আইকন থেকে ডি পর্যন্ত, নারী বিপিএলে কার কত পারিশ্রমিক

৯৭ প্রতিবেদক: মোহাম্মদ আফজল

প্রকাশ: 1 ঘন্টা আগে আপডেট: 1 সেকেন্ড আগে
আইকন থেকে ডি পর্যন্ত, নারী বিপিএলে কার কত পারিশ্রমিক

আইকন থেকে ডি পর্যন্ত, নারী বিপিএলে কার কত পারিশ্রমিক

আইকন থেকে ডি পর্যন্ত, নারী বিপিএলে কার কত পারিশ্রমিক

বাংলাদেশের নারী ক্রিকেটকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে প্রথমবারের মতো আয়োজন করা হচ্ছে নারী বিপিএল। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) জানিয়েছে, তিনটি ফ্র্যাঞ্চাইজি নিয়ে এই টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হবে এবং খেলোয়াড়দের ড্রাফট ১৪ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে।

বিসিবির নির্বাচকদের তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় ক্রিকেটারদের পাঁচটি ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হবে। সর্বোচ্চ ‘আইকন’ ক্যাটাগরিতে থাকবেন জাতীয় দলের তারকা ক্রিকেটাররা। প্রতিটি দল একজন করে আইকন ক্রিকেটার রাখবে এবং পারিশ্রমিক ধরা হয়েছে ১০ লাখ টাকা। অধিনায়ক হিসেবে নিশ্চিত হয়েছেন নিগার সুলতানা, আর সহ-অধিনায়কের পদে বিবেচনায় আছেন নাহিদা আক্তার ও সোবহানা মোস্তারি।

দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ‘এ’ ক্যাটাগরিতে থাকবেন ছয় জন ক্রিকেটার, প্রতিটি দল দুজন করে খেলোয়াড় নেবে। পারিশ্রমিক ৭ লাখ টাকা। ‘বি’ ক্যাটাগরিতে থাকবেন ১২ জন, পারিশ্রমিক ৫ লাখ টাকা, আর ‘সি’ ক্যাটাগরিতে প্রায় ২০ জন, পারিশ্রমিক ৩ লাখ টাকা। ড্রাফটে অবিক্রীত খেলোয়াড়দের ‘ডি’ ক্যাটাগরিতে নেওয়া হবে, পারিশ্রমিক ১.৫ লাখ টাকা।

ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো চাইলে ড্রাফটের আগে বিদেশি ক্রিকেটারদের সঙ্গে সরাসরি চুক্তি করতে পারবে। বিদেশি খেলোয়াড়দের সম্ভাব্য পারিশ্রমিক, ‘এ’ ক্যাটাগরি ৮,০০০ USD, ‘বি’ ৬,০০০ USD এবং ‘সি’ ৩,০০০ USD। নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিটি ম্যাচে দুইজন বিদেশি খেলতে হবে এবং স্কোয়াডে অন্তত চারজন বিদেশি রাখতে হবে।

টুর্নামেন্টের ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হবে ৩ থেকে ১৫ এপ্রিল। ভেন্যু হিসেবে বিবেচনায় রয়েছে মিরপুরের শের-ই-বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়াম এবং চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান স্টেডিয়াম।

ফ্র্যাঞ্চাইজি অংশগ্রহণের জন্য ফি ধার্য করা হয়েছে ৩০ লাখ টাকা। ইতোমধ্যেই ছেলেদের বিপিএলের চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী ওয়্যারিয়র্স এর মালিক নাবিল গ্রুপ আগ্রহ প্রকাশ করেছে। বিসিবি ইতোমধ্যেই টিভি সম্প্রচার ও পৃষ্ঠপোষকতা খুঁজতে শুরু করেছে।

নারী দলের নির্বাচক সাজ্জাদ আহমেদ জানিয়েছেন, ড্রাফটে কোন খেলোয়াড় কোন ক্যাটাগরিতে থাকবেন তা কয়েক দিনের মধ্যে চূড়ান্ত করা হবে।

বিসিবির এই উদ্যোগ নারী ক্রিকেটকে আরও পেশাদার দৃষ্টিতে তুলে ধরবে এবং স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মানের ক্রিকেটারদের সুযোগ তৈরি করবে। ২০২৬ সালে এটি বাংলাদেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য একটি স্মরণীয় অধ্যায় হিসেবে থাকবে।