দুরন্তকে হারিয়ে ফাইনালে দুর্বার একাদশ

৯৭ প্রতিবেদক: নাজিফা তাসনিম

প্রকাশ: 3 ঘন্টা আগে আপডেট: 7 মিনিট আগে
দুরন্তকে হারিয়ে ফাইনালে দুর্বার একাদশ

দুরন্তকে হারিয়ে ফাইনালে দুর্বার একাদশ

দুরন্তকে হারিয়ে ফাইনালে দুর্বার একাদশ

ফাইনালের টিকিট তখন একেবারে হাতের নাগালে নয়। বরং কঠিন অঙ্ক আর বড় ব্যবধানে জয়ের চাপেই ছিল আকবর আলির দুরন্ত একাদশ।

কিন্তু হিসাব মেলানো তো দূরের কথা, ম্যাচটাই শেষ পর্যন্ত হাতছাড়া হয়ে যায় তাদের। নাজমুল হাসান শান্তর নেতৃত্বে দুর্বার একাদশ দাপটের সঙ্গে জিতে নিশ্চিত করে ফাইনাল।

শনিবার সন্ধ্যায় মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হয় দুই দল।

প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৪৫ রানেই থেমে যায় দুরন্ত একাদশ। লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে মাত্র ১৭.৩ ওভারেই জয় তুলে নেয় দুর্বার একাদশ।

ফলে ৭ উইকেটের সহজ জয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করে শান্তর দল।

টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই ছন্দ হারায় আকবর আলির দল। দলীয় স্কোর এগিয়ে নেওয়ার আগেই ফিরে যান প্রথম চার ব্যাটার। মাহফিজুল ইসলাম রবিন ২২ বল খেলে করতে পারেন মাত্র ৮ রান। জিসান আলম রানের খাতা না খুলেই সাজঘরে ফেরেন। জাওয়াদ আবরার ও আজিজুল হাকিম তামিমও এক অঙ্কের রানেই থেমে যান।

চাপে থাকা ইনিংসে কিছুটা ভরসা জোগান আরিফুল ইসলাম ও এসএম মেহেরব হাসান। এই দুজনের ব্যাটে মধ্যভাগে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে দুরন্ত একাদশ। আরিফুল ৩২ বলে করেন ৪১ রান। মেহেরব ২৩ বলে যোগ করেন ৩৬ রান। অধিনায়ক আকবর আলি নিজে করতে পারেন মাত্র ১৩ রান।

শেষ দিকে আব্দুল গাফফার সাকলাইনের ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে রান কিছুটা বাড়ে। ৯ বলে ১৮ রান করে দলকে দেড়শ রানের কাছাকাছি নেওয়ার চেষ্টা করেন তিনি। তবে শেষ পর্যন্ত ১৪৫ রানেই থামে দুরন্ত একাদশের ইনিংস।

দুর্বার একাদশের হয়ে বল হাতে সবচেয়ে উজ্জ্বল ছিলেন সৈয়দ খালেদ আহমেদ। চার ওভারে মাত্র ২৩ রান খরচ করে তুলে নেন চারটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট।

অন্য প্রান্তে আলিস আল ইসলাম ছিলেন ভীষণ কিপটে। চার ওভারে তিনি দেন মাত্র ১৪ রান।

রান তাড়ায় নেমে শুরুতেই ম্যাচের লাগাম নিজের হাতে তুলে নেন হাবিবুর রহমান সোহান।

পাওয়ার প্লেতেই আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে ম্যাচের গতি বদলে দেন তিনি। ১৭ বলে ৩৯ রান করেন এই ওপেনার। তার ইনিংসে ছিল পাঁচটি ছক্কা ও একটি চার।

নাজমুল হাসান শান্ত দ্রুত আউট হলেও এরপর আর কোনো অনিশ্চয়তা তৈরি হয়নি। মাহমুদুল হাসান জয় ও নুরুল হাসান সোহান ঠান্ডা মাথায় ম্যাচ এগিয়ে নেন। এই দুজনের ৬৮ রানের জুটিতেই কার্যত নিশ্চিত হয়ে যায় দুর্বারের জয়। জয় ৫১ বলে ৫৮ রান করে আউট হন।

শেষ পর্যন্ত নুরুল হাসান সোহান ২৮ রানে অপরাজিত থাকেন। আফিফ হোসেন ধ্রুব ১১ রান করে জয় নিশ্চিত করেন। ১৭.৩ ওভারেই লক্ষ্য ছুঁয়ে ফেলে দুর্বার একাদশ।

এই জয়ে টানা দুই ম্যাচ জিতে ফাইনালের টিকিট কাটে দুর্বার একাদশ। শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে তাদের প্রতিপক্ষ হবে ধুমকেতু একাদশ। অন্যদিকে কোনো ম্যাচ জিততে না পেরে অদম্য কাপ শেষ করল দুরন্ত একাদশ।