লাহোরে অস্ট্রেলিয়াকে ১১১ রানে উড়িয়ে দিয়ে হোয়াইটওয়াশ পাকিস্তানের
৯৭ প্রতিবেদক: নাজিফা তাসনিম
প্রকাশ: 1 ঘন্টা আগে আপডেট: 1 সেকেন্ড আগে-
1
লর্ডসের এমসিসি লাইব্রেরিতে যুক্ত হলো বাংলাদেশের টেস্ট ক্রিকেটের স্মারক প্রকাশনা
-
2
চোটে বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেলেন কামিন্স, মার্শের নেতৃত্বে অস্ট্রেলিয়ার স্কোয়াড
-
3
হ্যারি ব্রুক স্বীকার করলেন, ওয়েলিংটনে নাইটক্লাব ঘটনায় ছিলেন অন্য ইংল্যান্ড খেলোয়াড়রাও
-
4
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ঐতিহাসিক টি-টোয়েন্টি সিরিজ জয় পাকিস্তানের
-
5
অদম্য বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি কাপে তিন দলের স্কোয়াড ঘোষণা
লাহোরে অস্ট্রেলিয়াকে ১১১ রানে উড়িয়ে দিয়ে হোয়াইটওয়াশ পাকিস্তানের
লাহোরে অস্ট্রেলিয়াকে ১১১ রানে উড়িয়ে দিয়ে হোয়াইটওয়াশ পাকিস্তানের
লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়াকে রীতিমতো উড়িয়ে দিয়ে তিন ম্যাচের টি–টোয়েন্টি সিরিজে ৩–০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ করল পাকিস্তান। রোববার সিরিজের শেষ ম্যাচে ১১১ রানের বিশাল ব্যবধানে হেরে অস্ট্রেলিয়া টি–টোয়েন্টি ইতিহাসে নিজেদের সবচেয়ে বড় পরাজয়ের রেকর্ড গড়েছে।
টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়ে পাকিস্তান নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে তোলে ২০৭ রান। ইনিংসের ভিত গড়ে দেন ওপেনার সাইম আইয়ুব ও অধিনায়ক বাবর আজম। সাইম ৫৬ রান করেন, আর বাবর অপরাজিত থাকেন ৫০ রানে। তৃতীয় উইকেটে দুজনে গড়েন ৬৯ রানের জুটি। শেষ দিকে শাদাব খান ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে মাত্র ১৯ বলে ৪৬ রান তুলে নেন।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই চাপে পড়ে অস্ট্রেলিয়া। পাকিস্তানের স্পিন আক্রমণের সামনে কোনো প্রতিরোধই গড়তে পারেনি সফরকারীরা। বাঁহাতি স্পিনার মোহাম্মদ নওয়াজ ক্যারিয়ারসেরা বোলিংয়ে ৫ উইকেট নেন মাত্র ১৮ রানে। তার দাপটে ১৬.৫ ওভারেই ৯৬ রানে গুটিয়ে যায় অস্ট্রেলিয়ার ইনিংস।
অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে সর্বোচ্চ রান করেন মার্কাস স্টয়নিস ২২ বলে ২৩ রান। পুরো ইনিংসে মাত্র তিনজন ব্যাটসম্যান দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছাতে পারেন। এই হারটি অস্ট্রেলিয়ার আগের সবচেয়ে বড় টি–টোয়েন্টি পরাজয় ২০০৫ সালে ইংল্যান্ডের কাছে ১০০ রানে হারের চেয়েও ১১ রান বেশি ব্যবধানে।
এই ম্যাচে হারার মধ্য দিয়ে সিরিজে টানা তিন ম্যাচেই রান তাড়া করতে ব্যর্থ হলো অস্ট্রেলিয়া। আগের দুই ম্যাচে তারা হেরেছিল ৯০ ও ২২ রানে।
ব্যক্তিগতভাবে স্বস্তির ম্যাচ পেয়েছেন বাবর আজম। বিগ ব্যাশ লিগে ধীরগতির ব্যাটিংয়ের জন্য সমালোচনার মুখে পড়ার পর এই ইনিংস দিয়ে ফর্মে ফেরার ইঙ্গিত দিলেন পাকিস্তান অধিনায়ক।
এই সিরিজের মধ্য দিয়ে দুই দলই আসন্ন টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রস্তুতি শেষ করল। অস্ট্রেলিয়া তাদের বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে, ১১ ফেব্রুয়ারি। পাকিস্তান খেলবে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে, শনিবার।
