কঠিন প্রতিপক্ষের লড়াইয়েও এশিয়ান গেমসে সোনা জয়ের স্বপ্ন লিটনদের

৯৭ প্রতিবেদক:

প্রকাশ: 1 ঘন্টা আগে আপডেট: 10 মিনিট আগে
কঠিন প্রতিপক্ষের লড়াইয়েও এশিয়ান গেমসে সোনা জয়ের স্বপ্ন লিটনদের

কঠিন প্রতিপক্ষের লড়াইয়েও এশিয়ান গেমসে সোনা জয়ের স্বপ্ন লিটনদের

কঠিন প্রতিপক্ষের লড়াইয়েও এশিয়ান গেমসে সোনা জয়ের স্বপ্ন লিটনদের

মহাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রীড়াযজ্ঞ এশিয়ান গেমসে পদক জয়ের অভিযানে নামছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। অতীতে ২০১০ সালে চীনের গুয়াংজু থেকে সর্বোচ্চ সাফল্য অর্জিত হলেও সেবার পরাশক্তি ভারত কিংবা পাকিস্তানের মূল স্কোয়াডের অনুপস্থিতি প্রতিযোগিতার আবহকে খানিকটা নমনীয় রেখেছিল। কিন্তু এবার লঙ্কানদের ব্যতিক্রম ছাড়া এশিয়ার বাঘা বাঘা ক্রিকেট পরাশক্তিগুলোর পূর্ণ শক্তির উপস্থিতি আসরটিকে কঠিন এক পরীক্ষার মুখে দাঁড় করিয়েছে। 

তবে প্রতিপক্ষের শক্তিমত্তা বা তালিকা নিয়ে মাথা না ঘামিয়ে নিজেদের প্রস্তুতি আর শিরোপা লড়াইয়ের মঞ্চে পৌঁছানোকেই অগ্রাধিকার দিচ্ছেন বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক লিটন দাস। দলের দৃষ্টিভঙ্গি স্পষ্ট করতে গিয়ে লিটন দাস বলেন, ‘অবশ্যই এখানে লক্ষ্য তো একটা থাকবে যেহেতু একটা টুর্নামেন্ট খেলতে যাচ্ছি, ফাইনাল খেলা এবং ফাইনালে ভালো কিছু করতে পারি।’

জাতীয় দলের হয়ে নিয়মিত দ্বিপাক্ষিক সিরিজ বা আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়ার অভিজ্ঞতা থাকলেও এশিয়ান গেমসের মতো বহুমুখী ক্রীড়া আসরে দেশের প্রতিনিধিত্ব করাকে ভিন্ন এক আবেগ ও সম্মানের চোখে দেখছেন ক্রিকেটাররা। ‘এখানে বাংলাদেশ দল খেলেছে অনেকবারই, প্রথমবার আমরা (জাতীয় দলের নিয়মিত) খেলার সুযোগ পেয়েছি। আমার কাছে এটা একটা বড় জিনিস যে জাতীয় দলে হয়তো সার্ভ করছি, সাথে সাথে এরকম জায়গায় একটা খেলা এটাও একটা বড় জিনিস। সবসময় জিতলে আপনি ট্রফি জিতবেন, কিন্তু এখানে এটা গোল্ডের বিষয়, এটা একটা বড় স্বপ্ন এবং আমার মনে হয় সব খেলোয়াড়ই রোমাঞ্চিত অনেক এই এশিয়ান গেমসে।’

নারী ক্রিকেট দল থেকে প্রত্যাশিত পদক না আসায় এবার পুরুষ দলটিকে নিয়েই সমর্থক ও ক্রীড়াপ্রেমীদের মূল আশার আলো প্রজ্জ্বলিত হচ্ছে। ‘দেখেন প্রত্যাশা তো সবাই করবে। খেলোয়াড় হিসেবে আমিও তো প্রত্যাশা নিয়েই যাব যে ওখানে ভালো কিছু করব। আমি একটা জিনিস বলতে পারি যে আমাদের খেলোয়াড়ড়া অনেক আগ্রহের সঙ্গে আছে এই টুর্নামেন্টে খেলার জন্য। কারণ এই টুর্নামেন্টে প্রতিবার আসেন, আপনি ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ বা ন্যাশনাল টিমের যেকোনো জিনিস একবছর পরপরই পেয়ে যাবেন, বাট এই খেলাটা খুব রেয়ার হয়। এবং প্রত্যেকটা খেলোয়াড় অনেক রোমাঞ্চিত এবং বড় স্বপ্ন যেটা সেটাই পূরণ করার চেষ্টা সবাই ওটাই করব।’

আন্তর্জাতিক স্তরে সাম্প্রতিক সময়ে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে ম্যাচ খেলার কিছুটা বিরতি থাকলেও দলগতভাবে দারুণ প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে বাংলাদেশ। জিম্বাবুয়ে সফরের পর দীর্ঘ সময় একসঙ্গে কোনো সিরিজ না খেললেও অনুশীলনের পাশাপাশি দুটি প্রস্তুতি ম্যাচের মাধ্যমে দলীয় সুসংহত গড়ে তোলার ইতিবাচক দিক তুলে ধরে লিটন দাস বলেন, ‘প্রস্তুতি খুবই ভালো হয়েছে। দুটো প্র্যাকটিস গেম খেলার সুযোগ পেয়েছি। অনেকদিন পর আপনারা জানেন যে আমরা লাস্ট টি-টোয়োন্টি সিরিজ খেলেছি অলমোস্ট জিম্বাবুয়েতে। তো ওখান থেকে এক সঙ্গে বন্ডিং হওয়ার একটা সুযোগ এই প্রস্তুতি ম্যাচ। আমার কাছে মনে হয় প্রস্তুতি হিসেবে খুবই ভালো।’