তাইজুলের ঘূর্ণিতে ভাঙল পাকিস্তানের প্রতিরোধ, জয় থেকে ৩ উইকেট দূরে বাংলাদেশ
তাইজুলের ঘূর্ণিতে ভাঙল পাকিস্তানের প্রতিরোধ, জয় থেকে ৩ উইকেট দূরে বাংলাদেশ
তাইজুলের ঘূর্ণিতে ভাঙল পাকিস্তানের প্রতিরোধ, জয় থেকে ৩ উইকেট দূরে বাংলাদেশ
সময় যেন আজ পাকিস্তানের হয়ে ব্যাট করেছে। কখনও ধীর হাঁটা, কখনও চোটের অজুহাত, আবার কখনও লম্বা বিরতিতে খেলার গতি কমিয়ে সিলেট টেস্টকে টেনে নেওয়া হয়েছে পঞ্চম দিনের দোরগোড়ায়। তবে নাটকীয়তায় ভরা এই লড়াইয়ে শেষ হাসির খুব কাছেই দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ। চতুর্থ দিন শেষে পাকিস্তানের সংগ্রহ ৭ উইকেটে ৩১৬ রান, জয়ের জন্য তাদের এখনও দরকার ১২১ রান। অন্যদিকে বাংলাদেশের প্রয়োজন আর মাত্র ৩ উইকেট।
মঙ্গলবার দিনের শুরুতেই আক্রমণে সফল হন নাহিদ রানা। পাকিস্তানের ইনিংসের ১১তম ওভারে তার গতির সামনে টিকতে পারেননি আব্দুল্লাহ ফজল। গালিতে দাঁড়িয়ে মেহেদী হাসান মিরাজ দুর্দান্ত ক্যাচে ফেরান তাকে। এরপর মিরাজ নিজেই আঘাত হানেন। আজান আওয়াইসকে এলবিডব্লিউ করে ফিরিয়ে দেন ২১ রানে। রিভিউ নিয়েও বাঁচতে পারেননি পাকিস্তানের এই ব্যাটার।
দুই উইকেট হারানোর পর শান মাসুদ ও বাবর আজম মিলে প্রতিরোধ গড়েন। ধীরে ধীরে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের দিকে নিতে থাকা এই জুটি যোগ করে ৯২ রান। তবে জমে ওঠা এই জুটি ভাঙেন তাইজুল ইসলাম। তার ঘূর্ণিতে ব্যাটের কানায় লেগে লিটন দাসের গ্লাভসে ধরা পড়েন ৪৭ রান করা বাবর। উইকেট হারানোর পর বাবরের ধীরগতির মাঠ ছাড়াও ছিল আলোচনায়।
মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সালমান আগা ষষ্ঠ উইকেটে তারা গড়ে তোলেন ২২৪ বলে ১৩৪ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি। এই জুটিতে একসময় ম্যাচে পিছিয়ে পড়ার শঙ্কা তৈরি হয় বাংলাদেশের জন্য। বিশেষ করে রিজওয়ান সময় ক্ষেপণের কৌশল আর ধীর ব্যাটিংয়ে ম্যাচটিকে দীর্ঘায়িত করার চেষ্টা করেন বারবার।
বাংলাদেশকে স্বস্তি এনে দেন আবারও তাইজুল ইসলাম। ৭১ রান করা সালমান আগাকে বোল্ড করে গুরুত্বপূর্ণ ব্রেকথ্রু এনে দেন এই বাঁহাতি স্পিনার। এরপর নতুন ব্যাটার হাসান আলীকেও শূন্য রানে ফিরিয়ে দেন তিনি।
দিন শেষে ১৩৪ বলে ৭৫ রানে অপরাজিত আছেন রিজওয়ান। তার সঙ্গে ক্রিজে রয়েছেন সাজিদ খান, করেছেন ৮ রান। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ৩১ ওভারে ১১৩ রান দিয়ে নিয়েছেন ৪ উইকেট। নাহিদ রানা পেয়েছেন দুটি উইকেট, আর একটি শিকার মিরাজের।
