মাশরাফিকে তিনে ঠেলে দুইয়ে কুলদ্বীপ!

২০০৯ সালের আইপিএলে (ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ) কোলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে খেলেছিলেন মাশরাফি বিন মর্তুজা। ১ ম্যাচ খেলেই আইপিএল ক্যারিয়ার শেষ হয়েছিল তাঁর। ডেকান চার্জার্সের বিপক্ষে ভুলে যাবার মতো এক ম্যাচ খেলে আর সুযোগ পাননি আইপিএল খেলার। আজ রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের বিপক্ষে কুলদ্বীপ যাদব ভুলে যাবার মতো এক ম্যাচ খেলে মনে করালেন মাশরাফি বিন মর্তুজার পারফরম্যান্সকে।

২০১৩ সালের আগ অব্দি কোলকাতার হয়ে রানের বিচারে সবচেয়ে বাজে বোলিং ফিগার ছিল মাশরাফি বিন মর্তুজার। ২০১৩ সালে রায়ান ম্যাকলারেন মাশরাফিকে দুইয়ে ঠেলে ওঠেন ১ নম্বরে। আর আজ মাশরাফিকে তিনে ঠেলে দুইয়ে নিজের নাম লিখলেন কুলদ্বীপ যাদব। নিশ্চিতভাবেই এতে খুশি হবার কারণ নেই কুলদ্বীপের।

আইপিএলে কোলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে বাজে বোলিং ফিগার (রানের বিচারে)-

২/৬০- রায়ান ম্যাকলারেন, ২০১৩ সালে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের বিপক্ষে
১/৫৯- কুলদ্বীপ যাদব, আজ রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের বিপক্ষে
০/৫৮- মাশরাফি বিন মর্তুজা, ২০০৯ সালে ডেকান চার্জার্সের বিপক্ষে
১/৫৮- শিভাম মাভি, ২০১৮ সালে দিল্লি ডেয়ারডেভিলসের বিপক্ষে

স্পিনারদের মধ্যে আইপিএলে এখন দ্বিতীয় খরুচে বোলিং ফিগার কুলদ্বীপ যাদবের। ১ নম্বরে নাম আছে লেগ স্পিনার ইমরান তাহিরের।

আইপিএলে স্পিনারদের মধ্যে বাজে (খরুচে) বোলিং ফিগার-

৫৯- ইমরান তাহির, দিল্লি ডেয়ারডেভিলসের হয়ে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের বিপক্ষে, ২০১৬
৫৯- কুলদ্বীপ যাদব, কোলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের বিপক্ষে, আজ
৫৭- কারান শর্মা, সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদের হয়ে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের বিপক্ষে, ২০১৬

কুলদ্বীপ যাদবের এই বাজে দিনে তাঁকে সবচেয়ে ভুগিয়েছেন মইন আলি। মইন আলিকে করা কুলদ্বীপের ১৬ বলে ফল ছিলো এরকম- ৬ ১ ১ ০ ৬ ৪ ০ ০ ১ ৪ ৬ ৪ ৬ ওয়াইড ৬ উইকেট।

মইন আলির ২৮ বলে ৬৬, ভিরাট কোহলির ৫৮ বলে ১০০ রানের সুবাদে কোলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে ২০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ২১৩ রান তুলেছে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর।

শিহাব আহসান খান

Read Previous

ভয়ংকর আন্দ্রে রাসেল কোন বোলারকে ভয় পান?

Read Next

আর্চার বিশ্বকাপে না খেললে নগ্ন হবেন ভন!

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Total
0
Share