লিটনের শতক,আবাহনীর জয়
লিটনের শতক,আবাহনীর জয়
লিটনের শতক,আবাহনীর জয়
লিটন দাস যেন বারবার মনে করিয়ে দিচ্ছেন লাল-সবুজ জার্সিতে মাঠে ফেরার জন্য আমি প্রস্তত হচ্ছি। সতীর্থরা এখন জাতীয় দলের হয়ে আয়ারল্যান্ডে। খেলছেন ত্রিদেশীয় সিরিজ। প্রস্তত হচ্ছেন চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি কাঁপানোর জন্য। সতীর্থরা জাতীয় দলের হয়ে কাঁপালেও লিটন দাস ঘরোয়া লিগে কাঁপাচ্ছেন ব্যাট হাতে। আজও খেললেন শত রানের ইনিংস। ১০১ বল খেলে করেন ১৩৬ রান। এবারের ঢাকা লিগে এখনো পর্যন্ত রয়েছেন সবার উপরে ৫৭৮ রান নিয়ে। যার ৯ ম্যাচে গড় রান ৬৪.২২। বিকেএসপি’র চার নাম্বার মাঠে সকালে লিজেন্ড অব রুপগঞ্জের বিপক্ষে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় আবাহনী লিমিটেড। আবাহনীর দুই ওপেনার লিটন দাস আর সাদমানের জুটি থেকে আসে ২০৭ রান। এই জুটি থামে সাদমানের ৮৫ রানের মাথায়। লিটন তুলে নেন অনবদ্য শত রান। ৩২.৩ বলে যখন লিটন আউট হোন তখন লিটনের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১০১ বলে ১৩৬ রান। ২০ চার আর ৩ ছয়ে করেন এই রান। লিটন সাজঘরে ফেরার পর বাঁকি ব্যাটসম্যানদের ছোট ছোট সংগ্রহে ৪৯.৫ ওভার শেষে আবাহনীর সংগ্রহ দাঁড়ায় ১০ উইকেট হারিয়ে ৩৩৩ রান। রুপগঞ্জের হয়ে ৬১ রান দিয়ে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নেন শরীফ। ৩৩৩ রানের লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নেমে রুপগঞ্জ শুরুর দিকে কিছুটা দিশেহারা হয়ে পড়লেও ধাক্কাটা সামাল দেন অধিনায়ক নাইম ইসলাম। এদিন নাইম ইসলামের ব্যাটে আসে ১১৯ বলে ১২৩ রান। মিডল অর্ডারে খেলতে নেমে মোশাররফ হোসাইন করেন ৭৫ বলে ৬৭ রান। নাইম-মোশাররফ কিছুটা আশার আলো দেখালেও বাঁকি ব্যাটসম্যান রা ছিলেন এদিন ব্যার্থ। আবাহনী বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ৫০ ওভার শেষে ২৮৪ রান তুলতে সক্ষম হয় রুপগঞ্জ। আবাহনীর হয়ে আবু জায়েদ রাহী নেন ৪৪ রান দিয়ে ৩ উইকেট। ৪৯ রানের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে আবাআহনী লিমিটেড। আবাহনীর জয়ে গুরুত্বপূর্ন ভুমিকা রাখায় ম্যাচ সেরার পুরস্কার পান লিটন দাস।
