হৃদয়ের ৯৮ বৃথা, নাইম-সাইফের ব্যাটে ৫ উইকেটে চ্যাম্পিয়ন সেন্ট্রাল জোন
-
1
ইডেনে জয় ভারতের, বিতর্কে ১৯তম ওভার, হেইডেনের কড়া প্রশ্ন আম্পায়ারিং নিয়ে
-
2
সেমিফাইনালের ম্যাচ অফিসিয়াল ঘোষণা, নেই কোনো বাংলাদেশি
-
3
সম্মান ফেরত চাই, প্রমাণ দেখাতে চ্যালেঞ্জ এনামুল হক বিজয়ের
-
4
সৌরভ থেকে হাফিজ, পাক-ভারত উত্তাপের মাঝেও স্যামসনে মুগ্ধ দুই দেশ
-
5
আমিরের বিশ্লেষণে ভারতের সেমি এবং পাকিস্তানি ক্রিকেটে জরিমানা বিতর্ক
হৃদয়ের ৯৮ বৃথা, নাইম-সাইফের ব্যাটে ৫ উইকেটে চ্যাম্পিয়ন সেন্ট্রাল জোন
হৃদয়ের ৯৮ বৃথা, নাইম-সাইফের ব্যাটে ৫ উইকেটে চ্যাম্পিয়ন সেন্ট্রাল জোন
১২তম বিসিএল ওয়ানডের ফাইনালে দাপুটে জয় তুলে নিয়েছে সেন্ট্রাল জোন। মিরপুরের শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে নর্থ জোনকে ৫ উইকেটে হারিয়ে শিরোপা ঘরে তোলে তারা।
টস জিতে ব্যাট করতে নেমে নর্থ জোন ৪৯.৩ ওভারে ২৩৮ রানে অলআউট হয়। ইনিংসের মেরুদণ্ড ছিলেন তাওহীদ হৃদয়। দারুণ এক ইনিংসে ৯৮ রান করে দলকে লড়াইয়ের পুঁজি এনে দেন তিনি। আটটি চার ও একটি ছক্কায় সাজানো তার ইনিংসটি শেষ পর্যন্ত সেঞ্চুরিতে রূপ না পেলেও দলকে ২৩৮ রানের চ্যালেঞ্জিং সংগ্রহ এনে দেয়। তবে অন্য প্রান্ত থেকে বড় কোনো জুটি না গড়ায় নির্ধারিত ৫০ ওভার পূর্ণ করতে পারেনি নর্থ জোন।
তাছাড়া নর্থ জোনের হয়ে নাজমুল হোসেন শান্ত খেলেন ৫১ বলে ৩৫ রানের ইনিংস। মেহেরব হোসেনের অবদান ২৮ রান। তানজিদ হোসেন তামিম করেন ২৩ রান।
সেন্ট্রাল জোনের বোলারদের মধ্যে রিপন মণ্ডল ছিলেন সবচেয়ে সফল। ৯.৩ ওভারে ৪ উইকেট তুলে নিয়ে নর্থ জোনের মাঝের সারিতে ধস নামান তিনি। রাকিবুল হাসান ও তাসকিন আহমেদ দুটি করে উইকেট নিয়ে তাকে দারুণ সহায়তা করেন।
২৩৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে সেন্ট্রাল জোন শুরু থেকেই নিয়ন্ত্রণে ছিল। মোহাম্মদ নাইম শেখ খেলেন ৮৭ রানের কার্যকর ইনিংস। পাঁচটি চার ও তিনটি ছক্কায় গড়া তার এই ইনিংস রান তাড়াকে সহজ করে দেয়। সাইফ হাসানও ৭৮ রানের দারুণ এক ইনিংস খেলেন, যেখানে ছিল সাতটি চার ও তিনটি ছক্কা। দুজনের জুটি ম্যাচের ভাগ্য অনেকটাই নির্ধারণ করে দেয়।
৩৮ ওভারেই ৫ উইকেট হারিয়ে ২৩৯ রানে পৌঁছে যায় সেন্ট্রাল জোন। হাতে ছিল আরও ১২ ওভার, যা তাদের দাপটেরই প্রমাণ। নর্থ জোনের বোলাররা মাঝেমধ্যে উইকেট তুললেও প্রয়োজনীয় চাপ তৈরি করতে পারেননি।
শেষ পর্যন্ত ৫ উইকেটের জয় নিয়ে শিরোপা নিশ্চিত করে সেন্ট্রাল জোন। হৃদয়ের আক্ষেপের ৯৮ রানের ইনিংস ছাপিয়ে ফাইনালে কার্যকর ব্যাটিং ও নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়েই বাজিমাত করে তারা।
