শ্বাসরুদ্বকর ম্যাচে কলাবাগানের বিপক্ষে ১ রানের জয় দোলেশ্বরের
শ্বাসরুদ্বকর ম্যাচে কলাবাগানের বিপক্ষে ১ রানের জয় দোলেশ্বরের
শ্বাসরুদ্বকর ম্যাচে কলাবাগানের বিপক্ষে ১ রানের জয় দোলেশ্বরের
এমন উপভোগ্য কিছুইতো আশা করে দর্শক! ৫০ ওভারে ২০৩ রানের টার্গেট দিয়ে ১ রানের জয়। যারা মাঠে বসে ম্যাচটা উপভোগ করেছে তারা ভাগ্যবান নয়তো কি। অসাধারন এক ম্যাচ বললেও মনে হয় কম হয়ে যাবে। জয়ের এত কাছে গিয়েও কলাবাগানের হার। দোলেশ্বর জিতলো মাত্র ১ রানে।
সকালে ফতুল্লার খান সাহেব ওসমান আলী স্টেডিয়ামে কলাবাগানের অধিনায়ক মোহাম্মদ আশরাফুল টস জিতে সিদ্বান্ত নিলেন ফিল্ডিং করার। দোলেশ্বরের দুই ওপেনার আব্দুল মাজিদ আর ইমতিয়াজ হোসেন এর জুটি ভাঙ্গে মাত্র ১৬ রানের মাথায়। দলের হাল ধরেন অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান শাহারীয়ার নাফিস। খেলেন ৯৩ বলে ৩৬ রানের ইনিংস। সাথে এসে কিছুটা অবদান রাখেন পুনিত সিং। পুনিত করেন ২৮ বলে ২৩ রান। এই দুইজন আউট হওয়ার আর পর ওভাবে আর কেউই দাড়াতে পারেনি কলাবাগানের বোলারদের সামনে। সঞ্জিত সাহা নেন ২৮ রান দিয়ে ৪ উইকেট। ৫০ ওভার শেষে ৯ উইকেট হারিয়ে দোলেশ্বরের রান দাঁড়ায় ২০২ রানে গিয়ে।
২০২ রানের টার্গেট পেয়ে কলাবাগানের কে জানতো শেষ দিকে তাদের দেখতে হবে ব্যাটসম্যানদের বাজে অবস্থা! কলাবাগানের দুই ওপেনার খেলছিলেন ভালোই। এদিন ওপেনিং করেননি নিয়মিত ওপেনার আশরাফুল। তাসামুল হক কে সাথে নিয়ে ওপেনিং শুরু করেন। মেহরাব ৫০ বলে ২৯ রান করে আউট হলেও অসাধারন এক ইনিংস খেলেন তাসামুল হক। তার ব্যাট থেকে আসে ১২৬ বলে ৮৯ রানের ইনিংস। এরপর আর কেউই দাড়াতে পারেনি দোলেশ্বর বোলারদের সামনে। শরিফ উল্ল্যাহ আর ফরহাদ রেজার নিয়ন্ত্রিত বোলিং ছিলো চোখে পড়ার মত। দু-জনেই নেন ৩টি করে উইকেট।
কলাবাগানের ইনিংস ৪৯.২ বলে গিয়ে গড়ালেও ২০৩ রান আর করা হয়ে উঠেনি। অল আউট হয় ২০১ রানের মাথায়। হার ১ রানে!
সংক্ষিপ্ত স্কোরঃ-
প্রাইম দোলেশ্বর- ২০২/৯ (৫০)
শাহারীয়ার নাফিস ৩৯(৯৩), জাকির আলী ৩৮(৪৪)
সঞ্জিত সাহা ৪/২৮
প্রাইম দোলেশ্বর- ২০১/১০ (৪৯.২)
তাসামুল হক ৮৯(১২৬), মেহরাব হোসেন ২৯(৫০)
ফরহাদ রেজা ৩/৩২
ম্যাচ সেরা- শরিফ উল্ল্যাহ
