প্রসেস মেনে বল করেছি, এটাই কাজে এসেছে- হাসান

৯৭ প্রতিবেদক:

প্রকাশ: 2 ঘন্টা আগে আপডেট: 1 সেকেন্ড আগে
প্রসেস মেনে বল করেছি, এটাই কাজে এসেছে- হাসান

প্রসেস মেনে বল করেছি, এটাই কাজে এসেছে- হাসান

প্রসেস মেনে বল করেছি, এটাই কাজে এসেছে- হাসান

ক্যাঙ্গারুর দেশে টেস্ট যাত্রায় লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা এমন চোখধাঁধানো এক সূচনা পাবে, তা হয়তো স্বাগতিক শিবির কল্পনাও করতে পারেনি। অজিদের অহংকার চুরমার করে ডারউইনের বাইশ গজে বাংলাদেশ দলের পেস আক্রমণের একচ্ছত্র আধিপত্যেই প্রথম টেস্টে ক্যাঙ্গারুদের প্রথম ইনিংস গুটিয়ে গেছে সাকুল্যে ১৯৮ রানে।

বল হাতে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে আক্রমণের মূখ্য ভূমিকা নিয়ে প্রতিপক্ষকে একাই ধসিয়ে দেন ২৬ বছর বয়সী গতি তারকা হাসান মাহমুদ। নিয়মিত ঘণ্টার পর ঘণ্টা ১৪০ কিলোমিটারের আশপাশে গতি বজায় রেখে লক্ষ্মীপুরের এই পেসার পিচের বাউন্সকে কাজে লাগিয়ে একে একে তুলে নেন ৬টি মহামূল্যবান উইকেট।

ইনিংস বিরতিতে পুরো সাফল্যের মূল চাবিকাঠি হিসেবে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর কার্যকর পরামর্শ এবং অপর দুই পেসার তাসকিন আহমেদ ও এবাদত হোসেন চৌধুরীর অভাবনীয় সমর্থনের কথা তুলে ধরেন এই তরুণ। হাসান মাহমুদ বলেন,

‘অস্ট্রেলিয়ার খেলার ব্যাপারে আমি খুব রোমাঞ্চিত ছিলাম। এই কন্ডিশনে খেলার বড় সুযোগ। আমি শুধু আমার লাইন-লেন্থ ঠিক রেখে, প্রসেস মেনে বল করার চেষ্টা করেছি। অধিনায়কের নির্দেশনা মেনে চলেছি। এটাই কাজে এসেছে। বাকি দুই পেসারও নিজেদের সেরাটা দিয়েছে।’

অজি ডেরায় এমন বিধ্বংসী পারফরম্যান্সের ভিত্তি কিন্তু হুট করে তৈরি হয়নি; এর নেপথ্যে কাজ করেছে সম্প্রতি ইংল্যান্ডের কাউন্টি ক্রিকেটে কেন্টের হয়ে খেলার সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা। কেন্টের জার্সিতে পুনরায় ফেরার ব্যাকুলতা প্রকাশ করে নিজের অনুভূতির কথা জানিয়ে এই পেসার যুক্ত করেন, ‘ইংল্যান্ডে খেলা ছিল দারুণ এক অভিজ্ঞতা। আশা করি কেন্টের হয়ে আরও খেলতে পারব।’

অস্ট্রেলিয়ার ইনিংসে সর্বোচ্চ রান করা স্মিথ আউট হন ১০৯ বলে ৭১ করে। নিজের পঞ্চম শিকার বানানো স্মিথের উইকেট নিয়ে হাসান বলেন,  ‘স্টিভ স্মিথের উইকেটটির কথা বলব; সে তখন বোলারদের আক্রমণ ঠিক আন্দাজ করতে পারছিল না। আমার ভেতরের সহজাত অনুভূতি বা প্রবৃত্তি থেকে মনে হয়েছিল সে বড় কিছু একটা শট খেলার চেষ্টা করবে, তাই আমি একটি বাউন্সার করি এবং সে তা মিস করে বশে।’