আইপিএলে বৈষম্যবিরোধী নীতি বহাল থাকবে মৌসুম শেষে আরও তিন মাস
আইপিএলে বৈষম্যবিরোধী নীতি বহাল থাকবে মৌসুম শেষে আরও তিন মাস
আইপিএলে বৈষম্যবিরোধী নীতি বহাল থাকবে মৌসুম শেষে আরও তিন মাস
ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) ঘিরে বৈষম্যবিরোধী নীতি আরও কঠোরভাবে প্রয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, টুর্নামেন্ট শেষ হলেও খেলোয়াড়, কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট সবাই চুক্তি শেষ হওয়ার পর আরও তিন মাস পর্যন্ত অ্যান্টি-ডিসক্রিমিনেশন কোডের আওতায় থাকবেন।
সম্প্রতি ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর সঙ্গে শেয়ার করা এই নীতিমালায় উল্লেখ করা হয়েছে, এই তিন মাসের সময়সীমার আগে বা এর মধ্যে সংঘটিত কোনো বৈষম্যমূলক আচরণের বিচার করার এখতিয়ার বিসিসিআই ও আইপিএলের থাকবে।
বিসিসিআইয়ের এই কোডের মূল লক্ষ্য আইপিএলের ভাবমূর্তি, জনপ্রিয়তা ও অখণ্ডতা রক্ষা করা। বিশেষ করে বর্ণ, ধর্ম, সংস্কৃতি, গায়ের রং, লিঙ্গ, যৌন অভিমুখ, অক্ষমতা বা বৈবাহিক অবস্থার ভিত্তিতে কাউকে অপমান, হেয় প্রতিপন্ন বা ভয়ভীতি প্রদর্শন করার মতো আচরণ কঠোরভাবে দমন করাই এর উদ্দেশ্য।
নীতিমালায় বলা হয়েছে, ভাষা, অঙ্গভঙ্গি বা অন্য কোনো আচরণের মাধ্যমে যদি কোনো ব্যক্তি অন্যকে অপমান, হুমকি বা হেয় করেন, তবে তা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।
এই ধরনের অপরাধে শাস্তিও নির্ধারণ করা হয়েছে ধাপে ধাপে। প্রথমবার অপরাধে ৪ থেকে ৮ ম্যাচ নিষেধাজ্ঞা, দ্বিতীয়বার ৮ ম্যাচ থেকে আজীবন নিষেধাজ্ঞা এবং তৃতীয় বা পরবর্তী অপরাধে এক বছর থেকে আজীবন নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হতে পারে।
এছাড়া, অপরাধ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট খেলোয়াড় বা কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলকভাবে শিক্ষা বা কাউন্সেলিং প্রোগ্রামে অংশ নিতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের আচরণ এড়ানো যায়।
অভিযোগের বিচার করবেন বিসিসিআইয়ের ওম্বাডসম্যান। তবে তিনি কোনো ম্যাচের ফলাফল পরিবর্তন বা সংশোধনের ক্ষমতা রাখবেন না।
আইপিএলে অংশগ্রহণের শর্ত হিসেবেই এই নীতিমালা মানা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। একই সঙ্গে আম্পায়ার, ম্যাচ রেফারি, দলীয় ম্যানেজার বা ফ্র্যাঞ্চাইজির অনুমোদিত প্রতিনিধিরা কোনো ঘটনা ঘটার ৩৬ ঘণ্টার মধ্যে বিসিসিআইয়ের সিইওর কাছে অভিযোগ জানাতে পারবেন, যার ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হবে।
