‘অজিরা কেপটাউন কান্ডের আগেই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গিয়েছিল’

২০১৮ সালে কেপটাউন টেস্টে বল টেম্পারিং কান্ডের দুই-তিন বছর আগেই অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটাররা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গিয়েছিল বলে জানান আইসিসির এলিট প্যানেলের সাবেক আম্পায়ার ইয়ান গোল্ড। নিজের আত্মজীবনী ‘গুনার-মাই লাইফ ইন ক্রিকেট’ প্রচার করার সময় অস্ট্রেলিয়ান একটি গণমাধ্যমকে গোল্ড আরও বলেন ঐ সময়ে অজি ক্রিকেটাররা সাধারণ মানুষ রূপে আবির্ভূত হয়।

কেপটাউন টেস্টে টিভি অফিসিয়ালের দায়িত্বে থাকা ইয়ান গোল্ড টিভিতে দেখেন বল টেম্পারিংয়ের কাহিনী। গতবছর ইংল্যান্ড বিশ্বকাপের পর অবসরে যাওয়া এই আম্পায়ার বলেন, ‘আপনি যদি একটু পেছনে ফিরে যান তবে দেখবেন অস্ট্রলিয়া সম্ভবত ঐ ঘটনার (বল টেম্পারিং) দুই-তিন বছর আগেই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়, আমি এই অর্থে বলছিনা। সম্ভবত আচরণ, কথাবার্তায় গড়পড়তা মানুষে পরিণত হয়েছে।’

ঘটনার পর অস্ট্রেলিয়ান দলপতি স্টিভ স্মিথ ও সহ অধিয়ায়ক ডেভিড ওয়ার্নারকে এক বছর এবং ক্যামেরুন ব্যানক্রফটকে ৯ মাসের নিষেধাজ্ঞা (আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে) দেওয়া হয়। অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট সংস্কৃতিতে বহুল চর্চিত ঘটনাতেও রূপ নেয় তাদের এমন কান্ড।

তবে এত বড় শাস্তি হতে পারে বুঝতে পারেননি গোল্ড। তিনি বলেন, ‘ফলস্বরুপ কি হবে তা আমি বুঝতে পারিনি। যখন জানলাম ভাবিনি আসলে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী এই তিনজনের উপর এতটা ক্ষেপে যাবেন।’

আইসিসির আচরণবিধি অনুসারে বল টেম্পারিং লেভেল-টু অপরাধ হিসেবে গন্য হয়। যার শাস্তি হতে পারে ৬ টেস্ট বা ১২ ওয়ানডে ম্যাচ নিষিদ্ধ। গোল্ড স্বীকার করেছেন যে টিভিতে তিনি যা দেখেছেন তা ভালোভাবে বিশ্বাস করেননি। কিন্তু যা সত্যি হয়ে সামনে এসেছে তা ক্রিকেটের জন্য বিশেষ করে অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটের জন্য ভালো হয়েছে বলে মনে করেন আইসিসির এই অভিজ্ঞ আম্পায়ার।

‘যখন পরিচালক বলছিলেন যে সে (ব্যানক্রফট) কিছু একটা ট্রাউজারের পকেটে নিচ্ছে। আমি সাথে সাথে মুখ চেপে হাসা শুরু করি কারণ এমন কিছু ঠিকঠাক শোনা যাচ্ছিলনা। তবে পরবর্তীতে যা বের হয়ে আসলো তা অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটতো বটেই ক্রিকেট খেলাটার জন্যই দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।’ -যোগ করেন ইয়ান গোল্ড।

৯৭ ডেস্ক

Read Previous

অস্ট্রেলিয়ার বাংলাদেশ সফর আনুষ্ঠানিকভাবে স্থগিত

Read Next

বাংলাদেশ-ভারত লড়াই ‘দ্বৈরথ নাকি রেষারেষি?’

Total
4
Share
error: Content is protected !!