বিগ ব্যাশে রিশাদের যাত্রা
৯৭ প্রতিবেদক: নাজিফা তাসনিম
প্রকাশ: 2 ঘন্টা আগে আপডেট: 1 সেকেন্ড আগে-
1
বাংলাদেশ না খেলায় স্কটল্যান্ড সুযোগ পেল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে
-
2
বাংলাদেশের প্রতি অন্যায় আচরণের অভিযোগ নকভির, বিশ্বকাপে সুযোগ দেওয়ার দাবি
-
3
তানজিদের সেঞ্চুরিতে ভর করে রাজশাহীর দ্বিতীয় শিরোপা, চট্টগ্রামকে উড়িয়ে চ্যাম্পিয়ন ওয়ারিয়র্স
-
4
বিগ ব্যাশে রিশাদের যাত্রা
-
5
টানা চতুর্থ জয়, আয়ারল্যান্ডকে হারিয়ে সুপার সিক্সে অপ্রতিরোধ্য বাংলাদেশ নারী দল
বিগ ব্যাশে রিশাদের যাত্রা
বিগ ব্যাশে রিশাদের যাত্রা
অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটে প্রথম ধাপই যেন রঙিন স্বপ্নের মতো। বিপিএল বাদ দিয়ে পুরো মৌসুম কুড়িয়ে নিয়েছেন অভিজ্ঞতা, খ্যাতি আর নতুন পরিচয় এভাবে শুরু হয়েছে রিশাদ হোসেনের বিগ ব্যাশ অভিযান। হোবার্ট হারিকেন্সের হয়ে প্রথমবার খেললেও প্রতিটি বল যেন তার প্রতিভার গল্প নতুন করে বলছিল।
তবে শিরোপা ধরে রাখার স্বপ্নে হোবার্ট ফাইনালে উঠতে পারেনি। চ্যালেঞ্জারের সিডনি সিক্সার্সের কাছে ৫৭ রানে হেরে ১৯৯ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে হোবার্ট থেমেছে ১৪১ রানে। এই হারে শেষ হয়ে গেল বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের যাত্রা। হেরে গেলেও রিশাদ ছিলেন ম্যাচে উজ্জ্বল ৩৩ রান খরচায় স্টিভেন স্মিথ ও মইসেস হেনরিকসের উইকেট তুলে নিয়ে দেখিয়েছেন নিজের দক্ষতা।
ফিচার হিসেবে খুঁজলে দেখা যায়, রিশাদের আসরে পারফরম্যান্সের ধারাবাহিকতা চোখে পড়ার মতো। ১২ ম্যাচে ১৫ উইকেট হোবার্টের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি বোলার। কোনো স্পিনার তার চেয়ে বেশি উইকেট তুলতে পারেনি। পার্থ স্কর্চার্সের কুপার কনোলি ও অ্যাডিলেড স্ট্রাইকার্সের লয়েড পোপও সমান ১৫ উইকেট পেয়েছেন।
রিশাদের অভিযান শুরু হয়েছিল সরল, কিন্তু দৃঢ়। প্রথম ম্যাচে মেলবোর্ন থান্ডারের বিপক্ষে ৩ ওভারে কোনো উইকেট পাননি, তবে পরের ম্যাচেই মেলবোর্ন স্টারসের বিরুদ্ধে ৩ ওভারে ২ উইকেট নিয়ে আত্মবিশ্বাস তৈরি হয়। এরপর প্রতিটি ম্যাচে ধারাবাহিকতা বজায় রেখে উইকেট শিকার করেছেন রেনেগেডসের বিপক্ষে ১, পার্থ স্কর্চার্সের বিপক্ষে ৩, স্ট্রাইকার্সের বিপক্ষে ৩, হিটের বিপক্ষে ২, এবং শেষ ম্যাচে সিক্সার্সের বিপক্ষে ২ উইকেট।
মোট ৪০ ওভার বল করেছেন, ইকোনমি মাত্র ৭.৮২ নির্ভুল নিয়ন্ত্রণ ও কৌশলকে ফুটিয়ে তোলার নজির।
যদিও প্রথমবারের এই অভিযানে ফাইনালের মঞ্চ দেখা হয়নি, প্রতিটি বল, প্রতিটি উইকেট যেন রিশাদের প্রতিভার নতুন অধ্যায় লিখেছে। হয়তো ফাইনালে পৌঁছালে গল্পের শেষ অংশটি আরও উজ্জ্বল রঙে লেখা হতো। তবু, এই মৌসুমে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে রিশাদের নাম পাঠক হৃদয়ে গেঁথে গেছে।
