জানানো হলো কবে হবে বিপিএলের প্লেয়ার ড্রাফট

বিপিএল

বিপিএল নিয়ে ক্ষণে ক্ষণে বদলিয়েছে রং, সাম্প্রতিক সময়ে বিসিবির তরফ থেকে সংবাদ মাধ্যমকে জানানো হচ্ছে যথাসময়েই বিপিএল আয়োজনের সবধরনের প্রস্তুতি চলছে। তবে বঙ্গবন্ধুকে উৎসর্গ করা বিপিএলের আসন্ন আসরের নামেও আসছে বদল। বিপিএলের আসন্ন আসর হবে ‘বিবিপিএল’ নামে, যা দ্বারা বোঝানো হবে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ। জাতির পিতাকে উৎসর্গ করা বিপিএল থেকে আয় করাকেও মুখ্য হিসেবে দেখছেনা বোর্ড জানিয়েছেন বিসিবির মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান।

আজ (১৪ অক্টোবর) রাজধানীর বনানীতে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলতে গিয়ে বিপিএলের প্লেয়ার ড্রাফট ও দল চূড়ান্ত ইস্যুতে বিসিবির মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান জালাল ইউনুস জানান, ‘আমাদের কাছে পাঁচটা কোম্পানি ইন্টার্ভিউ দিয়েছে , ৪ টা কনফার্ম। যাদের আমরা স্পন্সর পার্টনার হিসেবে নিতে পারি। তাদের সাথে গত সপ্তাহে আলাপ আলোচনা হয়েছে। আরও তিনটা বাকি আছে আগামী তিন চারদিনের মধ্যে আমরা তাদের ইন্টার্ভিউ নিবো, এরপরই সাতটা টিম চুড়ান্ত হবে। আমরা সাতটা টিম কনফার্ম করে ফেলি, হয়তো এ মাসেই হয়ে যাবে। নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহেই প্লেয়ার ড্রাফট।’

ফ্র্যাঞ্চাইজি ভিত্তিক বিপিএল মানে বিসিবির আয়ের একটা বড় উৎস। কিন্তু এবার নিজ খরচ ও ব্যবস্থাপনায় বঙ্গবন্ধু বিপিএল নামে বিসিবি নিজেই আয়োজন করতে যাচ্ছে আসন্ন আসর। যেটাকে বলা হচ্ছে বিশেষ আসর, স্পন্সর পার্টনার নিলেও সবধরনের ব্যয় বহন করে লাভের মুখ দেখা কঠিনই হতে পারে। এ ব্যাপারটায় বিসিবির ভাবনা জানতে চাইলে জালাল ইউনুস বলেন, ‘আমরা বলছিনা যে ক্ষতি হবে। হয়তো ব্রেক ইভেন পয়েন্টও হতে পারে। বিপিএল এবার বঙ্গবন্ধু বিপিএল নামে হচ্ছে, আমাদের জাতির পিতাকে উৎসর্গ করে যেটাকে আমরা বলেছি বিশেষ আসর।’

বঙ্গবন্ধুর নামে বিপিএল বলে আয় নিয়ে ভাবছেনা বিসিবি উল্লেখ করে জালাল ইউনুস যোগ করেন, ‘যেটা হবে ‘বিবিপিএল’ (বঙ্গবন্ধু বিপিএল)।  এ জন্য এটা থেকে আয় হবে কি হবে না এটা নিয়া আমরা চিন্তাও করিনি। আয় করতেও পারি, লাভ না হলেও ক্ষতি হবেনা। স্পন্সর পার্টনার যে এসেছে তারাও আর্থিক একটা উৎস নিয়ে এসেছে ফলে ব্যয় নির্বাহে ওরাও অবদান রাখবে। ফলে আর্থিক ক্ষতি নাও হতে পারে।’

ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর বিদেশি ক্রিকেটারদের সাথে হয়ে যাওয়া চুক্তি ও বিদেশি কোচ প্রসঙ্গে মিডিয়া কমিটি চেয়ারম্যান বলেন, ‘আগের ফ্র্যাঞ্চাইজিরা হয়ত কোন তারকা প্লেয়ারের সাথে চুক্তি করেছিল, এখন ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো যদি চায় ওই প্লেয়ারকে আমাদের কোন দলে দিতে তাহলে আমরা নিতে পারি,সমঝোতায় যেতে পারি। আগের আসরগুলোতেও বেশিরভাগ দলের কোচ বিদেশিই ছিল, আবার দেশিও ছিল। যেমন দুই তিনজন যারা কোচ হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছিল, তারা অবশ্যই যুক্ত হতে পারে। স্পন্সর পার্টনারদের সাথে তারাও আসতে পারে, অসুবিধা নাই। যারা আগের আসরগুলোতে হেড কোচ হিসেবে কাজ করেছে তারা অবশ্যই যুক্ত হতে পারে।’

৯৭ ডেস্ক

Read Previous

‘সৌরভের সঙ্গে ‘আত্মার সম্পর্ক’ কাজে লাগবে’

Read Next

নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ দল এ সপ্তাহেই পাকিস্তান যাচ্ছে

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।