ডি-থ্রি ট্রফির পয়েন্ট নিলামে শরিফুল সবচেয়ে দামি, দল পাননি নাসির
-
1
শাদাবের শতক ও দশম উইকেটের রেকর্ড জুটিতে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ফাইনালে পাকিস্তান
-
2
সংযুক্ত আরব আমিরাতকে হারিয়ে নেদারল্যান্ডসের দুর্দান্ত জয়
-
3
পাকিস্তানের ওয়ানডে দল থেকে বাদ সাইম আইয়ুব, স্থলাভিষিক্ত সাহিবজাদা ফারহান
-
4
বাদ পড়লেন ম্যাডিনসন, কেপটাউন টেস্টের একাদশে স্মিথকে নিয়ে শংকা
-
5
ডি-থ্রি ট্রফির পয়েন্ট নিলামে শরিফুল সবচেয়ে দামি, দল পাননি নাসির
ডি-থ্রি ট্রফির পয়েন্ট নিলামে শরিফুল সবচেয়ে দামি, দল পাননি নাসির
ডি-থ্রি ট্রফির পয়েন্ট নিলামে শরিফুল সবচেয়ে দামি, দল পাননি নাসির
পয়েন্টভিত্তিক একটি ভিন্নধর্মী নিলামের মাধ্যমে ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটের স্বাদ নিয়ে যাত্রা শুরু করল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নতুন উদ্যোগ ‘ডি-থ্রি ট্রফি’। কোনো টাকা-পয়সার লেনদেন না থাকলেও খেলোয়াড় পাওয়ার লড়াইয়ে উন্মাদনা ও দর কষাকষির কোনো কমতি ছিল না। এই নিলামে সর্বোচ্চ মূল্য পেয়ে ইতিহাসের সবচেয়ে দামি খেলোয়াড় হয়েছেন বাঁহাতি পেসার শরিফুল ইসলাম। অন্যদিকে সুযোগ মেলেনি অলরাউন্ডার নাসির হোসেনের, যার ফলে ঘরোয়া জাতীয় ক্রিকেট লিগ (এনসিএল) ছাড়া বিসিবির অন্য কোনো আসরে মাঠে নামার পথ বন্ধ হয়ে গেল তার।
নিলামের প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, শরিফুলকে দলে ভেড়াতে সিটিজেনস ব্যাংক খরচ করেছে ২ কোটি ৩০ লাখ পয়েন্ট। ২ কোটি ১০ লাখ পয়েন্টে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মূল্যে তাসকিন আহমেদকে টেনেছে ওয়ালটন। দারুণ ছন্দে থাকা উদ্বোধনী ব্যাটার তানজিদ হাসান তামিমকে নিতে ফরচুন খরচ করেছে ২ কোটি পয়েন্ট। এছাড়া সেভেন রিংস সিমেন্ট ১ কোটি ৯৫ লাখ পয়েন্টে সাইফ হাসানকে এবং একই মূল্যে এইস ব্লুস্টার কিনেছে পেসার হাসান মাহমুদকে। জাতীয় টেস্ট দলের অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ১ কোটি ৫৫ লাখ পয়েন্টে জায়গা পেয়েছেন ফরচুনে।
অন্যদিকে সাম্প্রতিক সময়ে চড়া চাহিদায় থাকা দুই পেসার মুস্তাফিজুর রহমান ও নাহিদ রানা বিক্রি হয়েছেন অপেক্ষাকৃত কম মূল্যে। সেভেন রিংস সিমেন্ট ৭০ লাখ পয়েন্টে বিপিএল ও বিগ ব্যাশে নিয়মিত মুস্তাফিজকে নিশ্চিত করে। একই পয়েন্টে নাহিদ রানাকে দলে নেয় এইস ব্লুস্টার।
বিসিবির নিয়মানুযায়ী, প্রতিটি ফ্র্যাঞ্চাইজির দল গঠনে সর্বমোট ১০ কোটি পয়েন্ট বরাদ্দ ছিল। খেলোয়াড়দের চাহিদামাফিক পয়েন্ট ব্যবহারে কোনো সীমা নির্ধারণ করা হয়নি। ক্যাটাগরি ভেদে ‘এ’ গ্রেডের ভিত্তিমূল্য ৪০ লাখ, ‘বি’ গ্রেডের ৩০ লাখ, ‘সি’ গ্রেডের ২০ লাখ, ‘ডি’ গ্রেডের ১০ লাখ ও ‘ই’ গ্রেডের জন্য ৫ লাখ পয়েন্ট নির্ধারণ ছিল। তবে পয়েন্টের সাথে ক্রিকেটারদের মূল আর্থিক চুক্তির সম্পর্ক নেই; তারা কেবল বিসিবির নির্ধারিত ম্যাচ ফি পাবেন। সে অনুযায়ী, চার দিনের ম্যাচের জন্য ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা, ৫০ ওভারের ম্যাচের জন্য ১ লাখ টাকা এবং টি-টোয়েন্টির জন্য ৮০ হাজার টাকা ম্যাচ ফি ধার্য করা হয়েছে।
বিসিবির নতুন ফরম্যাট অনুযায়ী, আগে পৃথকভাবে আয়োজিত বিসিএলের চার দিন ও এক দিনের টুর্নামেন্ট এবং এনসিএলের টি-টোয়েন্টি সংস্করণকে এক ছাতার নিচে এনে এই ডি-থ্রি ট্রফি সাজানো হয়েছে। তবে এনসিএলের নিজস্ব চার দিনের ঐতিহ্যবাহী আসরটি আগের নিয়মেই স্বতন্ত্র থাকবে। ৩টি ফরম্যাট মিলিয়ে মোট ৪২টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে যার মধ্যে টি-টোয়েন্টির ১৯টি, একদিনের ম্যাচের ১৬টি এবং চার দিনের খেলার ৭টি ম্যাচ অন্তর্ভুক্ত।
ঘোষিত সূচি অনুযায়ী, আগামী ১৫ ডিসেম্বর বরিশালে গড়াচ্ছে ডি-থ্রি ট্রফির টি-টোয়েন্টি লড়াই। ২১ ডিসেম্বর থেকে আসরের দ্বিতীয় পর্ব অনুষ্ঠিত হবে মিরপুরের শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে, যার প্লে-অফ ও ফাইনালের মঞ্চ আবারও বরিশাল। পরবর্তীতে ২০২৭ সালের জানুয়ারি মাসে চার দিনের প্রতিযোগিতা এবং মে মাসে ৫০ ওভারের সংস্করণটি আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে বিসিবির।
নিলাম প্রক্রিয়া শেষে চূড়ান্ত হওয়া ৬টি দলের স্কোয়াড:
ফরচুন গ্রুপ:
নাজমুল হোসেন শান্ত, তানজিদ হাসান তামিম, তাওহীদ হৃদয়, রিশাদ হোসেন, সৌম্য সরকার, সাব্বির রহমান, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, তানভির ইসলাম, ইবাদত হোসেন, ফজলে মাহমুদ রাব্বি, কামরুল ইসলাম রাব্বি, আকবর আলী, মুশফিক হাসান, মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ, এনামুল হক আশিক, স্বাধীন ইসলাম, শামীম মিয়া, নুহায়েল সানদিদ, মোহাম্মদ হোসাইন, নিলয় রঞ্জন শীল, সৈকত আলী, হাফিজুর রহমান ও ইসলামুল আহসান আবির।
ওয়ালটন: তাসকিন আহমেদ, মেহেদী হাসান মিরাজ, মুমিনুল হক, লিটন দাস, মার্শাল আইয়ুব, নাসুম আহমেদ, আরিফুল ইসলাম, রনি তালুকদার, ইকবাল হোসেন ইমন, নাহিদুল ইসলাম, শহিদুল ইসলাম, রেজাউর রহমান রাজা, জিয়াউর রহমান, হাবিবুর রহমান সোহান, সামিউন বশির রাতুল, চৌধুরি মোহাম্মদ রিজওয়ান, এসএম মেহেরব হোসেন, ইমরানুজ্জামান, আসাদুজ্জামান পায়েল, নাঈম আহমেদ, রবিউল হাসান অনিক, রবিউল ইসলাম রবি ও রাকিব হাওলাদার।
এইস ব্লু স্টার:
হাসান মাহমুদ, নাহিদ রানা, নুরুল হাসান সোহান, শেখ মেহেদী, এনামুল হক বিজয়, আফিফ হোসেন, মাহমুদুল হাসান জয়, ইফতিখার হোসেন ইফতি, মাহফিজুল ইসলাম রবিন, আবু হাশিম, আবু হায়দার রনি, সাদিকুর রহমান, কালাম সিদ্দিকী অ্যালিন, সফর আলী, ইয়াসিন হোসেন, রহিম আহমেদ, আনামুল হক আনাম, আজিজুল হাকিম রনি, আব্দুর রহিম, আদিল বিন সিদ্দীক ও শাহাদাত রহমান সম্রাট।
সেভেন রিংস সিমেন্ট:
মুস্তাফিজুর রহমান, মুশফিকুর রহিম, তাইজুল ইসলাম, খালেদ আহমেদ, সাদমান ইসলাম, জাকির হাসান, শামীম হোসেন পাটোয়ারি, মোহাম্মদ মিঠুন, মোহাম্মদ ইরফান হোসেন, শেখ পারভেজ জীবন, মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরি, মাহফুজুর রহমান রাব্বি, আনিসুল ইসলাম ইমন, আনামুল হক, দেবাশীষ সরকার, আসাদুল্লাহ হিল গালিব, রাফিউজ্জামান রাফি, রিজান হোসেন, রায়ান রাফসান রহমান, তাফসির আরাফাত তাসিব, ফারহান সাদিক ও আব্দুল্লাহ আল মুমিন।
একমি গ্রুপ: মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, আব্দুল গাফফার সাকলাইন, নাঈম হাসান, আলিস আল ইসলাম, মোহাম্মদ রুবেল, অমিত হাসান, পারভেজ হোসেন ইমন, শাহাদাত হোসেন দিপু, রাকিবুল হাসান, রিপন মণ্ডল, মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধ, খালিদ হাসান, জাওয়াদ আবরার, মারুফ মৃৃধা, ইয়াসিন মিয়া, মোহাম্মদ আশরাফুল হাসান, সাব্বির হোসেন, রুয়েল মিয়া, আহরার আমিন পিয়ান, আল আমিন রনি ও অনিক সরকার।
সিটিজেনস ব্যাংক: শরিফুল ইসলাম, সাইফ হাসান, নাইম শেখ, জাকের আলী, হাসান মুরাদ, ইয়াসির আলী রাব্বি, সুমন খান, আজিজুল হাকিম তামিম, জিসান আলম, তাইবুর রহমান পারভেজ, আমিনুল ইসলাম বিপ্লব, শুভাগত হোম, শফিকুল ইসলাম, ইরফান শুক্কুর, তোফায়েল হাসান, আল ফাহাদ, মইন খান, আরিফ আহমেদ, লিওন ইসলাম, আশিকুজ্জামান, আব্দুল্লাহ আল মুহী, ইকবাল হোসেন ইমন, অনিক দেব বর্মন ও হুমায়ন আহমেদ।
