গুজরাটের বিপক্ষেও বিরাট হার কোহলিদের !
গুজরাটের বিপক্ষেও বিরাট হার কোহলিদের !
গুজরাটের বিপক্ষেও বিরাট হার কোহলিদের !
কোহলি-গেইলরা পারেনি, তারা পারছেনা। টানা হেরেই চলছে। গেইল, ডি ভিলিয়ার্স, কোহলিদের মত তারকা খচিত দলের এ পর্যন্ত ৯ম্যাচ শেষে মাত্র দু-ম্যাচে জয়। এদের কেউ চাইলে একাই বের করে আনতে পারে একটা ম্যাচ। ভাবা যায়! কি আশ্চর্য ব্যাপার।
এটি ৩১ তম ম্যাচ ছিলো এবারের আসরে। টানা ম্যাচ হেরে প্রায় দিশেহারা পয়েন্ট টেবিলের তলানিতে থাকা গুজরাট লায়ন্স আর রয়াল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু।
টস জিতে লায়ন্স অধিনায়ক সুরেশ রায়না সিদ্ধান্ত নেন ফিল্ডিং করার। বেঙ্গালুরুর নিয়মিত ওপেনার কোহলি আর গেইল মিলে এদিনও সামলাতে নামেন শুরুটা। শুরুটা সামলাতে গিয়ে যেন নিজেরাই বেসামাল। গেইলও ব্যার্থ, সাথে কোহলিও। কোহলির ১০ আর, গেইলের ৮ রান। উইকেট পড়ে নিয়মিত বিরতিতে। এদিন ভিলিয়ার্স এর ব্যাট ৩৬০ ডিগ্রি ঘোরার আগেই তাকে রান আউট করে জাদেজা। এত কিছুর পরও আশার আলোটা দেখান পবন নেগি আর জাদাব। জাদাব করেন ১৮ বলে ৩১রান আর পবন নেগি করেন ১৯ বলে ৩২ রান। এদের আউটের পর রয়াল চ্যালেঞ্জার্স এর উইকেট পড়েছে মুড়ি-মুটকির মত। ল্যায়ন্স বোলার এন্ড্র টায় নেন ৩ উইকেট তাও মাত্র ১২ রান দিয়ে। ১০ উইকেট হারিয়ে ১৩৪ রানের কোনরকম টার্গেট ছুড়ে দেয় বিরাটের রয়াল চ্যালেঞ্জার্স।
১৩৫ রান এর টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে শুরুর দিকে কিছুটা বেসামাল হয়ে পড়েন গুজরাটের ব্যাটসম্যানরাও। এদিন রান করতে ব্যার্থ হোন ব্রেন্ডন ম্যাককুলাম। আউট হোন মাত্র ৩ রান করে। তবে রায়না নিজেকে ব্যার্থ হতে দেননি। এরন ফিঞ্চ এর সাথে জুটি গড়ে খেলেন ৩০ বলে ৩৪ রানের ইনিংস। মাত্র ৩৪ বলে ৭২ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন এরন ফিঞ্চ। ফিঞ্চ আউট হলেও দলকে পৌছে দেন জয়ের খুব কাছেই। ফিনিশিংটা দেন রায়না-জাদেজা মিলে। ১৩৫ রান নিতে খরচ করে মাত্র ১৩.৫ ওভার। গুজরাট লায়ন্স জয় পায় ৭ উইকেটের।
সংক্ষিপ্ত স্কোরঃ-
রয়াল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু ১৩৪/১০ (২০)
পবন নেগি ৩২(১৯), জাদাব ৩১(১৮)
এন্ড্র টায় ৩/১২
গুজরাট লায়ন্স ১৩৫/৩ (১৩.৫)
এরন ফিঞ্চ ৭২(৩৪), রায়না ৩৪(৩০)
স্যামুয়েল বাদ্রি ২/২৯
ম্যাচ সেরা- এন্ড্র টায়
