কলকাতায় ফয়সালা, শেষ চারের স্বপ্নে চোখ ভারতীয়দের
৯৭ প্রতিবেদক: মোহাম্মদ আফজল
প্রকাশ: 1 মাস আগে আপডেট: 1 সেকেন্ড আগে-
1
বুলবুলের দাবি সত্য নয়, সাফ জানিয়ে দিল ক্রিকেট আয়ারল্যান্ড
-
2
ডিপিএল দলবদল ১৮ ও ১৯ এপ্রিল, দুই দিনের ট্রান্সফার কর্মসূচি ঘোষণা
-
3
শ্রীলঙ্কা সিরিজের জন্য বাংলাদেশ নারী দলের স্কোয়াড ঘোষণা
-
4
নাসুমের পাওনা পরিশোধ, বিভ্রান্তি দূর করতে সিলেট টাইটান্সের ব্যাখ্যা
-
5
বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড সিরিজে আম্পায়ার ও ম্যাচ রেফারির তালিকা প্রকাশ
কলকাতায় ফয়সালা, শেষ চারের স্বপ্নে চোখ ভারতীয়দের
কলকাতায় ফয়সালা, শেষ চারের স্বপ্নে চোখ ভারতীয়দের
সুপার এইট পর্বে টালমাটাল শুরু, সমীকরণের জট, তারপর ঘুরে দাঁড়ানো। সব মিলিয়ে কলকাতার ম্যাচটি কার্যত অঘোষিত সেমি-ফাইনালে পরিণত হয়েছে। ভারতীয় ক্রিকেট দল ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট দল এখন একই সমীকরণে দাঁড়িয়ে। জয় মানেই শেষ চারে জায়গা, হার মানেই বিদায়।
সুপার এইটের প্রথম ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে বড় ব্যবধানে হেরে ভারতের পথ কঠিন হয়ে যায়। সেমি-ফাইনালের ভাগ্য তখন পুরোপুরি নিজেদের হাতে ছিল না। তবে পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করে যখন দক্ষিণ আফ্রিকাই ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারায়। ফলে শেষ ম্যাচের আগে হিসাবটা কিছুটা সহজ হয় ভারতের জন্য। নিজেদের কাজটাও ঠিকঠাক করে নেয় তারা জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দাপুটে জয়ে।
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ম্যাচে ভারতের ব্যাটিং ছিল দলীয় প্রচেষ্টার উজ্জ্বল উদাহরণ। কেউ বড় ব্যক্তিগত ইনিংস খেলেননি, কিন্তু ক্রিজে যাওয়া প্রায় সবাই ইতিবাচক মানসিকতায় রান তুলেছেন। আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে ২০ ওভারে ২৫৬ রানের বিশাল সংগ্রহ গড়ে দলটি স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে যে তারা চাপকে ভয় পায় না।
ম্যাচ শেষে অধিনায়ক সুরিয়াকুমার যাদব দলের মানসিকতার কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “যখন আমরা এই ধরনের পরিস্থিতিতে আছি, তখন সিদ্ধান্ত গ্রহণে আরও সাহসী ভূমিকা নিতে হবে এবং ইতিবাচক পথ বেছে নেওয়া ছাড়া বিকল্প কিছু নেই।”
চাপের ম্যাচের আগে দলকে নির্ভার রাখার কথাও জানান তিনি। তার ভাষায়, “যখন আমরা কলকাতায় পৌঁছব, তখন অবশ্যই বসব, কথা বলব এবং ম্যাচটি নিয়ে ভাবব। তবে এখন কালকের দিনটি ছুটি, আমরা ভ্রমণ করব ও রিল্যাক্স করব।”
রোববারের ম্যাচটি তাই কেবল আরেকটি গ্রুপ ম্যাচ নয়, এটি নকআউটের আগে নকআউট। দুই দলের জন্যই সমীকরণ সহজ: জয়ী দল যাবে সেমিতে, পরাজিত দলের স্বপ্ন থেমে যাবে সুপার এইটেই।
দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে হতাশা থেকে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে আত্মবিশ্বাসী প্রত্যাবর্তন দেখিয়ে ভারত বুঝিয়েছে তারা ঘুরে দাঁড়াতে পারে। এখন প্রশ্ন একটাই সেই আগ্রাসী, নির্ভীক ক্রিকেট কি তারা ধরে রাখতে পারবে ক্যারিবীয়দের বিপক্ষে?
কলকাতার ম্যাচেই মিলবে উত্তর।
