চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সকে নিয়ে জালাল ইউনুসের বড় চ্যালেঞ্জ

নতুন ফরম্যাটে এবারের বিপিএলের জন্য নতুন নিয়ম। প্রতিটি দলের জন্যই একজন করে টিম ডিরেক্টর নিয়োগ করা হয়েছে। যে দায়িত্ব পেয়েছেন বিসিবির পরিচালকরা। বিসিবির মিডিয়া কমিটির প্রধান জালাল ইউনুসের দায়িত্বে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। দেশি-বিদেশি খেলোয়াড় কিংবা কোচ একসঙ্গে এমন এক দলের এই প্রথম বারের মতো দায়িত্বে জালাল ইউনুস। সবকিছু মিলিয়ে এটা একটা বড় চ্যালেঞ্জ তার জন্যে।

চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের টিম ডিরেক্টর হিসেবে থাকছেন জালাল ইউনুস এবং টিম ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করবেন ফাহিম মুনতাসির। চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের কোচ ইংল্যান্ডের পল নিক্সন। নিক্সনের সাথে বোলিং কোচ হিসেবে আসছেন ইংল্যান্ডের সাবেক ডান-হাতি পেসার কবির আলী। আর দলের খেলোয়াড়রা হলেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, ইমরুল কায়েস, নাসির হোসেন, রুবেল হোসেন, এনামুল হক বিজয়, ক্রিস গেইল, কেরসিক উইলিয়ামস, রায়াদ এমরিত, ইমাদ ওয়াসিম, লেন্ডল সিমন্সদের মতো তারকারা।

চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের পরিচালক জালাল ইউনুস বললেন এবারের বিপিএলে তার কাজটা হবে একটা বড় চ্যালেঞ্জ। দেশি-বিদেশি খেলোয়াড় কিংবা কোচ এমন এক দলের এই প্রথম বারের মতো দায়িত্বে জালাল ইউনুস।

‘আমার ক্রিকেট ক্যারিয়ারের পর থেকেই কোন না কোন দলের সাথে আমি জরিত ছিলাম আপনারা সবাই জানেন। ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটেও প্রথম নয় তবে দায়িত্ব একটা ভিন্ন বিষয়, এবার ক্রিকেট বোর্ড থেকে আমাকে এখানে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, নোমিনেটেড বলেন বা অন্যকিছু আমি এবার দল পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছি। এটা ক্লাব দল অথবা অন্য কোন দলের চাইতে এটা চ্যালেঞ্জিং। জাতীয় দলের ম্যানেজার হয়েও আমি বাইরে গিয়েছি তবে এটা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটা পরিবেশ। আপনি দেখছেন এখানে বিদেশি ক্রিকেটার আছে, বিদেশি টিম ম্যানেজমেন্ট আছে, দেশি টিম ম্যানেজমেন্ট আছে। সবকিছু মিলিয়ে এটা একটা বড় চ্যালেঞ্জ।’

চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স দলের অনুশীলন পারফর্মেন্সে খুশি পরিচালক জালাল ইউনুস। প্রতিটি ম্যাচই টার্গেট করে সামনে এগোতে চান তিনি। সিলেট থান্ডারের সঙ্গে আসরের প্রথম ম্যাচ জেতায় আপাতত চট্টগ্রামের লক্ষ্য,

‘আর সবচেয়ে বড় কথা কম সময়ের মধ্যে সবাইকে এক করা, দলকে কো-অর্ডিনেট করা খুবই কঠিন আমি মনে করি। তাদেরকে খুব সময়ের মধ্যে একটি পরিবার করে নেওয়া আসলেই চ্যালেঞ্জের। আমি কয়েকদিন মাঠে গিয়েছি অনুশীলন দেখতে। যেটা দেখলাম তারা খুব কম সময়ের মধ্যে পরিপূর্ণ একটা দল হয়ে উঠেছে। এটা একটা বড় ব্যাপার খুব শীঘ্রই এই কাজটা করে ফেলেছে তারা। সবারই স্বপ্ন থাকে উপরে যাওয়ার আমি মনে করি আমিও যেহেতু দায়িত্ব নিয়েছি প্রথম ম্যাচ থেকেই টার্গেট থাকতে হবে প্রতিটি ম্যাচ ধরে-ধরে এগোতে হবে। ভবিষ্যতে কি হবে শেষ চারে থাকবো কিনা সেটা আমি এখন বলতে চাচ্ছিনা। ম্যাচ বাই ম্যাচ আমি এনালাইস করতে চাই, ম্যাচ বাই ম্যাচ আমি টার্গেট করতে চাই। আমাদের সামনের ম্যাচ সিলেটের সাথে, আমাদের লক্ষ্য ওই ম্যাচ জেতা। এরপর প্রতিটি ম্যাচ ধরে ধরে এগোনোর প্ল্যান।’

Read Previous

নাসিরের মাথায় নেই ‘টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ’ চিন্তা

Read Next

গেইলদের সাথে নিজেদের পার্থক্য তুলে ধরলেন মাহমুদউল্লাহ

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Total
5
Share