বোলারদের কল্যাণে দোলেশ্বরের জয়
বোলারদের কল্যাণে দোলেশ্বরের জয়
বোলারদের কল্যাণে দোলেশ্বরের জয়

গত ম্যাচে ভিক্টোরিয়ার বিপক্ষে বিশাল জয় পেয়েছিল প্রাইম ব্যাংক। কিন্তু আজকে ঠিক মুদ্রার বিপরীতে তারা। প্রাইম দোলেশ্বর স্পোর্টিং ক্লাব আজকে তাদেরই বিপক্ষে ৭ উইকেটের বিশাল জয় পায়।
সকালে ফতুল্লার খান সাহেব ওসমান আলী স্টেডিয়ামে টসে জিতে ব্যাটিং এর সিদ্বান্ত নেন প্রাইম ব্যাংকের অধিনায়ক মেহেদি মারুফ। শুরুটা ভালো হয় নি তাদের। উদ্বোধনী জুটিতে ২০ রান আসে দুই ওপেনারের ব্যাট থেকে। প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে নাহিদুল ইসলাম দোলেশ্বরের অধিনায়ক ফরহাদ রেজার শিকার হয়ে ফিরে যান। এরপর গত ম্যাচে শতক হাঁকানো প্রাইম ব্যাংকের অধিনায়ক মেহেদি মারুফ ও ব্যক্তিগত ১০ রান করে ব্যর্থ হোন। শুরুর ধাক্কা সামাল দিতেই হিমশিম খায় প্রাইম ব্যাংকের ব্যাটসম্যানরা। ১৫ ওভারেই নেই তাদের চার উইকেট। পঞ্চম উইকেট জুটিতে উইকেটরক্ষক জাকির হাসান এবং আসিফ আহমেদ ৫৯ রানের জুটি গড়েন। পুরো ইনিংসে এই জুটিই ছিল সর্বোচ্চ। আসিফ ব্যক্তিগত ৩৩ রানে ফিরে গেলেও এক প্রান্ত আগলে রাখেন জাকির। দলের প্রয়োজনে ১০৩ বলে ৫২ রানের ধৈর্যশীল ইনিংস খেলেন তিনি। শেষদিকে আরিফুল হকের ৩০ রানের সুবাদে ইনিংসের এক বল বাকি থাকতে ১৮০ রানেই গুটিয়ে যায় প্রাইম ব্যাংক। দোলেশ্বরের হয়ে তিনটি করে উইকেট নেন অধিনায়ক ফরহাদ রেজা এবং দেলোয়ার হোসেন।
১৮১ রানের সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই দুই ওপেনারকে হারিয়ে বিপদে পড়ে প্রাইম দোলেশ্বর। এরপর অভিজ্ঞ শাহরিয়ার নাফিস এবং মার্শাল আইয়ুব তৃতীয় উইকেট জুটিতে ১২৩ রান তুলে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের করে নেন। মার্শাল আইয়ুব ছয়টি চারের সাহায্যে ব্যক্তিগত ৬২ রানে প্রাইম ব্যাংকের সালমানের লেগ বিফোরের ফাঁদে পরেন। কিন্তু শাহরিয়ার নাফিস পাঁচটি চার এবং একটি ছয়ের মাধ্যমে অপরাজিত ৭৮ রানের চমৎকার ইনিংস খেলে দলকে জয়ের বন্দরে নিয়ে যান। প্রাইম ব্যাংকের হয়ে আল আমিন হোসেন দুটি এবং সালমান একটি উইকেট শিকার করেন।
৮ ওভারে মাত্র ১৭ রান দিয়ে তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা হন প্রাইম দোলেশ্বরের দেলোয়ার হোসেন।
সংক্ষিপ্ত স্কোরঃ
প্রাইম ব্যাংক - ১৮০/১০ (৪৯.৫)
জাকির হাসান ৫২
দেলোয়ার হোসেন ৩/১৭, ফরহাদ রেজা ৩/৩০
প্রাইম দোলেশ্বর স্পোর্টিং ক্লাব - ১৮১/৩ (৪৫.২)
শাহরিয়ার নাফিস ৭৮, মার্শাল আইয়ুব ৬২
আলামিন হোসেন ২/২৬
