বিশ্ব ক্রিকেটারদের সংগঠন ডব্লিউসিএর উদ্বেগ, বাংলাদেশকে বাদ দেওয়াকে দুঃখজনক মুহূর্ত বলে আখ্যায়িত

৯৭ প্রতিবেদক: নাজিফা তাসনিম

প্রকাশ: 3 ঘন্টা আগে আপডেট: 1 সেকেন্ড আগে
বিশ্ব ক্রিকেটারদের সংগঠন ডব্লিউসিএর উদ্বেগ, বাংলাদেশকে বাদ দেওয়াকে দুঃখজনক মুহূর্ত বলে আখ্যায়িত

বিশ্ব ক্রিকেটারদের সংগঠন ডব্লিউসিএর উদ্বেগ, বাংলাদেশকে বাদ দেওয়াকে দুঃখজনক মুহূর্ত বলে আখ্যায়িত

বিশ্ব ক্রিকেটারদের সংগঠন ডব্লিউসিএর উদ্বেগ, বাংলাদেশকে বাদ দেওয়াকে দুঃখজনক মুহূর্ত বলে আখ্যায়িত

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এমন ঘটনা বিরল, যা শুধু খেলাধুলার সীমার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং পুরো কাঠামো ও নীতিগত স্থিতিশীলতাকেও প্রশ্নের মুখে ফেলে। আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬ থেকে বাংলাদেশকে প্রত্যাহারকে বিশ্ব ক্রিকেটের জন্য উদ্বেগজনক এবং ক্ষতিকর ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করেছে বিশ্ব ক্রিকেটারদের সংগঠন ওয়ার্ল্ড ক্রিকেটার্স অ্যাসোসিয়েশন (ডব্লিউসিএ)।

ডব্লিউসিএ’র প্রধান নির্বাহী টম মফাত বলেন,
“পূর্ণ সদস্য ও বিপুল সমর্থকসংবলিত একটি দেশের মতো বাংলাদেশের অনুপস্থিতি টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের সর্বোচ্চ মঞ্চে একটি ‘দুঃখজনক মুহূর্ত’।”

তিনি আরও বলেন,
“টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বাংলাদেশকে প্রত্যাহারের ফলে ক্রিকেটের শীর্ষ আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি আসর থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ দেশের অনুপস্থিতি আমাদের খেলাটির জন্য, বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের জন্য এবং কোটি কোটি সমর্থকের জন্য এক বেদনাদায়ক মুহূর্ত। বিষয়টি গভীরভাবে পর্যালোচনার দাবি রাখে।”

খেলাকে বিভক্ত না করে ঐক্যের পথে এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে মফাত বলেন,
“বিভাজন বা বর্জনের সুযোগ না দিয়ে আমরা চাই ক্রিকেটের নেতৃত্বস্থানীয়রা সব অংশীজন গভর্নিং বডি, লিগ ও খেলোয়াড়দের সঙ্গে একযোগে কাজ করুক। খেলাটিকে বিভক্ত নয়, ঐক্যবদ্ধ করাই এখন সবচেয়ে জরুরি।”

ডব্লিউসিএ আরও জানিয়েছে, এই ঘটনা ক্রিকেটের ভেতরে থাকা কাঠামোগত সমস্যাগুলোকেই সামনে এনেছে। মফাত মন্তব্য করেন,
“বিভিন্ন চুক্তি যথাযথভাবে মানা না হওয়া এবং গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে খেলোয়াড় ও তাদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে পর্যাপ্ত আলোচনা না করার বিষয়টি নিয়ে সংগঠনটি দীর্ঘদিন ধরেই উদ্বিগ্ন। এই পরিস্থিতি বৈশ্বিক পর্যায়ে ক্রিকেট পরিচালনার বিদ্যমান মডেলের গুরুতর সমস্যাগুলো স্পষ্ট করে তুলেছে। এসব বিষয় অবহেলিত থাকলে খেলাটির প্রতি আস্থা, ঐক্য এবং ভবিষ্যৎ সবই ঝুঁকির মুখে পড়বে।”

বাংলাদেশের সরে দাঁড়ানো নিয়ে ইতিমধ্যেই ক্রিকেটবিশ্বে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে, যা শুধুমাত্র দলগত প্রভাবই নয়, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট প্রশাসনের নৈতিক দিক এবং খেলাধুলার স্বচ্ছতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে।