নিউজিল্যান্ডের কঠিন কন্ডিশনেও ভারত এগিয়ে, মানছেন মিচেল স্যান্টনার
-
1
ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে শেষ টেস্টে মুক্ত মানসিকতা নিয়ে খেলার আহ্বান অধিনায়ক বাবর আজমের
-
2
আফগানিস্তান ও জিম্বাবুয়েকে নিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ
-
3
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দক্ষিণ আফ্রিকার দল ঘোষনা, ফিরলেন ডি কক ও প্রোটোরিয়া
-
4
মোহাম্মদ নবীর বদলি হিসেবে গায়ানা আমাজন ওয়ারিয়র্সে মিরাজ
-
5
টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের দৌড়ে শান্তদের সামনে ক্যারিবিয়ান পরীক্ষা, সূচি প্রকাশ বিসিবির
নিউজিল্যান্ডের কঠিন কন্ডিশনেও ভারত এগিয়ে, মানছেন মিচেল স্যান্টনার
নিউজিল্যান্ডের কঠিন কন্ডিশনেও ভারত এগিয়ে, মানছেন মিচেল স্যান্টনার
আসন্ন আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হিসেবে নিউজিল্যান্ড সফরে যাচ্ছে ভারতীয় ক্রিকেট দল। দলের বেশ কয়েকজন সদস্যের জন্য নিউজিল্যান্ডের মাটিতে টেস্ট খেলার অভিজ্ঞতা এটিই প্রথম হতে যাচ্ছে। তবে ব্ল্যাকক্যাপস অলরাউন্ডার মিচেল স্যান্টনার মনে করেন, প্রতিকূল কন্ডিশন সত্ত্বেও সিরিজ জয়ের মতো প্রয়োজনীয় শক্তি ও বোলিং বৈচিত্র্য ভারতের স্কোয়াডে রয়েছে।
‘দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়া’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, সফরকারী দলের জন্য সেখানকার কন্ডিশনের সাথে দ্রুত মানিয়ে নেওয়াটাই হবে মূল চ্যালেঞ্জ। তিনি বলেন, "অক্টোবর-নভেম্বরের দিকে নিউজিল্যান্ডের উইকেটগুলো সাধারণত ফেব্রুয়ারি-মার্চের চেয়ে ভিন্ন আচরণ করে। মৌসুমের শুরুতে বল কিছুটা বেশি মুভ বা স্যুইং করতে পারে। তাই কন্ডিশন দ্রুত বুঝে নেওয়াটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।"
প্রথমদিকের কন্ডিশনে পেসাররা বাড়তি সুবিধা পেলেও ভারতীয় পেস আক্রমণ তা সামলাতে পুরোপুরি প্রস্তুত বলে মনে করেন এই কিউই অলরাউন্ডার। জাসপ্রিত বুমরাহ, মোহাম্মদ সিরাজ ও প্রসিদ্ধ কৃষ্ণের প্রশংসা করে তিনি বলেন, "জাসপ্রিত বুমরাহ আক্রমণভাগে নেতৃত্ব দিচ্ছেন; বল নিপ ও স্যুইং করানোর দক্ষতাই এখানে মূল ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি সিরাজ দীর্ঘদিন ধরে ভালো করছেন এবং প্রসিদ্ধ কৃষ্ণও চমৎকার ফর্মে আছেন। এই যে পেস আক্রমণের বৈচিত্র্য যেকোনো দলের জন্য সেটিই সবচেয়ে দরকারি।"
নিউজিল্যান্ডের উইকেট সাধারণত স্পিনারদের জন্য খুব একটা সহায়ক হয় না। তবুও সাম্প্রতিক সময়ে শ্রীলঙ্কা সিরিজে নজরকাড়া পারফর্ম করা তরুণ স্পিন বোলিং অলরাউন্ডার মানব সুথারকে নিয়ে আশাবাদী স্যান্টনার। তার মতে, রবীন্দ্র জাদেজা কিংবা সুথারের মতো স্পিনারদেরও কিউই মাটিতে ভূমিকা রাখার সুযোগ রয়েছে।
সুথার প্রসঙ্গে সান্তনার বলেন, "অভিষেকের পর থেকেই সে বেশ প্রভাবশালী। উইকেটের কাছাকাছি এসে বলের সুন্দর শেপ তৈরি করতে পারে সে। নিউজিল্যান্ডের উইকেটে যেখানে কিছুটা ঘাস থাকে, সেখানে ওভারস্পিন করে বাড়তি বাউন্স আদায় করাটাই স্পিনারের মূল কাজ। টেস্টের প্রথম বা দ্বিতীয় ইনিংসে পেসারদের পাশাপাশি অথবা চতুর্থ ও পঞ্চম দিনে উইকেট ভাঙলে স্পিনাররা ভূমিকা রাখতে পারে।"
উল্লেখ্য, আগামী ১৯ নভেম্বর ওয়েলিংটনে প্রথম টেস্টের মাধ্যমে শুরু হবে দুই দলের লড়াই। ক্রাইস্টচার্চে দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টটি অনুষ্ঠিত হবে ২৭ নভেম্বর থেকে ১ ডিসেম্বর পর্যন্ত।
