ফাইনালে চিটাগং কিংসের রানের পাহাড়, ৭৮ রানে অপরাজিত পারভেজ ইমন
-
1
রুমে হঠাৎ ঢোকা ও জেরার মুখে খেলোয়াড়রা, আকুর কার্যক্রমের ব্যাখা দিলেন মিঠু
-
2
বিপিএলে আকুর কড়াকড়ি ইতিবাচক তবে প্রক্রিয়া মানা জরুরি, হান্নান সরকার
-
3
ভীষণ দুঃখজনক - আইপিএল থেকে মুস্তাফিজ ছিটকে যাওয়ায় ব্যথিত মঈন আলী
-
4
বাংলাদেশের বিশ্বকাপ ম্যাচ আয়োজনের আগ্রহ জানাল পাকিস্তান
-
5
ঢাকায় ফিরছে বিপিএল, টিকিট বিক্রি শুরু সোমবার
ফাইনালে চিটাগং কিংসের রানের পাহাড়, ৭৮ রানে অপরাজিত পারভেজ ইমন
ফাইনালে চিটাগং কিংসের রানের পাহাড়, ৭৮ রানে অপরাজিত পারভেজ ইমন
বিপিএল ফাইনালের প্রথম ইনিংস দেখেই দর্শকদের টিকিটের পয়সা উসুল হয়ে যাওয়ার কথা। চিটাগং কিংসের দুই ওপেনারের ব্যাটিং তান্ডবে ১১ ওভারেই রান হয়ে যায় ১০০। ফাইনালে বিপিএল ইতিহাসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ জুটির রেকর্ড গড়েন কিংসের দুই ব্যাটার নাফে-ইমন। নাফে প্যাভিলিয়নে ফিরে গেলেও বরিশাল থামাতে পারেনি পারভেজ ইমনকে। তার সঙ্গী হওয়া গ্রাহাম ক্লার্ক হয়ে উঠেন আরও ভয়ংকর। তবে শেষ ৫ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে কেবল ৫৩ রান করতে পারে চিটাগং। দুইশো রান আটকে দিয়ে প্যাভিলিয়নে ফিরছে তামিমের দল।
বরিশালের শক্তিশালী বোলিং লাইনআপকে দুমড়েমুচড়ে ফাইনালে চিটাগং কিংসের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ১৯৪। খাজা নাফের ঝড় ১২ ওভারের পর থেমে গেলেও বরিশালের বোলাররা পারভেজ হোসেন ইমনকে বিদায় করতে ব্যর্থ হন। চার-ছক্কায় মিরপুরে রীতমতো ঝড় বইয়ে দেন ইমন। শেষ পর্যন্ত ইমন অপরাজিত থাকেন ৭৮ রানে। ৪৯ বলে ৬ চার ও ৪ ছক্কায় সাজান এই ইনিংস।
টসে হেরে আগে ব্যাটিংয়ে নেমে পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে ৫৭, ১১ ওভারে ১০০! চিটাগং কিংসের দুই ওপেনার পারভেজ হোসেন ইমন আর খাজা নাফের সামনে পড়ে তাঁদের কার্যত দিশেহারা অবস্থা হয়ে যায় বরিশালের বোলারদের। বিপিএলের ফাইনালে ৩০ বলে চিটাগং কিংসের পারভেজ ইমনের ফিফটি। এরপর রিশাদকে ছক্কা হাঁকিয়ে ৩৭ বলে পঞ্চাশ ছুঁয়েছেন নাফে।
১২.৪ ওভারে গিয়ে প্রথম উইকেটের দেখা পায় ফরচুন বরিশাল। আগের বলে ৪ হজম করা এবাদ হোসেন পরের ডেলিভারিতে খাজা নাফেকে ফিরিয়ে মাতেন উদযাপনে। ৪৪ বল খেলা নাফে ৭ চার ও ৩ ছক্কায় ৬৬ রানে প্যাভিলিয়নে ফিরলে ভাঙে ১২১ রানের ওপেনিং জুটি।
আগের ম্যাচে ৫৭ রানের অনবদ্য ইনিংসে দলকে ফাইনালে তুলতেও বড় ভূমিকা রাখেন খাজা। ফাইনালেও পেয়ে যান ফিফটি। এরপর অবশ্য আরও ভয়ংকর হয়ে উঠেন। কিন্তু কিংসের দর্শকেরা আর বেশিক্ষণ উপভোগ করতে পারেননি খাজা শো। বিধ্বংসী ওপেনার খাজা নাফেকে ফিরিয়ে বরিশালকে প্রথম ব্রেকথ্রু এনে দেওয়া এবাদত।
এরপর গ্রাহাম ক্লার্ককে নিয়ে আবারও খেলায় ফিরে চিটাগং কিংস। ২৩ বলে ৪৪ রান করে দুর্ভাগ্যজনকভাবে রান আউটের শিকার হন ক্লার্ক। তখনও ইনিংসের বাকি ৪ বল, আগমন ঘটে ইনফর্ম শামীম পাটোয়ারির। তবে দুই বলে দুই করে ক্যাচ তুলে ফিরে যান শামীম।
