বার্মিংহাম টেস্টে ঘুরে দাড়ানোর আশা পাকিস্তানের প্রধান কোচ হেসনের
-
1
পারফর্ম করেও কেন এশিয়ান গেমসে নেই সাব্বির-রুবেল, ব্যাখ্যা দিলেন বিসিবি প্রধান নির্বাচক
-
2
ইংল্যান্ড সফরের টি-টোয়েন্টি দল থেকে ছিটকে গেলেন কুশল মেন্ডিস ও বিনুরা ফার্নান্দো
-
3
পিসিবির ব্যর্থতায় তামাশার পাত্র পাকিস্তান, বিস্ফোরক নাসের হুসেইন
-
4
জাপানের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলবে ভারত
-
5
প্রিটোরিয়াসের সেঞ্চুরি ও দক্ষিণ আফ্রিকার থ্রিলার জয়
বার্মিংহাম টেস্টে ঘুরে দাড়ানোর আশা পাকিস্তানের প্রধান কোচ হেসনের
বার্মিংহাম টেস্টে ঘুরে দাড়ানোর আশা পাকিস্তানের প্রধান কোচ হেসনের
হেডিংলিতে প্রথম টেস্টে ইনিংস ও ১০৩ রানের পরাজয় এবং লর্ডসে ১৯৮ রানের ব্যবধানে হেরে ইতোমধ্যেই ইংল্যান্ডের কাছে তিন ম্যাচের সিরিজ ২-০ ব্যবধানে হাতছাড়া করেছে পাকিস্তান। আগামী ৯ সেপ্টেম্বর থেকে বার্মিংহামের এজবাস্টনে শুরু হতে যাওয়া তৃতীয় ও শেষ টেস্টকে সামনে রেখে দলে এক অবিশ্বাস্য আর অভূতপূর্ব পরিবর্তন এনেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)।
ধারাবাহিক ব্যর্থতার চরম মূল্য হিসেবে প্রধান টেস্ট কোচ সরফরাজ আহমেদকে বরখাস্ত করার পাশাপাশি সিরিজের মাঝপথেই স্কোয়াডের সাতজন খেলোয়াড়কে দেশে ফেরত পাঠিয়ে দিয়েছে বোর্ড। তাদের স্থলাভিষিক্ত করা হয়েছে নতুন সাতজন ক্রিকেটারকে। একই সাথে পাকিস্তানের সাদা বলের ক্রিকেট দলের হেড কোচ মাইক হেসনকেই অন্তর্বর্তীকালীন টেস্ট কোচের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
দল থেকে বাদ পড়ে দেশে ফিরে যাওয়া খেলোয়াড়দের তালিকায় আছেন টেস্ট অধিনায়ক সালমান আলী আগা ও ওপেনার ইমাম-উল-হক। হেডিংলিতে ৫ উইকেট পাওয়া বাঁহাতি স্পিনার আলী উসমান এবং পেসার খুররম শাহজাদকেও ফেরত পাঠানো হয়েছে। অন্যদিকে, জরুরি ভিত্তিতে ডাক পাওয়া নতুন সাতজনের মধ্যে কেবল সাইম আইয়ুব ও আবদুল্লাহ ফজলেরই আন্তর্জাতিক টেস্ট খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে
হঠাৎ পাওয়া এই বড় দায়িত্ব এবং দলে এমন টালমাটাল পরিস্থিতির বিষয়ে নিউজিল্যান্ডীয় কোচ মাইক হেসন কথা বলেছেন। এশিয়ান গেমসের প্রস্তুতি সেরে রাজকীয় আমন্ত্রণে বাকিদের সাথে যোগ দিতে যুক্তরাজ্য পৌঁছানোর পরই এই অভাবনীয় পরিবর্তনের মুখোমুখি হতে হয় তাকে।
শুক্রবার এজবাস্টনে বিবিসির বরাতে হেসন বলেন, "আমি মূলত রাজার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের উদ্দেশ্যে যুক্তরাজ্যে আসছিলাম। কিন্তু পরিস্থিতি হঠাৎ করেই নাটকীয় রূপ নিল। একই হোটেলে কিছু খেলোয়াড় আসা আর কিছু খেলোয়াড় চলে যাওয়ার ঘটনা সামলানো গত দুই দিনে বেশ চ্যালেঞ্জিং ছিল।"
দলের বর্তমান মানসিক অবস্থা সম্পর্কে হেসন আরও বলেন, "আমার চেয়ে এই খেলোয়াড়রা বোধহয় একটু বেশিই এমন অঘটন বা বিশৃঙ্খল পরিস্থিতিতে অভ্যস্ত! অবশ্যই সবাই ভীষণ হতাশ। তবে সেই হতাশা পেছনে ফেলে আমাদের সামনে তাকাতে হবে এবং তারা গত দুদিনে খুব ইতিবাচক সাড়া দিয়েছে।"
সিরিজের মাঝে এমন ঢেলে সাজানোর পক্ষে না থাকলেও দলের বোলিং বৈচিত্র্য ফেরাতে একে প্রয়োজনীয় বলে মনে করছেন তিনি, "আমার মনে হয় না কেউ সিরিজের মাঝপথে এমন কিছু দেখতে চায়। তবে আমার দৃষ্টিকোণ থেকে, একটি ভারসাম্যপূর্ণ দল গঠন করা জরুরি ছিল। পাকিস্তান ক্রিকেট সবসময় পেস, বৈচিত্র্যময় বোলিং অ্যাকশন কিংবা মিস্ট্রি স্পিনের জন্য পরিচিত কিন্তু চলমান সিরিজে আমরা এর কিছুই মেলে ধরতে পারিনি।"
আগামী ৯ সেপ্টেম্বর বার্মিংহামের এজবাস্টনে শুরু হবে শেষ টেস্ট।
