টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে বয়কট বিতর্ক, পাকিস্তানকে কড়া বার্তা ওয়াসিম আকরামের
৯৭ প্রতিবেদক: নাজিফা তাসনিম
প্রকাশ: 3 ঘন্টা আগে আপডেট: 1 সেকেন্ড আগে-
1
ক্রিকেট বোর্ডের দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি আমিনুল হকের
-
2
বিশ্বকাপ বর্জনের প্রভাব গণমাধ্যমেও, আইসিসির সিদ্ধান্তে বিসিবির ব্যাখ্যা দাবি
-
3
ইংল্যান্ডের কাছে হেরে সুপার সিক্সেই থামল বাংলাদেশের অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ অভিযান
-
4
৩৪ বছর বয়সে পেশাদার ক্রিকেটকে বিদায় বললেন অস্ট্রেলিয়ার বিশ্বকাপজয়ী ক্রিকেটার
-
5
সাকিবকে ফেরানোর ব্যাপারে বোর্ডকে স্পষ্ট বার্তা দিলেন তামিম
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে বয়কট বিতর্ক, পাকিস্তানকে কড়া বার্তা ওয়াসিম আকরামের
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে বয়কট বিতর্ক, পাকিস্তানকে কড়া বার্তা ওয়াসিম আকরামের
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ মাঠে গড়ানোর আগেই ক্রিকেট রাজনীতির উত্তাপে পরিস্থিতি হয়ে উঠেছে জটিল। দল বাছাই, ভেন্যু ও নিরাপত্তা ইস্যু মিলিয়ে বিশ্ব ক্রিকেটে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তার মেঘ। বাংলাদেশের নাম ছেঁটে ফেলার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার আলোচনার কেন্দ্রে পাকিস্তানের সম্ভাব্য বয়কট যা ঘিরে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক।
বাংলাদেশকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্তের পরে পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যমে উঠে আসে সরকারের নির্দেশ এলে পাকিস্তান বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়াতে পারে এমন খবর। এই বয়কট প্রসঙ্গকে পুরোপুরি অযৌক্তিক মনে করছেন পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক ও বোলিং কিংবদন্তি ওয়াসিম আকরাম।
তিনি বলেন, "পাকিস্তান কেন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বর্জনের কথা ভাবছে? বাংলাদেশ খেলতে চাচ্ছে না বলে! পাকিস্তান ক্রিকেটের জন্য বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত করেছে কী? এটার কোনো মানে দেখি না।"
এদিকে পাকিস্তানের আরেক সাবেক তারকা মোহাম্মদ ইউসুফ মনে করেন, বাংলাদেশের অনুপস্থিতি বিশ্বকাপের জনপ্রিয়তায় বড় ধাক্কা দেবে।
"নিউজিল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, স্কটল্যান্ড, নেপাল, নেদারল্যান্ডস, আয়ারল্যান্ড, নামিবিয়া, জিম্বাবুয়ে, শ্রীলঙ্কা ও আফগানিস্তান মিলিয়ে ১৭ কোটি ৮০ লাখ দর্শক খেলা দেখবেন। সেখানে বাংলাদেশের এই সংখ্যাটা ১৭ কোটি ৬০ লাখ।"
বিশ্বকাপে না খেলতে পারার পেছনে বাংলাদেশের নিরাপত্তা-সংক্রান্ত উদ্বেগকেই মূল কারণ হিসেবে দেখছেন ইউসুফ। বিসিবি একাধিকবার ভারত থেকে ম্যাচ সরানোর অনুরোধ জানালেও আইসিসি সেই দাবি মানেনি। ক্রিকেট প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে পাকিস্তানের সাবেক এই ব্যাটার বলেন,
"বাংলাদেশ যে নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছিল, সেটাকে অগ্রাহ্য করা হয়েছে। যখন ক্রিকেটের প্রশাসন ব্যবস্থা পক্ষপাতদুষ্ট হয়ে যায়, তখন আর স্বচ্ছতা থাকে না। প্রভাব খাটিয়ে ক্রিকেট চালানো যায় না। নীতির ওপর চলবে ক্রিকেট।"
