একদিন ইংল্যান্ডের প্রধান কোচ হওয়ার স্বপ্ন স্টোকসের, নেতৃত্ব প্রসঙ্গে বললেন ব্রুকের কথাও
-
1
তিন বছর পর কি মুক্তি মিলছে ইমরান খানের, নেপথ্যে সমঝোতার আভাস
-
2
বুমরাহর বদলি হিসেবে শ্রীলঙ্কা সফরের টেস্ট দলে প্রথমবার ডাক পেলেন আকিব নবি
-
3
দুর্নীতির দায়ে যুক্তরাষ্ট্রের স্পিনার রেড্ডির আট বছরের নিষেধাজ্ঞা
-
4
শরফুদ্দৌলার চুক্তি বাতিল নয়, নবায়ন না করার সিদ্ধান্ত বিসিবির
-
5
অস্ট্রেলিয়ায় ইতিহাস গড়ার স্বপ্ন নিয়েই যাচ্ছে বাংলাদেশ, বললেন হাবিবুল বাশার
একদিন ইংল্যান্ডের প্রধান কোচ হওয়ার স্বপ্ন স্টোকসের, নেতৃত্ব প্রসঙ্গে বললেন ব্রুকের কথাও
একদিন ইংল্যান্ডের প্রধান কোচ হওয়ার স্বপ্ন স্টোকসের, নেতৃত্ব প্রসঙ্গে বললেন ব্রুকের কথাও
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানালেও ক্রিকেটের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করতে চান না বেন স্টোকস। বরং খেলোয়াড়ি জীবন শেষ হওয়ার পর কোচিংয়েই নিজের নতুন অধ্যায় শুরু করার পরিকল্পনা করেছেন ইংল্যান্ডের সাবেক এই অধিনায়ক। ভবিষ্যতে জাতীয় দলের প্রধান কোচের দায়িত্বও নিতে চান তিনি। তার বিশ্বাস, দীর্ঘদিন নেতৃত্ব দেওয়ার অভিজ্ঞতা সেই দায়িত্ব পালনে তাকে এগিয়ে রাখবে।
সম্প্রতি এক পডকাস্টে নিজের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলেন স্টোকস। জানান, এখনো খেললেও একই সঙ্গে তৃতীয় স্তরের কোচিং কোর্স সম্পন্ন করছেন। খেলোয়াড়ি অধ্যায় শেষ হওয়ার পর যেন কোনো আনুষ্ঠানিকতা বাকি না থাকে, সে কারণেই আগে থেকেই নিজেকে প্রস্তুত করছেন তিনি।
স্টোকস বলেন, ‘আমি এখনো খেলছি, তবে একই সঙ্গে তৃতীয় স্তরের কোচিং কোর্সও করছি। কারণ খেলোয়াড়ি জীবন শেষ হওয়ার দিন এলে আমি চাই কোচিংয়ের সব আনুষ্ঠানিকতা আগেই সম্পন্ন করে রাখতে।’
কোচিংকে নিজের ভবিষ্যৎ হিসেবে দেখছেন জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি কোচ হতে চাই। ক্রিকেটের সঙ্গে যুক্ত থেকে ভবিষ্যতে আমি কী করতে চাই, সেটা আমার কাছে পরিষ্কার আমি কোচ হতে চাই। আর একদিন ইংল্যান্ডের কোচ হতে চাই কি না? অবশ্যই চাই।’
শুধু ইচ্ছা নয়, সেই দায়িত্ব সফলভাবে পালন করার আত্মবিশ্বাসও রয়েছে স্টোকসের। টেস্ট দলের অধিনায়ক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার অভিজ্ঞতা তাকে কোচিংয়েও সহায়তা করবে বলে মনে করেন তিনি।
তার ভাষায়, ‘আমি মনে করি, এই দায়িত্ব আমি বেশ ভালোভাবেই পালন করতে পারব। কারণ কাঁধে দায়িত্ব থাকার অনুভূতিটা এখন আমি বুঝি। বড় সিদ্ধান্ত নিতে আমার কোনো দ্বিধা নেই।’
৩৫ বছর বয়সী স্টোকস চলতি বছরের জুনে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ চলাকালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নেন। তার বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারে রয়েছে ২০১৯ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ জয়ের স্মৃতি, একই বছরের হেডিংলি টেস্টে অ্যাশেজে অবিস্মরণীয় ম্যাচজয়ী ইনিংস এবং ২০২২ সাল থেকে ইংল্যান্ডের টেস্ট দলের নেতৃত্ব দেওয়ার অভিজ্ঞতা।
আলোচনায় ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব নিয়েও নিজের মতামত তুলে ধরেন স্টোকস। তার মতে, সম্ভাবনাময় কাউকে নেতা হিসেবে গড়ে তুলতে চাইলে তাকে দায়িত্ব দেওয়ার সাহসও দেখাতে হবে। এই প্রসঙ্গেই ইংল্যান্ডের ব্যাটার হ্যারি ব্রুককে উদাহরণ হিসেবে টেনে আনেন তিনি।
স্টোকস বলেন, ‘আপনি যদি মনে করেন কেউ ভালো অধিনায়ক বা নেতা হতে পারে, তাহলে তাকে সেই সুযোগটাই দেওয়া উচিত।’
ব্রুককে সহ-অধিনায়ক করা হলেও নিজের অনুপস্থিতিতে তাকে নেতৃত্ব না দেওয়ার সিদ্ধান্তে বিস্মিত হয়েছিলেন বলেও জানান তিনি।
স্টোকসের ভাষায়, ‘ব্রুককে সহ-অধিনায়ক করা হয়েছিল। আমি যখন নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সেই টেস্ট খেলতে পারিনি, তখনও আমার মনে হয়েছিল ব্রুক যদি সহ-অধিনায়ক হয়, তাহলে সে অধিনায়কত্ব করছে না কেন?’
এরপর তিনি যোগ করেন, ‘সিদ্ধান্তের পেছনের যুক্তিটা আমি বুঝেছিলাম। কিন্তু তারপরও আমার মনে প্রশ্ন জেগেছিল, এতে তাকে কী বার্তা দেওয়া হলো? সে সহ-অধিনায়ক, অথচ অধিনায়ক খেলছে না, তারপরও সে নেতৃত্ব পাচ্ছে না। এতে আসলে কী বোঝানো হলো?’
স্টোকসের অবসরের পর ইংল্যান্ডের টেস্ট দলের নেতৃত্ব আবারও দেওয়া হয়েছে জো রুটকে। একই সময়ে প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন নিউজিল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক স্টিফেন ফ্লেমিং।
