আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে শ্বাসরুদ্ধকর ৪ উইকেটের জয় বাংলাদেশের
৯৭ প্রতিবেদক: নাজিফা তাসনিম
প্রকাশ: 1 ঘন্টা আগে আপডেট: 3 মিনিট আগে-
1
ব্যাটিং ব্যর্থতার রাতেও হৃদয়ের লড়াকু ইনিংস, সমালোচনা ও দলের চ্যালেঞ্জ নিয়ে যা বললেন হৃদয়
-
2
অ্যাশেজের দ্বিতীয় টেস্ট: ব্রিসবেনে ফিরলেন না কামিন্স, হ্যাজলউড
-
3
বাঁচা মরার ম্যাচে বাংলাদেশের লক্ষ্য ১৭১ রানের
-
4
আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে শ্বাসরুদ্ধকর ৪ উইকেটের জয় বাংলাদেশের
-
5
সাইফুদ্দিনকে বিশেষ ধন্যবাদ দিলেন লিটন
আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে শ্বাসরুদ্ধকর ৪ উইকেটের জয় বাংলাদেশের
আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে শ্বাসরুদ্ধকর ৪ উইকেটের জয় বাংলাদেশের
শেষ ওভারে আয়ারল্যান্ডকে ৪ উইকেটে হারিয়ে সিরিজ জয়ের আশা বাঁচিয়ে রেখেছে বাংলাদেশ। লিটন দাসের দল দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি জেতার পর সিরিজে এখন বিরাজ করছে ১-১ এ সমতা।
আয়ারল্যান্ডের দেয়া ১৭১ রানের বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ভালো শুরু পায় বাংলাদেশ। দলীয় ২৫ রানে তানজিদ তামিম রান আউট হলে প্রথম উইকেটের পতন ঘটে টাইগারদের। তৃতীয় উইকেট জুটিতে পারভেজ ইমন এবং অধিনায়ক লিটন দাস দলকে এগিয়ে নিতে থাকেন।
পাওয়ার প্লে থেকে আসে ৬৬ রান। ২৮ বলে ৪৩ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে আউট হন পারভেজ ইমন। তারপর লিটনকে সঙ্গ দিতে ক্রিজে আসেন সাইফ হাসান। দুজনের দারুণ ব্যাটিংয়ে মাঝের ওভার গুলোতেও রান রেটের চাপে পড়েনি বাংলাদেশ।
ছক্কা হাঁকিয়ে ৩৪ বলে ফিফটি তুলে নেন লিটন। মার্ক অ্যাডায়ারের বলে ৫৭ রানে লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়েন লিটন। তার ইনিংসে ছিলো ৩ টি চার ও ৩ টি ছক্কার মার। ২২ রান করে ম্যাথু হামফ্রেসের হাতে ধরা পড়েন সাইফ হাসান।
২ জন সেট ব্যাটারকে হারিয়ে খানিকটা চাপে পড়ে বাংলাদেশ। জিততে হলে তখনো দরকার ছিলো ২৭ বলে ৩১ রান, হাতে ৬ উইকেট। ৬ রান করে তাওহীদ হৃদয় রান আউট হলে চাপ বেড়ে যায় বহুগুণ। তারপর সাইফুল্লাহ এসেই বাউন্ডারি মারলেও নুরুল হাসান সোহান বোল্ড হলে খাদের কিনারায় এসে পড়ে বাংলাদেশ।
জয়ের জন্য তখনো দরকার ১০ বলে ১৪ রান। হাতে উইকেট ৪ টি। ক্রিজে নতুন ব্যাটার শেখ মাহেদী ও সাইফুদ্দিন। সাইফুদ্দিনের দারুণ ব্যাটিংয়ে ২ বল হাতে রেখেই জয় তুলে নেয় বাংলাদেশ। সাইফুদ্দিন অপরাজিত থাকেন ৭ বলে ১৭ রান করে।
এর আগে চট্টগ্রামে টসে জিতে শুরুতে ব্যাটিংয়ে নামে আয়ারল্যান্ড। ব্যাটিংয়ে নেমে উড়ন্ত সূচনা পান দুই ওপেনার পল স্টার্লিং এবং টিম টেক্টর। তিনটি বাউন্ডারিতে শেখ মাহেদীর প্রথম ওভার থেকেই আসে ১৩ রান। নাসুম আহমেদের দ্বিতীয় ওভার থেকেও আসে ১৪ রান।
পল স্টার্লিংকে ২৯ রানে ক্যাচ আউট করেন তানজিম হাসান সাকিব। পল স্টার্লিং এবং টিম টেক্টরের প্রথম উইকেটের জুটি ছিলো ২৮ বলে ৫৭ রানের। বাংলাদেশী বোলারদের তুলোধুনো করে ঝড়ের গতিতে রান তুলে পাওয়ার প্লে শেষে আয়ারল্যান্ড তোলে ১ উইকেটে ৭৫ রান।
আইরিশ ব্যাটাররা যেভাবে রান তুলছিলো মনে হচ্ছিলো রান ২০০ ছাড়াবে। তখন দ্বিতীয় স্পেলে বোলিং করতে এসে এক ওভারে টিম টেক্টর এবং হ্যারি টেক্টরকে ফেরান শেখ মাহেদী। টিম আউট হন ২৫ বলে ৩৮ রানের ইনিংস খেলে। আবার পরের ওভার করতে এসে বেনজামিন কোলিজকে স্ট্যাম্পিংয়ে ফেরান মাহেদী।
১০ ওভার শেষে আইরিশদের রান দাড়ায় ১০৩/৪। পরবর্তী ওভার গুলোতে আর উইকেট না পরলেও রানের গতি খানিকটা কমে যায় আয়ারল্যান্ডের। ১৮ ওভারে তাদের স্কোর দাড়ায় ১৫৬ রানে। নির্ধারিত ওভার শেষে আইরিশরা সংগ্রহ করে ৬ উইকেটে ১৭০ রান। লরকান টাকার করেন ৩২ বলে ৪১ রান
বাংলাদেশের হয়ে এদিন সবচেয়ে সফল বোলার ছিলেন শেখ মাহেদী। ২৫ রান খরচা করে মাহেদীর শিকার ৩ উইকেট। তানজিম সাকিব ও সাইফুদ্দিন নেন ১ টি করে উইকেট।
