বিশ্বকাপ বর্জনের প্রভাব গণমাধ্যমেও, আইসিসির সিদ্ধান্তে বিসিবির ব্যাখ্যা দাবি
৯৭ প্রতিবেদক: নাজিফা তাসনিম
প্রকাশ: 2 ঘন্টা আগে আপডেট: 1 সেকেন্ড আগে-
1
এক পরিবর্তনে বিশ্বকাপ স্কোয়াড ঘোষণা পাকিস্তানের
-
2
বিশ্ব ক্রিকেটারদের সংগঠন ডব্লিউসিএর উদ্বেগ, বাংলাদেশকে বাদ দেওয়াকে দুঃখজনক মুহূর্ত বলে আখ্যায়িত
-
3
বিশ্বকাপ থেকে বাংলাদেশ ছিটকে যাওয়ায় প্রতিবাদ, ন্যায়বিচারের দাবি আফ্রিদির
-
4
নিউজিল্যান্ডকে চাপে ফেলে তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে দাপুটে জয় ভারতের
-
5
ক্রিকেট বোর্ডের দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি আমিনুল হকের
বিশ্বকাপ বর্জনের প্রভাব গণমাধ্যমেও, আইসিসির সিদ্ধান্তে বিসিবির ব্যাখ্যা দাবি
বিশ্বকাপ বর্জনের প্রভাব গণমাধ্যমেও, আইসিসির সিদ্ধান্তে বিসিবির ব্যাখ্যা দাবি
নিরাপত্তা ও ভেন্যু সংকটের টানাপোড়েনে মাঠের ক্রিকেটের বাইরে এবার আলোচনার কেন্দ্রে বাংলাদেশের গণমাধ্যম। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বাংলাদেশ দলকে বাদ দেওয়ার পর শুধু দলই নয়, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দৃশ্যত আড়াল হয়ে পড়েছেন দেশের সাংবাদিকরাও। বিশ্বকাপ কাভারের জন্য আবেদন করা কোনো বাংলাদেশি সাংবাদিককে অ্যাক্রিডিটেশন না দেওয়ায় নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে আইসিসির সিদ্ধান্ত ও স্বচ্ছতা নিয়ে।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বাংলাদেশ দলকে বাদ দেওয়ার পর বাংলাদেশের কোনো সাংবাদিককেও বিশ্বকাপ কাভারের জন্য অ্যাক্রিডিটেশন দেয়নি আইসিসি। এ নিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের অভিভাবক সংস্থার কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
মঙ্গলবার পূর্বাচলের ন্যাশনাল ক্রিকেট গ্রাউন্ডে সিসিডিএম চ্যালেঞ্জ কাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বিশ্বকাপ ইস্যুতে কথা বলেন বিসিবির মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন। তিনি জানান, বিষয়টি নিয়ে আইসিসির কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশের সাংবাদিকরা বিশ্বকাপ কাভারের জন্য আবেদন করলেও, সোমবার দুপুরের পর থেকে আইসিসির পক্ষ থেকে ফিরতি মেইলে প্রত্যেকের আবেদন প্রত্যাখ্যানের তথ্য জানানো হয়। এমনকি শুরুতে যেসব ফটো সাংবাদিকের আবেদন গ্রহণ করে ভিসা লেটার পাঠানো হয়েছিল, তাদের ক্ষেত্রেও পরে নতুন মেইলে আবেদন বাতিলের কথা জানানো হয়।
এই প্রসঙ্গে আইসিসির সিদ্ধান্ত নিয়ে বিসিবির অবস্থান তুলে ধরেন আমজাদ হোসেন। আইসিসির কাছে ব্যাখ্যা চাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বিসিবির মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন বলেন,“এটা তো গতকাল (সোমবার) সিদ্ধান্তটা এসেছে, এরপর আমরা জানতে চেয়েছি, ব্যাখা চেয়েছি। ওটা ভেতরকার গোপনীয় বিষয় কিন্তু আমরা জানতে চেয়েছি।”
বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে দীর্ঘদিন ধরেই বিশ্বকাপ কাভারে সক্রিয় ভূমিকা রেখে আসছেন দেশের সাংবাদিকরা। এমনকি যেসব আসরে বাংলাদেশ দল অংশ নেয়নি, সেসব বিশ্বকাপেও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশি সংবাদকর্মীরা এ বিষয়টি স্মরণ করিয়ে দেন আমজাদ হোসেন।
আন্তর্জাতিক ক্রীড়া সাংবাদিকতার প্রেক্ষাপট তুলে ধরে আমজাদ হোসেন বলেন,“গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য এটা গুরুত্বপূর্ণ নয় যে (দেশ) অংশগ্রহণ করতেই হবে। (২০১৩) চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে বাংলাদেশ অংশ নেয়নি তারপরও আমাদের সাংবাদিকরা সেখানে গিয়েছিলেন কাভার করতে। এছাড়া ফিফা বিশ্বকাপে আমাদের দল কখনো অংশ নেয়নি কিন্তু সাংবাদিকরা নিয়মিত যান কাভার করতে।”
পূর্ণ সদস্য দেশ হিসেবে বাংলাদেশের গণমাধ্যমকর্মীদের বিশ্বকাপ কাভারের সুযোগ পাওয়া উচিত ছিল বলে মনে করেন বিসিবির এই কর্মকর্তা। বাংলাদেশের দর্শকভিত্তি ও গণমাধ্যমের ভূমিকার কথা তুলে ধরে আমজাদ হোসেন বলেন, “পূর্ণ সদস্য দেশ হিসেবে এটা (কাভার) করতে পারলে ভালো হতো। কিন্তু এটা তাদের সিদ্ধান্ত, আমাদের আসলেই কিছু করার নেই। তবে আমরা মনে করি আমাদের গণমাধ্যমকর্মীদের সেই সুযোগটা দেওয়া উচিত ছিল। আমরা তৃতীয় সর্বোচ্চ ভিউয়ার, আমরা না খেললেও বিশ্বকাপ তো হচ্ছে। সেক্ষেত্রে আমাদের গণমাধ্যমকর্মীরা সেটা আমাদের দর্শকদের কাছে উপস্থাপন করতে পারতেন।”
বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ না করা এবং সাংবাদিকদের অ্যাক্রিডিটেশন না পাওয়ার বিষয় দুটি আলাদা হিসেবেই দেখছেন বিসিবির মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান। বিষয়টি একসূত্রে না জড়ানোর আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন,“আমরা বিশ্বকাপে শর্ত দিয়েছি নিরাপত্তা ইস্যুতে যে আমরা একটা নির্দিষ্ট ভেন্যুতে (দেশ) খেলতে পারব না, এমন নয় পুরো বিশ্বকাপেই খেলব না। আমাদের বিকল্প অনুরোধ ছিল এটা পূর্ণ করা হয়নি। এরপর সেখান থেকে আমরা সরে এসেছি। এর সঙ্গে অন্য কিছু মেলানো ঠিক হবে না।”
