শ্রীলঙ্কা দলের নতুন কোচ গ্যারি কারস্টেন
৯৭ প্রতিবেদক: মোহাম্মদ আফজল
প্রকাশ: 6 মাস আগে আপডেট: 1 সেকেন্ড আগে-
1
ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে শেষ টেস্টে মুক্ত মানসিকতা নিয়ে খেলার আহ্বান অধিনায়ক বাবর আজমের
-
2
স্পিন-জাদুতে আমিরাতকে উড়িয়ে সেমিফাইনালে বাংলাদেশের মেয়েরা
-
3
নিউজিল্যান্ডের কঠিন কন্ডিশনেও ভারত এগিয়ে, মানছেন মিচেল স্যান্টনার
-
4
টি-টোয়েন্টিতে একলাফে ৬৫ ধাপ এগিয়ে সরাসরি ২৫তম স্থানে প্রোটিয়া ব্যাটার
-
5
বিসিসিআইয়ের নতুন অ্যাসোসিয়েট পার্টনার ক্যাম্পা, এসবিআই লাইফ ও চ্যাটজিপিটি, চুক্তি ১৩০ কোটি রুপিরও বেশি
শ্রীলঙ্কা দলের নতুন কোচ গ্যারি কারস্টেন
শ্রীলঙ্কা দলের নতুন কোচ গ্যারি কারস্টেন
জাতীয় পুরুষ ক্রিকেট দলের প্রধান কোচ হিসেবে সাবেক দক্ষিণ আফ্রিকান ব্যাটসম্যান গ্যারি কারস্টেন কে নিয়োগ দিয়েছে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ড। আগামী ১৫ এপ্রিল ২০২৬ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব শুরু করবেন তিনি। দুই বছরের চুক্তিতে নিয়োগ পাওয়া এই কোচের মেয়াদ শেষ হবে ১৪ এপ্রিল ২০২৮।
দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে দীর্ঘ এক দশকের বেশি সময় আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলেছেন কারস্টেন। দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে ১৯৯৩ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত খেলা এই বাঁহাতি ওপেনার টেস্ট ও ওয়ানডে মিলিয়ে করেছেন ১৪ হাজার ৮৭ রান। তার ক্যারিয়ারে রয়েছে ২১টি টেস্ট ও ১৩টি ওয়ানডে সেঞ্চুরি।
খেলোয়াড়ি জীবন শেষে কোচিংয়েও নিজের দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন তিনি। ২০০৮ সালে ভারত জাতীয় ক্রিকেট দলের দায়িত্ব নেওয়ার পর দলটিকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যান কার্স্টেন। তার কোচিংয়েই ভারত ঘরের মাঠে জেতে ২০১১ সালে আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপের শিরোপা।
ভারত অধ্যায় শেষে ২০১১ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত নিজের দেশ দক্ষিণ আফ্রিকার প্রধান কোচের দায়িত্বও পালন করেন তিনি। তাঁর সময়েই তিন সংস্করণেই বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে ওঠে দক্ষিণ আফ্রিকা।
সবশেষে সদ্য শেষ হওয়া টি-টোয়েন্টি আসরে নামিবিয়া দলের সঙ্গে পরামর্শক হিসেবে যুক্ত ছিলেন কার্স্টেন।
শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ড জানিয়েছে, জাতীয় দলের পারফরম্যান্স উন্নত করা এবং হাই পারফরম্যান্স কাঠামো নতুনভাবে সাজানোর পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই এই নিয়োগ। সামনে থাকা ২০২৭ ক্রিকেট বিশ্বকাপকে ঘিরেই মূলত কাজ করবেন নতুন কোচ। আসরটি যৌথভাবে আয়োজন করবে দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে ও নামিবিয়া।
বোর্ডের আশা, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিজ্ঞ এই কোচের অধীনে নতুন পরিকল্পনায় এগোবে শ্রীলঙ্কা দল এবং বড় আসরে আবারও প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক শক্তিতে পরিণত হবে তারা।
