বিধ্বস্ত অস্ট্রেলিয়া, অন্যের ফলাফলের দিকে তাকিয়ে মার্শরা

৯৭ প্রতিবেদক: নাজিফা তাসনিম

প্রকাশ: 3 ঘন্টা আগে আপডেট: 1 সেকেন্ড আগে
বিধ্বস্ত অস্ট্রেলিয়া, অন্যের ফলাফলের দিকে তাকিয়ে মার্শরা

বিধ্বস্ত অস্ট্রেলিয়া, অন্যের ফলাফলের দিকে তাকিয়ে মার্শরা

বিধ্বস্ত অস্ট্রেলিয়া, অন্যের ফলাফলের দিকে তাকিয়ে মার্শরা

জিম্বাবুয়ে ও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টানা দুই হারের পর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে কার্যত বিদায়ের মুখে দাঁড়িয়ে অস্ট্রেলিয়া শিবিরে নেমেছে হতাশার ছায়া। দলটি এখন প্রায় অন্যদের ফলাফলের দিকে তাকিয়ে।

পাল্লেকেলেতে সহ-আয়োজক শ্রীলঙ্কা ১৮২ রানের লক্ষ্য ১৮ ওভারেই পেরিয়ে যাওয়ায় সুপার এইটে ওঠার সমীকরণ জটিল হয়ে গেছে অস্ট্রেলিয়ার জন্য। তাদের এখন গ্রুপের বাকি দুটি ম্যাচের ফল নিজেদের পক্ষে চাই, পাশাপাশি ওমানকে বড় ব্যবধানে হারাতে হবে। অস্ট্রেলিয়া এগোতে চাইলে জিম্বাবুয়েকে আয়ারল্যান্ড ও শ্রীলঙ্কা দুই দলের কাছেই হারতে হবে। এরপরও নেট রানরেটে জিম্বাবুয়ের চেয়ে এগিয়ে থাকতে হবে অস্ট্রেলিয়াকে। বর্তমানে জিম্বাবুয়ের নেট রানরেট অনেক ভালো।

আট উইকেটের হারের পর অধিনায়ক মিচেল মার্শ বলেন, “ড্রেসিংরুমে সবাই ভেঙে পড়েছে। আমরা বিধ্বস্ত। এখন ভাগ্যের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। অনেক আবেগ কাজ করছে। আমরা আমাদের সেরা ক্রিকেটটা খেলতে পারিনি।”

তিনি আরও বলেন, “আগামীকালের ম্যাচ (জিম্বাবুয়ে বনাম আয়ারল্যান্ড) নিশ্চয়ই দেখব। সবাই একসঙ্গে দেখব কি না জানি না। কী আর বলব আইরিশদের ভাগ্য?”

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়া আট ওভারে বিনা উইকেটে ৯৭ রান তুলে দারুণ শুরু করেছিল। কিন্তু পরের ১২ ওভারে হারায় সব ১০ উইকেট। শুরুতে যেখানে রানরেট ছিল ওভারে ১২ এর বেশি, পরে তা নেমে আসে প্রায় ৭ এ। ম্যাচের এই অংশটিকেই হারের বড় কারণ হিসেবে দেখছেন মার্শ।

“আজ আমাদের বাস্তবায়নেই ঘাটতি ছিল। আমাদের পূর্ণ শক্তির ব্যাটিং লাইনআপে স্পিন ভালো খেলার কিছু সেরা ব্যাটার আছে। শ্রীলঙ্কা দারুণভাবে ম্যাচে ফিরে এসেছে। শুরুটা যেমন ছিল, তাতে আরও বড় সংগ্রহ দরকার ছিল। দ্বিতীয় ইনিংসে যাওয়ার আগে হয়তো আরও রান প্রয়োজন ছিল,”

মার্শ যোগ করেন, “২২০ করলে কী হতো বলা কঠিন। তবে আমরা ভালো ভিত পেয়েও শেষ দিকে কাজে লাগাতে পারিনি। এই কন্ডিশনে জুটি গড়া খুব গুরুত্বপূর্ণ। ওপেনিং জুটির বাইরে আর কোনো বড় জুটি গড়তে পারিনি।”

অস্ট্রেলিয়ার মতো আত্মবিশ্বাসী দলের জন্য এটি বেশ হতাশার অবস্থা। তারা এতটাই নিশ্চিত ছিল যে সুপার এইটে উঠবে, চোট পাওয়া জশ হ্যাজেলউডের বদলি ঘোষণা দিতেও দেরি করেছিল। দল ভাবছিল, তার জায়গায় পেসার শন অ্যাবট নাকি ব্যাটার স্টিভেন স্মিথ কাকে নেওয়া হবে।

শেষ পর্যন্ত সোমবার স্মিথকে হ্যাজেলউডের বদলি হিসেবে ঘোষণা করা হয়। তবে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তিনি খেলেননি। কুঁচকির চোট কাটিয়ে মার্শই একাদশে ফেরেন।

তবে দলবদলের এই অনিশ্চয়তাকে বর্তমান অবস্থার কারণ মানতে নারাজ মার্শ। তার ভাষায়, “গত দুই বছরে সাদা বলের ক্রিকেটে আমাদের স্কোয়াডে প্রায় প্রতিটি সফরেই পরিবর্তন এসেছে। এটা নতুন কিছু নয়। আজ আমরা স্রেফ আউটপ্লে হয়েছি এটাই হতাশার।”