রাজশাহী ওয়্যারিয়র্স শেষ মুহূর্তে জয়ী, চট্টগ্রামের স্বল্প রানের লড়াই ব্যর্থ
৯৭ প্রতিবেদক: নাজিফা তাসনিম
প্রকাশ: 2 ঘন্টা আগে আপডেট: 1 সেকেন্ড আগে-
1
টুর্নামেন্টের মাঝপথে রংপুরে অধিনায়ক বদল, নেতৃত্বে লিটন দাস
-
2
হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে সিলেটকে ৫ রানে হারিয়েছে রাজশাহী
-
3
স্টিভ স্মিথের ঝড়ো ইনিংসে সিডনি সিক্সার্স থান্ডারকে হারিয়ে ডার্বি জয়
-
4
চট্টগ্রামের ৫ উইকেটের জয়ে নোয়াখালীর প্লে-অফের স্বপ্ন শেষ
-
5
বিসিএসএ ক্রিকেট টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী ওয়ারিয়র্স
রাজশাহী ওয়্যারিয়র্স শেষ মুহূর্তে জয়ী, চট্টগ্রামের স্বল্প রানের লড়াই ব্যর্থ
রাজশাহী ওয়্যারিয়র্স শেষ মুহূর্তে জয়ী, চট্টগ্রামের স্বল্প রানের লড়াই ব্যর্থ
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের ২৮তম ম্যাচে রাজশাহী ওয়্যারিয়র্স চট্টগ্রাম রয়্যালসকে ৩ উইকেটে হারিয়েছে। শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে স্বল্প রানের এই ম্যাচটি ছিল একেবারে শেষ পর্যন্ত উত্তেজনাপূর্ণ।
প্রথমে ব্যাট করতে নেমে চট্টগ্রাম ১৯.৫ ওভার খেলে ১২৫ রানে অলআউট হয়। টপ অর্ডারের ব্যাটাররা শুরুতেই বড় কোনো জুটি গড়তে ব্যর্থ হন। মোহাম্মদ হারিস ১৬ রান করে আউট হন, নাঈম শূন্য রানে ফেরেন, এবং মাহমুদুল হাসান জয় ১৯ রান করে দলের সংগ্রহ সামান্য বাড়ান। দলের সেরা ব্যাটার ছিলেন আসিফ আলী, যিনি ২৪ বলে ৩৯ রান করেন। মিডল অর্ডারের অন্য ব্যাটাররা দারুণ প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করলেও বড় কোনো জুটি গড়ে উঠতে পারেনি।
রাজশাহীর বোলিং ইউনিটের মধ্যে তানজিম হাসান সকিব ছিলেন সর্বোচ্চ কার্যকর, ৪ ওভারে ১৭ রান দিয়ে ৪ উইকেট নেন। এছাড়া জাহান্নাদ খান ২ উইকেট নিয়ে দলের জয় নিশ্চিত করতে সাহায্য করেন। বোলারদের নিয়ন্ত্রিত লাইন ও লেংথ, আক্রমণাত্মক ক্যাচ এবং ম্যাচের মূল সময়ে উইকেট নেওয়ায় চট্টগ্রামের ইনিংসের ছন্দ ভেঙে পড়ে।
লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে রাজশাহীও সহজে জয় পায়নি। শুরুতে তিন উইকেট হারিয়ে দল কিছুটা চাপের মধ্যে পড়ে। তবে মিডিল অর্ডারের ব্যাটাররা দায়িত্বশীল ইনিংস খেলেন। আকবর আলী ৩৯ বল খেলে ৪৮ রান অপরাজিত থেকে দলকে এগিয়ে নিয়ে যান। তার সঙ্গে মুশফিকুর রহিম ৪১ বলে ৪৬ রান করে অপরাজিত থাকেন। এই যুগল জুটির কারণে ১৯.৩ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১২৬ রান তাড়া করে জয় নিশ্চিত হয়।
এই জয়ের ফলে রাজশাহী ওয়্যারিয়র্স টুর্নামেন্টে গুরুত্বপূর্ণ দুই পয়েন্ট অর্জন করেছে তাদের মোট পয়েন্ট ১৬। পয়েন্ট টেবিলের টপে আছে তারা। অন্যদিকে চট্রগ্রামের অবস্থান দ্বিতীয়।
