তানজিদের সেঞ্চুরিতে ভর করে রাজশাহীর দ্বিতীয় শিরোপা, চট্টগ্রামকে উড়িয়ে চ্যাম্পিয়ন ওয়ারিয়র্স

৯৭ প্রতিবেদক: নাজিফা তাসনিম

প্রকাশ: 3 ঘন্টা আগে আপডেট: 7 মিনিট আগে
তানজিদের সেঞ্চুরিতে ভর করে রাজশাহীর দ্বিতীয় শিরোপা, চট্টগ্রামকে উড়িয়ে চ্যাম্পিয়ন ওয়ারিয়র্স

তানজিদের সেঞ্চুরিতে ভর করে রাজশাহীর দ্বিতীয় শিরোপা, চট্টগ্রামকে উড়িয়ে চ্যাম্পিয়ন ওয়ারিয়র্স

তানজিদের সেঞ্চুরিতে ভর করে রাজশাহীর দ্বিতীয় শিরোপা, চট্টগ্রামকে উড়িয়ে চ্যাম্পিয়ন ওয়ারিয়র্স

ফাইনালের মঞ্চে চাপ আর প্রত্যাশার ভার সবকিছুকে ছাপিয়ে গেল রাজশাহীর কর্তৃত্ব। মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ২৩ জানুয়ারি রাতে দাপুটে পারফরম্যান্সে চট্টগ্রাম রয়েলসকে হারিয়ে বিপিএলের ১২তম আসরের শিরোপা ঘরে তোলে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। ৬৩ রানের বড় ব্যবধানে জয় পেয়ে দ্বিতীয়বারের মতো চ্যাম্পিয়ন হওয়ার আনন্দে ভাসে নাজমুল হোসেন শান্তর দল।

শুক্রবার টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে রাজশাহী শুরু থেকেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয়। দুই ওপেনার শাহিবজাদা ফারহান ও তানজিদ হাসান তামিম মাত্র ১০.২ ওভারে গড়ে তোলেন ৮৩ রানের জুটি। ৩০ বলে ৩০ রান করে ফারহান ফিরলেও অন্য প্রান্তে আগ্রাসী ছিলেন তানজিদ। ২৯ বলে ফিফটি পূর্ণ করা এই ওপেনার পরের ৩১ বলে তিন অঙ্ক ছুঁয়ে বিপিএল ফাইনালে সেঞ্চুরির অনন্য রেকর্ড গড়েন। যদিও এটি তার বিপিএল ক্যারিয়ারের তৃতীয় শতক।

তানজিদের ব্যাটে ভর করেই নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৭৪ রান তোলে রাজশাহী। ৬১ বলে ১০০ রান করা তানজিদ ১৮.৫ ওভারে আউট হন। এছাড়া কেন উইলিয়ামস ১৫ বলে ২৪ রান করেন। শেষদিকে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ৭ বলে ১১ রান যোগ করেন।

লক্ষ্য তাড়ায় নেমে শুরু থেকেই ধসে পড়ে চট্টগ্রামের ব্যাটিং লাইনআপ। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকা দলটি ১৭.৫ ওভারে ১১১ রানে গুটিয়ে যায়। পাকিস্তানি ওপেনার মিরাজ বেগ সর্বোচ্চ ৩৯ রান করেন, আরেক পাকিস্তানি ব্যাটার আসিফ আলি করেন ২১ রান। ফাইনালের মতো গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে চট্টগ্রামের সাতজন ব্যাটসম্যান দুই অঙ্কে পৌঁছাতে ব্যর্থ হন, ফলে তৃতীয়বার ফাইনালে উঠেও শিরোপা অধরাই থেকে যায় তাদের।

রাজশাহীর বোলিং আক্রমণে সবচেয়ে উজ্জ্বল ছিলেন শ্রীলঙ্কান পেসার বিনু ফার্নান্দো। তিনি ৩ ওভারে মাত্র ৯ রান দিয়ে নেন ৪ উইকেট। হাসান মুরাদ ৪ ওভারে ১৫ রানে ৩ উইকেট শিকার করেন। জেমস নিশাম যোগ করেন ২ উইকেট।

চট্টগ্রামের হয়ে শরিফুল ইসলাম ও মুকিদুল ইসলাম দুটি করে উইকেট নিলেও তা দলের পরাজয় ঠেকাতে যথেষ্ট ছিল না। শক্ত ব্যাটিং আর নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের সমন্বয়ে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স শেষ পর্যন্ত ফাইনালে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্বই প্রমাণ করল।