স্মৃতি রোমন্থন করে রুবেল জানালেন ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

রুবেল হোসেন

রুবেল হোসেন নামটা সামন এলেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে ২০১৫ বিশ্বকাপে অ্যাডিলেডে ইংল্যান্ডকে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় করে দেওয়া মুহূর্ত। রুবেলের নিখুঁত ইয়র্কারে ছত্রভঙ্গ জিমি অ্যান্ডারসনের স্টাম্প আর ইংলিশ ধারাভাষ্যকার নাসের হুসাইনের কণ্ঠে ‘The Bangladesh Tigers knocked the England Lions out of the World Cup!’

দেশের ক্রিকেট ভক্তদের কাছে রুবেল মানেই ২০১০ সালে নিউজিল্যান্ডকে হোয়াইটওয়াশ করার পেছনের নায়ক। মাত্র ১৭৪ রানের পুঁজি নিয়েই রোমাঞ্চে ভরপুর শেষ ম্যাচে বাংলাদেশের তিন রানে জয়। শেষ ওভারে রুবেল হোসেনের দুর্দান্ত ডেলিভারিতে কুপোকাৎ কাইল মিলস। ধারাভাষ্যকক্ষে কিউই ড্যানি মরিসন জানিয়ে দিলেন বাংলাদেশ ঠিকঠাক সম্পন্ন করেছে বাংলাওয়াশ।

প্রায় এক যুগের ক্যারিয়ার, নানা উত্থান পতনের মধ্য দিয়ে যাওয়া ডানহাতি এই পেসার সম্প্রতি বাদ পড়েছেন জাতীয় দলের কেন্দ্রীয় চুক্তি থেকে। করোনার কারণে ঘরবন্দী সময় কাটালেও সামাজিক সচেতনতামূলক কার্যক্রম ও অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়িয়েছেন শুরু থেকেই।

গৃহবন্দী সময়টায় ‘ক্রিকেট৯৭’ এর সাথে একান্ত আলাপে স্মৃতিচারণ করেছেন মধুর সেই মুহূর্তগুলোর, কথা বলেছেন চুক্তি থেকে বাদ পড়া, বোলিংয়ে নিজের শক্তিমত্তা ও সংকটময় এই সময়টায় মানবিকতা নিয়ে। পাঠকদের জন্য সাক্ষাৎকারটি নিচে দেওয়া হল-

রুবেল হোসেন

ক্রিকেট৯৭- বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে ২০১৫ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ড বধ অন্যতম একটি জয় । যে ম্যাচে বল হাতে নায়ক বনে গিয়েছিলেন আপনি। করোনার এই সময়টায় আইসিসির বদলৌতে বারবারই সামনে আসছে জিমি অ্যান্ডারসনের স্টাম্প ভেঙে দেওয়ার দৃশ্যটি। বাংলাদেশের অনেক জয়েই ডেথ ওভারে আপনি দুর্দান্ত করেছেন। নিজের কাছে কোনটি এগিয়ে?

রুবেল হোসেনঃ আমার কাছেতো অবশ্যই বিশ্বকাপের (২০১৫) সে ম্যাচটাই এগিয়ে থাকবে। বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল খেলা, অনেক বড় কিছু বাংলাদেশ দলের জন্য। অনূর্ধ্ব-১৯ দল বিশ্বকাপ জিতেছে যা দেশের ক্রিকেটের অন্যতম বড় অর্জন ধরা হয়। তারা অসাধারণ একটা অর্জন এনেছেও কিন্তু সেটা জুনিয়র লেভেলে। সিনিয়র দল হিসেব করলে ২০১৫ বিশ্বকাপে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলাটাই এখনো বড় অর্জন। ঐ ম্যাচে আমার শেষের স্পেলটা, আমার যে অবদান বা যে পারফরম্যান্সটা করছি সেটা অনেক ভালো লাগে। পারফরম্যান্সের দিক বিবেচনায় নিলে আমি অবশ্যই এক নম্বরে রাখবো বিশ্বকাপের এই ম্যাচটা।

ক্রিকেট৯৭- ২০১০ সালে নিউজিল্যান্ডকে ঘরের মাঠে হোয়াইটওয়াশ করা সিরিজে রোমাঞ্চকর ম্যাচে দুর্দান্ত ডেলিভারিতে কাইল মিলসের স্টাম্প উপড়ে ফেলা, ২০১৩ সালে একই প্রতিপক্ষের বিপক্ষে হ্যাটট্রিকসহ ৬ উইকেট। পছন্দের তালিকায় উপরে আছে কোনটা?

রুবেল হোসেনঃ এরপর (২০১৫ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচের পর) হ্যাটট্রিকসহ ৬ উইকেট (২০১৩ সালে মিরপুরে), নিউজিল্যান্ডকে বাংলাওয়াশ (২০১০ সালে) করা সিরিজে শেষ ম্যাচটা। এরকম কয়েকটা ম্যাচ আছে নিজেকে আলাদা আনন্দ দেয়। কিন্তু এক নম্বরে থাকবে বিশ্বকাপের ম্যাচটাই। খুবই আনন্দ দেয়, ভালো লাগে। আসলে একটা না একটা সময়তো ক্রিকেটটা ছেড়ে দিব। তখন বলতে পারবো যে এমন একটা ম্যাচে আমার ভূমিকা ছিল।

ক্রিকেট৯৭- বারবার যেহেতু ইংল্যান্ড ম্যাচটাই সামনে আসছে তাহলে জানতে চাই ঐ ম্যাচে আপনার করা ম্যাচ জেতানো ওভারটির আগেই সেট ব্যাটসম্যান ক্রিস ওকসের ক্যাচ ছাড়েন তামিম ইকবাল। এমন উত্তেজনায় ঠাঁসা ম্যাচে ঐ ক্যাচটা দলের মানসিকতায় কোন পরিবর্তন এনেছিল ঐ সময়টায়?

রুবেল হোসেনঃ না, আসলে ক্যাচ মিস হতেই পারে। এটা নিয়ে আসলে ভাবনার কিছু ছিলনা। বিশ্ব ক্রিকেটে এটা খেলারই অংশ, জন্টি রোডসেরও ক্যাচ মিস হয়েছে। তবে বিশ্বকাপের মত এমন মঞ্চে ঐ পরিস্থিতিতে ক্যাচ মিস হলে খেলোয়াড়েরা হয় কি একটু মানসিকভাবে দূর্বল হয়ে পড়ে। হয়তোবা বলের চেয়ে রানটা একটু বেশি দরকার এমন পরিস্থিতি ছিল আরকি। ওদের ভালো একটা ব্যাটসম্যানও (ক্রিস ওকস) ছিল ঐ সময় ক্রিজে। তো ক্যাচ মিস হতেই পারে এটা নিয়ে খুব একটা চিন্তিত ছিলনা কেউ।

ক্রিকেট৯৭- আপনি যখন ৪৯তম ওভারে বল করতে আসেন তখন ২ উইকেট হাতে নিয়ে ইংল্যান্ডের প্রয়োজন মাত্র ১৬ রান। কিন্তু তিন বলের মধ্যেই স্টুয়ার্ট ব্রড ও জিমি অ্যান্ডারসনকে বোল্ড করে ফেরালেন। বিশ্বকাপের মত মঞ্চ, ভিন্ন কন্ডিশন আর শক্ত প্রতিপক্ষের বিপক্ষে এমন পরিস্থিতিতে বল করার আগে কী ভাবছিলেন আসলে?

রুবেল হোসেনঃ যখন বোলিং করছিলাম আমার মাথায় আসলে কাজ করেছে যে এটা একটা বড় সুযোগ। এখানে ম্যাচটা জেতাতে পারলে আমরাতো পরের রাউন্ডে যাবোই সাথে সারাবিশ্বের মানুষ দেখবে। বিশেষ করে ক্রিকেট খেলুড়ে দেশগুলোতো আসলে বিশ্বকাপ বেশ ভালোভাবেই অনুসরণ করে।

ক্রিকেট৯৭- দলের সিনিয়র কোন ক্রিকেটার ঐ সময়টায় কোন পরামর্শ দিয়েছিল?

রুবেল হোসেনঃ সাকিব ভাই একটা কথাই বলছে সারা বাংলাদেশের মানুষ কিন্তু এখন তোর দিকে তাকিয়ে আছে। তোর হাতেই সবকিছু, একটা কিছু কর দেশের জন্য। সাকিব ভাইয়ের ওই কথাটা আমার ঐ মুহূর্তে শক্তি বলেন বা থাকেনা কিছু কথা মাথায় গেঁথে যায়, জেদ তৈরি করে। সাকিব ভাইয়ের কথাটা বোলিংয়ে যাওয়ার আগ মুহুর্তে খুব বেশি অনুপ্রেরণা দিয়েছে আমাকে। আমিও চেষ্টা করেছি, উপরওয়ালাও চেয়েছেন সব মিলিয়ে ইতিবাচকই ছিল বলতে হয়।

২০১৫ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের শেষ উইকেট তুলে নিয়ে রুবেল হোসেনের পাগলাটে উদযাপন

ক্রিকেট৯৭- সেদিন দেশের ক্রিকেট ভক্তদের অসাধারণ এক জয় উপহার দিলেন আপনারা। ম্যাচ শেষে নিশ্চয়ই উদযাপনেও ছিল ভিন্ন কিছু?

রুবেল হোসেনঃ উদযাপন বলতে মাঠের হৈ হুল্লোড়তো সবাই দেখেছে, টেলিভিশনে কাভার হয়েছে। কিন্তু ড্রেসিংরুমে গিয়েও আমরা অনেক মজা করেছি। সাধারণত জয়ের পর ‘আমরা করবো জয়’ গানটা আমরা ড্রেসিং রুমে গেয়ে থাকি সেটাতো আপনারা জানেনই। তো ঐ গানটা যখন আমরা গাচ্ছিলাম আমাদের সবার মধ্যে অন্যরকম একটা শক্তি চলে এসেছিল, সবার মধ্যে বাড়তি উত্তেজনা কাজ করছিল। বাইরের কন্ডিশনে ইংল্যান্ডের মত দলকে হারানো টা তো আসলে চাট্টিখানি কথা নয়।

ক্রিকেট৯৭- ২০০৯ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ওয়ানডে অভিষেকেই নিয়েছেন ৪ উইকেট। দুর্দান্ত অভিষেকের পরের ম্যাচেই দেখলেন মুদ্রার অন্য পিঠটাও। হাতের মুঠোয় থাকা ম্যাচটা মুত্তিয়াহ মুরালিধরনের বিধ্বংসী এক ইনিংসে হারলো বাংলাদেশ। শেষদিকে বেশ খরুচে বোলিং করলেন, ছিলেন উইকেট শূন্য। ২০১৮ সালে নিদাহাস ট্রফিতেও আপনার করা ওভারে দীনেশ কার্তিক ম্যাচ বের করে নেয়। অনেক জয়ে অবদানের সাথে এই ম্যাচগুলোও কী কষ্ট দেয়?

রুবেল হোসেনঃ না, এগুলো নিয়ে আমি আসলে চিন্তা করিনা। ক্রিকেটে এসব স্বাভাবিক। আমরা যেহেতু বোলার- আমরাই ম্যাচ জেতাবো, আবার আমাদের ব্যর্থতায় দল হারতেও পারে। যেটা আমার ক্ষেত্রে হয়েছে, আমি এসব নিয়ে খুব একটা ভাবিনা। শুধু এসব নয় নেতিবাচক কোন ব্যাপার নিয়েই আমি খুব বেশি ভাবিনা। হয়তোবা খারাপ লাগে, ঐ সময়টায় খারাপ লেগেছেও আমার কাছে। কিন্তু সেখানে পড়ে না থেকে আমি চেষ্টা করেছি যত দ্রুত আবার ভুল শুধরে নেওয়া যায় সেটা নিয়ে। এতেই আমার স্কিলটা উন্নত হবে, নেতিবাচক চিন্তা করলে নয়। ঐ ম্যাচগুলোতেও আমি চেষ্টা করেছি হয়তো হয়নি এইতো। আমারতো আপ্রাণ চেষ্টা ছিল, কিন্তু পরে এসব নিয়ে ভেবে চিন্তা বাড়াইনা।

ক্রিকেট৯৭- বেশ কিছুদিন থেকে বোলিংয়ে ‘বাটারফ্লাই’ বৈচিত্র যোগ করছেন বলে শোনা যাচ্ছিলো। মাঠে প্রয়োগ করে সাফল্য আসছে?

রুবেল হোসেনঃ আমি প্রয়োগ করছি ও উন্নতিরও চেষ্টা করছি। কিন্তু আন্তর্জাতিক ম্যাচে এটা খুব বেশি করা কঠিন এখনই। এতটা করাও হয়নি। সম্ভবত অল্প কিছু বল আমি চেষ্টা করেছি। ঘরোয়া খেলাগুলোতে আরও বেশি পরিমাণ চেষ্টা করতে হবে। এখানে নিয়মিত করে আত্ববিশ্বাসটা বাড়িয়ে নিলে আন্তর্জাতিকে করার সময় সহজ হবে। মূলত বাটারফ্লাইয়ের দিকে আমি বাড়তি মনযোগ দিচ্ছিনা।

ক্রিকেট৯৭- তাহলে কোন জায়গাটাতে সময় দিচ্ছেন বেশি?

রুবেল হোসেনঃ আমার মূল শক্তির জায়গা হচ্ছে জোরে বল করা, ইয়র্কার দেওয়া, ভালো বাউন্সার দেওয়া। এসব আমার মূল অস্ত্র, এসবেই আমার আস্থা, জোরও দিচ্ছি বেশি। এগুলোর সাথে যদি বাড়তি কোন বৈচিত্র যোগ করা যায় তাহলেতো যেকোন বোলারের জন্যই ভালো।

ক্রিকেট৯৭- বিশ্বকাপ থেকেই অনিয়মিত হতে শুরু করেছেন দলে। সবশেষ হালনাগাদ চুক্তি থেকেও বাদ পড়লেন। ব্যাপারটিকে কীভাবে দেখছেন?

রুবেল হোসেনঃ এটা নিয়ে আসলে আমার কিছু বলার নেই। কারণ এটা নির্বাচকরা সিদ্ধান্ত নেয়, তাদের বিষয়। হয়তো আমাকে আরও ভালো পারফরম্যান্স করতে হবে। দেখেন আমি বিপিএলে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারির দিক থেকে উপরের দিকেই ছিলাম বলে পাকিস্তানে গিয়েছি। তো ঐখানে অবশ্য টি-টোয়েন্টি খেলার সুযোগ হয়নি, একটা ম্যাচে ছিলাম কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে বৃষ্টিতে ম্যাচ পন্ড হয়েছে। যাহোক আমিতো পারফরম্যান্স করছি, বিপিএলে পারফর্ম করেইতো আমি পাকিস্তানে গিয়েছি। হয়তোবা তারা আমাকে সুযোগ সেভাবে দিতে পারেননি (টি-টোয়েন্টিতে)। আমি বিশ্বাস করি নির্বাচকরা এসব বিষয় মাথায় রাখবেন।

ক্রিকেট৯৭- পারফরম্যান্স দিয়ে নিজেকে প্রমানের ব্যাপারে কতটা আশাবাদী?

রুবেল হোসেনঃ আমাদের যেহেতু ঢাকা প্রিমিয়ার লিগটা শুরু হয়েছিল, একটা ম্যাচ হয়েছেও। সেক্ষেত্রে আবার যদি করোনা পরিস্থিতির পর সব স্বাভাবিক হয় আমারতো চেষ্টা থাকবেই যেটা সবসময় করিই যে ভালো কিছু করার। ভালোভাবে পারফর্ম করে কামব্যাক করতে চাই ইন শা আল্লাহ।

ক্রিকেট৯৭- করোনা সংক্রমণ প্রভাব বিস্তারের শুরু থেকেই আপনি সরব। সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি ও অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়াচ্ছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও করোনা ইস্যুতে আপনাকে সক্রিয় দেখা যাচ্ছে।

রুবেল হোসেনঃ সচেতনতার দিক থেকে আমি কোন ছাড় দিচ্ছিনা। শতভাগ সচেতন আছি। আর যেসব সামাজিক কার্যক্রম চালাচ্ছি অসহায় মানুষের পাশে থাকা কিংবা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে স্ট্যাটাস দেওয়া এসব মূলত মানবিকতার দিক চিন্তা করেই করা। আমি যেটা বিশ্বাস করি অনেক মানূষ আমাদের অনুসরণ করে, যারা আমাদের ভালোবাসে।

তো আমরা যদি এমন কিছু করি তাহলে তারাও এসব থেকে অনুপ্রাণিত হবে বলে আমি মনে করি। আমার স্ট্যাটাস বা সচেতনতামূলক বার্তা অনেকের কাছে অপছন্দও হতে পারে, হতে পারে বলতে অবশ্যই হয়ও। কিন্তু কেউ যদি আমাকে দেখে একটু অনুপ্রাণিত হয় তাতেই আমি আনন্দ পাবো।

ক্রিকেট৯৭- আজতো (২৪ এপ্রিল) শচীন টেন্ডুলকারের জন্মদিন। ২০১০ সালে আপনার ক্যারিয়ারের শুরুতেই চট্টগ্রাম টেস্টে তার উইকেট নেওয়ার সৌভাগ্য হয়েছে। তার মত একজন কিংবদন্তীর উইকেট নিতে পারার স্মৃতি মনে পড়ে?

রুবেল হোসেনঃ ওটাতো আমার স্মরণীয় উইকেট। আমার অনেকগুলো স্মরণীয় ম্যাচ আছে যেগুলো আমার কাছে অন্যরকম। প্রতিটি ক্রিকেটারেরই এমন কিছু ম্যাচ থাকে, আমারও আছে। এর বাইরে আমার কিছু উইকেটও স্মরণীয় নিজের কাছে যার মধ্যে শচীনের উইকেটটা অন্যতম। বিশ্ব ক্রিকেটের একজন কিংবদন্তী। তার উইকেটটা পাওয়া সত্যিকার অর্থেই গর্বের বিষয় আমার জন্য।

খুব ভালো লাগে আমার। ভিডিওটা আছে আমার কাছে, প্রায় সময়ই দেখি শচীনের উইকেটের ভিডিওটি। এটা আমার কাছে অনেক গর্বেরও। আমি সবসময় এই উইকেটটিকে এক নম্বরেই রাখবো। ক্যারিয়ারে বোলারদের ক্ষেত্রে হয় যে কার উইকেটটাকে নিজের সেরা বলে মানে এমন কিছু। আমার ক্ষেত্রে আমি শচীন টেন্ডুলকারের উইকেটটিই রাখবো সবার উপরে।

নাজমুল হাসান তারেক

Read Previous

হতাশ হয়ে আত্মহত্যা করতে চেয়েছিলেন হেনরিকস!

Read Next

করোনাকালে স্থগিত হল আরো এক সিরিজ

Total
15
Share
error: Content is protected !!