এই বুঝি শুরু হলো। তারকাহীন ম্যাড়ম্যাড়ে ডিপিএল এর শুরুরই জানান ধরা যায়। তামিম-মুশফিকরা কাল রাতেই উড়ে গেছে সাসেক্সের উদ্দেশ্যে। যাওয়ার আগ পর্যন্ত ছিলো জমজমাট এক লিগ। যাওয়ার পরেই যে এমন চুপসে যাবে সেটা সবারই জানা কথা। তবুও ভরসা দিচ্ছিলেন অন্য সিনিয়র খেলোয়াড়রা।
সকালে এমনই এক পরীক্ষার সামনে দাঁড়িয়ে খেলতে নেমেছিলো ব্রাদার্স ইউনিয়ন আর পারটেক্স স্পোর্টিং ক্লাব। সকালে বিকেএসপি’র ৩ নাম্বার মাঠে টস জিতে ব্রাদার্স ইউনিয়ন সিদ্ধান্ত নেয় ফিল্ডিং করার। স্যাঁতস্যাঁতে আবহাওয়ার সুযোগটা কাজে লাগানোটাই ছিলো মূল লক্ষ্য ছিলো ব্রাদার্স অধিনায়ক অলোক কাপালির। যেমন সিদ্বান্ত তেমনই কাজ। ব্রাদার্স ইউনিয়নের বোলারদের দাপুটে বোলিং। উইকেটে এসে থিতু হওয়াটাই যেন চ্যালেঞ্জ হয়ে দাড়িয়েছিলো পারটেক্স ব্যাটসম্যান দের জন্য। এক সাজ্জাদুল হকের ৪২ রান ছাড়া আর কেউই দাড়াতে পারেনি নেহাদুজ্জামান-কাপালিদের সামনে। পারটেক্স এর ৮ ব্যাটসম্যানই পার হতে পারেনি ১০ রানের কৌটা। নেহাদুজ্জামান নেন ৪ উইকেট। ৫০ ওভারের ম্যাচে মাত্র ৩০.৫ ওভারেই গুটিয়ে যায় পারটেক্স ইউনিয়ন। সংগ্রহ দাঁড়ায় ১০ উইকেটে ১০২ রানের।
১০২ রানের মামুলি টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে ব্রাদার্স ইউনিয়ন জয় পায় ৭ উইকেটের। ওপেনিং করতে নেমে জুনাইদ সিদ্দিকি আর মিজানুর রহমানের জুটি থেকে আসে ৫৩ রান। শেষ দিকে ফরহাদ হোসাইন এর ৩৫ রানের উপর ভর করে মাত্র ১৭.৫ বলেই জয় নিশ্চিত করে ব্রাদার্স ইউনিয়ন।
সংক্ষিপ্ত স্কোরঃ-
পারটেক্স স্পোর্টিং ক্লাব- ১০২/১০ (৩০.৫)
সাজ্জাদুল হক ৪২(৪৪)
নেহাদুজ্জামান ৪/২১
ব্রাদার্স ইউনিয়ন- ১০৩/৩ (১৭.৫)
ফরহাদ হোসাইন ৩৫(৩৬), জুনাইদ সিদ্দিকি ২০(২৩)
জাকারিয়া মাসুদ ১/১৯
ম্যাচ সেরা- নেহাদুজ্জামান