিপিএলের প্লেয়ার ড্রাফটেও রাখা হয়নি। সে আমাদের কয়েকটি প্রোগ্রামের অংশ ছিল কিন্তু এখন আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি মেডিকেল টিমের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন হাতে আসার আগ পর্যন্ত তাকে আমাদের কাঠামোগত কার্যক্রম থেকে সরিয়ে রাখবো।’

ফলে এটি অন্তত স্পষ্ট যে বড় সাজাই অপেক্ষা করছে ২০ বছর বয়সী এই তরুণের জন্য। মূলত বল হাতে গতির ঝড় তুলতে পারেন বলেই বয়সভিত্তিক থেকেই নজরে আসেন বাঁহাতি এই পেসার। সবশেষ যুব বিশ্বকাপে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব ১৯ দলের প্রতিনিধি ছিলেন অনিক, গত বিপিএলে খেলেন রাজশাহী কিংসের হয়ে।

বিসিবির ডোপ বিরোধী ধারা ১০.৩.২ এর অনুচ্ছেদ ২.৪ বলছে কোন ক্রিকেটার ডোপ টেস্টে প্রথমবার পজিটিভ প্রমাণিত হলে তার নূন্যতম শাস্তি একবছর ও সর্বোচ্চ শাস্তি দুই বছর সবধরনের ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ হওয়া। যা নির্দেশ করছে অন্তত একবছরের জন্য ক্রিকেট থেকে দূরে সরতে হচ্ছে প্রতিভাবান এই পেসারকে।

৯৭ ডেস্ক

Read Previous

নিজেকে নিয়ে করা হাস্যরসে মাতলেন স্টুয়ার্ট ব্রডও

Read Next

ধোনির ভাগ্য লেখা হয়ে আছে, অপেক্ষা তিনমাসের

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।