সিরিজে ১-০ তে এগিয়ে গেলো পাকিস্তান
সিরিজে ১-০ তে এগিয়ে গেলো পাকিস্তান
সিরিজে ১-০ তে এগিয়ে গেলো পাকিস্তান
জ্যামাইকার কিংস্টনে ৩ ম্যাচ সিরিজের ১ম টেস্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে ১-০ তে এগিয়ে গেলো পাকিস্তান। ব্রিজটাউনে আগামী ৩০শে এপ্রিল দ্বিতীয় টেস্টে মাঠে নামবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও সফরকারী পাকিস্তান।
২য় ইনিংসে ৪ উইকেটে ৯৩ রান নিয়ে ৫ম ও শেষদিনের খেলা শুরু করেছিলো ওয়েস্ট ইন্ডিজ। পাকিস্তানের ১ম ইনিংসের রানের চেয়ে তখনও ২৮ রান দূরে ছিলো উইন্ডিজরা। পরাজয় থেকে বাঁচতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দরকার ছিলো দীর্ঘক্ষণ ব্যাটিং করা। সেটা সম্ভব হতে দেননি ইয়াসির শাহ ও পাকিস্তানি পেসারেরা। ১৫২ রানেই গুটিয়ে যায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের ২য় ইনিংস। আগের দিনের চারটি সহ মোট ৬টি উইকেট পকেটে পোরেন বর্তমান সময়ের সেরা লেগস্পিনার ইয়াসির শাহ। এটি তার টেস্ট ক্রিকেটের নবম ৫ উইকেট শিকার। ইয়াসির শাহ অবশ্য শেষের দুইটি উইকেট পেয়েছেন ৫ম দিনে এসে। এদিনে পাকিস্তানের হয়ে উইকেট পাওয়ার সূচনা করেন মোহাম্মদ আমির। অভিষিক্ত ভিশাল সিংকে বোল্ড করে প্যাভিলিয়নের পথ ধরতে বাধ্য করেন তিনি। পাকিস্তানের হয়ে প্রথম টেস্ট খেলতে নামা মোহাম্মদ আব্বাস পান দুইটি উইকেট। আরেক পেসার ওয়াহাব রিয়াজও পান মোহাম্মদ আমিরের মতো ১টি উইকেট।
[caption id="attachment_1481" align="aligncenter" width="450"]
৬ উইকেট দখল করে ম্যাচসেরা ইয়াসির শাহ[/caption]
মাত্র ৩২ রানের লক্ষ্য নিয়ে খেলতে নেমেও স্বস্তি পায়নি পাকিস্তান। দলীয় সাত রানের মাথাতে দুই ওপেনার আহমেদ শেহজাদ ও আজহার আলী সাজঘরে ফেরেন। দলীয় চব্বিশ রানের মাথায় এই টেস্টেই দশ হাজার রানের মালিক বনে যাওয়া ইউনিস খানও দেবেন্দ্র বিশুর বলে লেগ বিফোর উইকেটের ফাদে পড়েন। তাতে অবশ্য ফলাফলে হেরফের হয়নি। ১ম ইনিংসে টেস্ট ক্রিকেট ইতিহাসের ৬ষ্ঠ ব্যাটসম্যান হিসেবে ৯৯ রানে নট আউট থাকা পাকিস্তান দলপতি মিসবাহ উল হক ব্যাটিংয়ে নেমে সময় নেননি। উইকেটে থাকা ৩টি বলের ২টিতেই ছক্কা হাকিয়ে দলকে জয়ের বন্দরে পৌছে দিয়ে অপরাজিত থেকেই বাবর আজমকে নিয়ে মাঠ ছাড়েন তিনি। দুই ইনিংস মিলে ৬ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা হন ইয়াসির শাহ।
[caption id="attachment_1482" align="aligncenter" width="550"]
ছক্কা মেরে ম্যাচ শেষ করেন মিসবাহ উল হক[/caption]
এই সিরিজটা পাকিস্তানের জন্যে মাইলফলক অর্জনের সিরিজ বলা যেতে পারে। ১ম টেস্টেই টেস্টে দশ হাজার রানের মাইলফলক ছুঁয়েছেন ইউনিস খান, পাঁচ হাজারি ক্লাবের সদস্য বনে গিয়েছেন মিসবাহ উল হক। আহমেদ শেহজাদ আছেন এক হাজার টেস্ট রানের দ্বারপ্রান্তে, আজহার আলি পাঁচ হাজার রানের। তবে সিরিজ শেষেই বিদায় নেবেন দুই ব্যাটিং স্তম্ভ ইউনিস খান ও মিসবাহ উল হক।
