পাকিস্তান ২৩০ রানে অলআউট হয়ে উইন্ডিজকেও ফেলেছে লজ্জায়
-
1
আমাদের আয় দর্শকের টিকিট নয়, স্পন্সর ও আইসিসি থেকে আসে- মিরাজের বাস্তবতার আভাস
-
2
বিসিএসএ ব্লাস্ট উপলক্ষে বনানীতে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের জার্সি উন্মোচন
-
3
ক্রিকেটারদের নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য, বিসিবির কারণ দর্শানোর নোটিশ নাজমুল ইসলামকে
-
4
কোয়াবের অবস্থান পুনর্বিবেচনা, শর্তসাপেক্ষে মাঠে ফেরার ঘোষণা
-
5
বিসিবির অর্থ কমিটির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি পেলেন নাজমুল ইসলাম
পাকিস্তান ২৩০ রানে অলআউট হয়ে উইন্ডিজকেও ফেলেছে লজ্জায়
পাকিস্তান ২৩০ রানে অলআউট হয়ে উইন্ডিজকেও ফেলেছে লজ্জায়
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে প্রথম টেস্টের প্রথম ইনিংসে ২৩০ রানে অলআউট হয়েছে পাকিস্তান। অর্ধশতক করেছেন সৌদ শাকিল এবং মোহাম্মদ রিজওয়ান। পাকিস্তানের প্রথম ইনিংসের জবাবে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও। তারা অলআউট হয়েছে ১৩৭ রানে। ফলে ম্যাচে পাকিস্তান এগিয়ে থাকে ৯৩ রানে।
মুলতান ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে জিতে আগে ব্যাটিংয়ে নামে পাকিস্তান। মাত্র ৪৬ রানেই ৪ উইকেট হারিয়ে ফেলে স্বাগতিকরা। পঞ্চম উইকেটে ১৪১ রান যোগ করেন শাকিল রিজওয়ান জুটি। কেভিন সিনক্লিয়ারের বলে ক্যাচ দিয়ে দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৮৪ রান করে বিদায় নেন সৌদ শাকিল। তার ইনিংসে ছিলো ৬ টি চারের মার।
তারপর আবারো ওয়েস্ট ইন্ডিজের বোলিং আক্রমণে ধারাবাহিকভাবে উইকেট হারাতে থাকে পাকিস্তান। সিনক্লিয়ারের বলে এলবিডব্লুর ফাঁদে পড়ে ৭১ রানে ফেরেন রিজওয়ান। তার ইনিংসে ছিলো ৯ টি চার। শেষ দিকে সাজিদ খান করেন ১৮ রান।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে ৩ টি করে উইকেট পান জেডেন সেলস এবং জোমেল ওয়ারিক্যান। ২ টি উইকেট শিকার করেন কেভিন সিনক্লিয়ার।
এদিকে পাকিস্তানি বেলারদের বোলিং আক্রমণে প্রথম দিনেই ১০ উইকেট পড়ে গেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ও। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত মাত্র ৯১ রানেই ৯ উইকেট হারিয়ে ফেলে তারা। তারপর দশম উইকেটে জুটিতে তোলে সর্বোচ্চ ৪৬ রান।
এদিন সিঙ্গেল ডিজিটে আউট হয়েছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের ৬ ব্যাটার। অধিনায়ক ক্রেইগ ব্রাথওয়েট এবং কেভিন সিনক্লিয়ান দুজনেই করেছেন ১১ রান করে। গুদাকেশ মতি করেছেন ১৯ রান। ওয়ারি ক্যান অপরাজিত ছিলেন ৩১ রানে, এটাই দলের পক্ষে সর্বোচ্চ রান। তাছাড়া শেষ ব্যাটার হিসাবে ক্রিজে নেমে ১৩ বলে ২২ রানের ইনিংস খেলেন সেলস।
পাকিস্তানের হয়ে ফাইফার পেয়েছেন নোমান আলী। আর সাজিদ খান পেয়েছেন ৪ টি উইকেট। বাকি উইকেটটি নেন আবরার আহমেদ।
