দ্বিতীয় ম্যাচেও ভারতীয় নারীদের সাথে পেরে উঠল না বাঘিনীরা
-
1
ইমরান খানের সুচিকিৎসার দাবিতে ৭ অজি প্রাক্তন অধিনায়কের চিঠি
-
2
রেনশ,এলিসের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে শুভসূচনা অস্ট্রেলিয়ার
-
3
বাংলাদেশি পেসার খালেদ আহমেদের বোলিংয়ে ল্যাঙ্কাশায়ারের পতন
-
4
আসিফ নজরুলের একক সিদ্ধান্তেই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলেনি বাংলাদেশ, এনএসসির তদন্ত প্রতিবেদন
-
5
নীতিশ ও স্যামসনের দাপটে আফগানিস্তানকে উড়য়ে সিরিজ জয় ভারতের
দ্বিতীয় ম্যাচেও ভারতীয় নারীদের সাথে পেরে উঠল না বাঘিনীরা
দ্বিতীয় ম্যাচেও ভারতীয় নারীদের সাথে পেরে উঠল না বাঘিনীরা
সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচেও জয় পেল ভারতীয় নারী দল। সিলেটে বাংলাদেশের বিপক্ষে মাঠে নেমে বৃষ্টি বিঘ্নিত ম্যাচে ১৯ রানের জয় পেয়েছে তারা। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে সব উইকেট হারিয়ে ১১৯ রান করে বাংলাদেশের মেয়েরা। জবাবে ব্যাট করতএ নেমে ৫.২ ওভারে ১ উইকেট হারিয়ে ৪৭ রান পর্যন্ত করতে পারে ভারত। এরপর বৃষ্টি এলে আর খেলা শুরু হয়নি। ডিএলএস মেথডে ভারত জয়ী বলে ঘোষণা হয়।
সহজ লক্ষ্যমাত্রা তাড়া করতে নেমে শুরুতেই উইকেট হারিয়ে বসে ভারত। মারুফা আক্তার, ইনিংসের দ্বিতীয় বলে শেফালি ভার্মাকে শূন্য রানে বিদায় করেন। তবে নতুন ব্যাটার দয়ালান হেমলতা যেভাবে ব্যাট চালিয়ে খেলেছেন, তাতে রানের চাকা সচল হয়ে যায় সফরকারীদের। অন্য পাশে ওপেনার স্মৃতি মান্ধানা বল খেলার সুযোগই পাচ্ছিলেন না। এদিকে হেমলতা ২৪ বল খেলে ৪১ রানে অপরাজিত ছিলেন। আর স্মৃতি ৭ বল খেলে ৫ রানে ক্রিজে থেকে বৃষ্টির বাঁধায় মাঠ ছাড়েন।
এর আগে টসে জিতে ব্যাট করতে নামে বাংলাদেশ। আজকেও ভালো হয়নি ওপেনার দিলারা আক্তারের ব্যাটিং। তবে আরেক ওপেনার মুর্শিদা খাতুন দলের পক্ষে হাল ধরে ছিলেন শেষ ওভার পর্যন্ত। সোবহানা মোস্তারীর সাথে গড়েন জুটি, সেটিও ভাঙে সোবহানা ফিরলে, দলের রান যখন ৪২।
পরের ৩ ব্যাটার অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি’সহ কেউ-ই রানের পাতায় তেমন কিছুই করতে পারেননি বলা যায়। পরবর্তীতে রিতু মনির ব্যাটে আসে ১৮ বলে ২০ রান। অন্যপাশে তখনো খেলে যাচ্ছেন মুর্শিদা। দলীয় ১০১ রানে ফিরে যান রিতু।
তখনো ৪ ওভার ছিল, কিন্তু বাকি ব্যাটাররা আটকে যান সিঙ্গেল ডিজিটে। শেষ ওভারের প্রথম বলে রান আউট হয়ে ফেরেন মুর্শিদা, শেষ হয় তার ৪৬ (৪৯) রানের ইনিংস। একই ওভারের শেষ বলে ফারিহা তৃষ্ণা ফিরলে বাংলাদেশ অলআউট হয় ১১৯ রানে।
ভারতের পক্ষে বল হাতে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট সংগ্রহ করেন রাধা যাদব।
