শেষ টি-টোয়েন্টিতে ১০৯ রানেই থমকে গেল বাংলাদেশ
-
1
ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে শেষ টেস্টে মুক্ত মানসিকতা নিয়ে খেলার আহ্বান অধিনায়ক বাবর আজমের
-
2
গায়ানায় মিরাজ-তাহির জাদুতে গুড়িয়ে গেল সেন্ট লুসিয়া, ৪ উইকেটের জয় গায়ানার
-
3
বিসিসিআইয়ের নতুন অ্যাসোসিয়েট পার্টনার ক্যাম্পা, এসবিআই লাইফ ও চ্যাটজিপিটি, চুক্তি ১৩০ কোটি রুপিরও বেশি
-
4
স্পিন-জাদুতে আমিরাতকে উড়িয়ে সেমিফাইনালে বাংলাদেশের মেয়েরা
-
5
নিউজিল্যান্ডের কঠিন কন্ডিশনেও ভারত এগিয়ে, মানছেন মিচেল স্যান্টনার
শেষ টি-টোয়েন্টিতে ১০৯ রানেই থমকে গেল বাংলাদেশ
শেষ টি-টোয়েন্টিতে ১০৯ রানেই থমকে গেল বাংলাদেশ
হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর লক্ষ্যে মাঠে নেমে বড় ব্যাটিং বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে বাংলাদেশ। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন ম্যাচ সিরিজের শেষ টি-টোয়েন্টিতে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিলেও, চাটগাঁর উইকেটে অজি বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের সামনে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে মাত্র ১০৯ রান তুলতে সক্ষম হয়েছে স্বাগতিকরা।
হোয়াইটওয়াশ এড়াতে বাংলাদেশের প্রয়োজন ছিল একটি বড় সংগ্রহ, তবে শুরু থেকেই নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে ব্যাকফুটে চলে যায় লাল-সবুজের দল। ওপেনার তানজিদ হাসান (৫) এবং পারভেজ হোসেন ইমন (১) রান তুলতে ব্যর্থ হয়ে শুরুতেই প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন। এরপর মিডল অর্ডারে সাইফ হাসান (১), নুরুল হাসান সোহান (৬) এবং শামীম হোসেনরা (০) উইকেটে থিতু হতে পারেননি।
দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৬১ রানের এক লড়াকু ইনিংস খেলেন তাওহিদ হৃদয়। তাঁর ৫১ বলের এই ইনিংসে ছিল ৩টি চার ও ৩টি ছক্কার মার। মূলত হৃদয়ের এই দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ের ওপর ভর করেই একশো পার করতে পারে বাংলাদেশ। শেষদিকে রিশাদ হোসেনের ১৪ বলে ১৬ রান এবং শরিফুল ইসলামের অপরাজিত ৭ রান দলকে ১০৯ রানের পুঁজিতে পৌঁছাতে সাহায্য করে।
অস্ট্রেলিয়ার বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে বিধ্বংসী ছিলেন পেসার স্পেন্সার জনসন। ৪ ওভারে মাত্র ৬ রান খরচ করে তিনি তুলে নেন ২ উইকেট। এছাড়া স্পিনার অ্যাডাম জাম্পা ও নাথান এলিসও ২টি করে উইকেট শিকার করে বাংলাদেশের ইনিংসকে চেপে ধরেন। নিখিল চৌধুরী পান ১টি উইকেট।
ইতিমধ্যে সিরিজে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে থাকা অস্ট্রেলিয়ার সামনে ম্যাচ ও সিরিজ ৩-০ ব্যবধানে জিতে নেওয়ার জন্য লক্ষ্য দাঁড়িয়েছে মাত্র ১১০ রান।
