ভনের চোখে রাজনীতির কারণেই খেলছে বাবর আজম
৯৭ প্রতিবেদক: মোহাম্মদ আফজল
প্রকাশ: 1 ঘন্টা আগে আপডেট: 1 সেকেন্ড আগে-
1
ওয়াংখেড়েতে ক্যারিবীয় ঝড়, থামল জিম্বাবুয়ের স্বপ্নযাত্রা
-
2
দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হারের পরও ভারতই সেরা টি-টোয়েন্টি দল- মাইকেল ক্লার্ক
-
3
নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সূচি প্রকাশ, কঠিন গ্রুপে বাংলাদেশ
-
4
ব্রিসবেনের এলবিডব্লিউ, শচীনের বিতর্কিত আউট নিয়ে স্টিভ বাকনরের স্বীকারোক্তি
-
5
বাংলাদেশে প্রথম আর্জেন্টিনা ফ্যান জার্সি উন্মোচন করলো ওয়ালটন
ভনের চোখে রাজনীতির কারণেই খেলছে বাবর আজম
ভনের চোখে রাজনীতির কারণেই খেলছে বাবর আজম
চলতি টি-২০ বিশ্বকাপে ব্যাট হাতে কঠিন সমীকরণে সময় কাটছে বাবর আজমের। চার ইনিংসে তার সংগ্রহ ৯১ রান, গড় ২২.৭৫, স্ট্রাইক রেট ১১২.৩৪। অন্তত ৭৫ রান করা ব্যাটসম্যানদের মধ্যে যা সর্বনিম্ন স্ট্রাইক রেট। সর্বশেষ ম্যাচে ২৪ বলে ২৫ রান (স্ট্রাইক রেট ১০৪.১৬), যে ইনিংস দলীয় সংগ্রহকে ত্বরান্বিত করতে পারেনি।
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচের আগে বিশ্লেষণে সাবেক ইংল্যান্ড অধিনায়ক মাইকেল ভন বাবরের ভূমিকাকে দেখেছিলেন ভিন্ন দৃষ্টিতে। তার মতে, কোচ মাইক হেসন কার্যত বাধ্য বাবরকে দলে রাখতে এবং সেটিকে তিনি কৌশলগতভাবেই সামলাচ্ছেন।
ভনের ভাষায়, “পাকিস্তানে গিয়ে যে বিদেশি কোচরা কোচিং করায়, তাদের প্রশংসাই করি আমি। সেখানকার ক্রিকেটে কী চলে, কেবল ধারণা করতে পারি। বাবরের ব্যাপারটি মাইক হেসন দারুণভাবে সামলাচ্ছেন বলেই মনে করি, কারণ বাবরকে তার খেলাতেই হবে। এজন্য কোচ তাকে ইন্সুরেন্স পলিসি হিসেবে খেলাচ্ছে। দুটি উইকেট পড়ার পর বাবর হলো সেই পলিসি। চার নম্বরে নেমে নিজের মতো খেলতে পারে।”
শ্রীলঙ্কার কন্ডিশন বিবেচনায় তিনি আরও যোগ করেন, “শ্রীলঙ্কার উইকেটের জন্য সে ঠিক আছে, কারণ সেখানে রান হয় ১৫০ থেকে ১৮০। বাবরের রেঞ্জ এটাই। পাকিস্তানকে ১৬০-১৭০ রান এনে দিতে পারে সে। কিন্তু ২০০ বা ২১০ রানের দিনে বাবর পারবে না। সে আর ওই অবস্থায় নেই।”
দল নির্বাচনে পারফরম্যান্সের বাইরেও প্রভাব আছে বলেও ইঙ্গিত দেন ভন, “রাজনীতির কারণে বাবরকে খেলাতেই হবে এবং মাইক হেসন সম্ভবত সেই রাজনীতি ভালোভাবেই খেলেছেন। এতে হয়তো বিশ্বকাপ জয়ের সেরা সুযোগ নিজেদেরকে দেওয়া হচ্ছে না, তবে পাল্লেকেলের মতো পিচে আমার দলে হয়তো বাবর আজমের মতো একজনকে চাইব আমি। এখানে সে ১২৫-১৩০ স্ট্রাইক রেটে রান করলে পুরোপুরিই ঠিক আছে।”
তবে মাঠের বাস্তবতা বলছে, প্রত্যাশিত ১২৫–১৩০ নয়, ইংল্যান্ডের বিপক্ষে বাবরের স্ট্রাইক রেট ছিল ১০৪.১৬। পাকিস্তান তুলেছে ১৬৪ রান, যা রক্ষণের জন্য লড়াই করার মতো হলেও যথেষ্ট হয়নি। ম্যাচ জিতে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে ইংল্যান্ড, আর হেরে বিদায়ের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে পাকিস্তান।
