পিএসএলের নিষেধাজ্ঞা ঘিরে বিতর্ক, মুজারাবানির পক্ষে এজেন্টের কঠোর প্রতিক্রিয়া

৯৭ প্রতিবেদক:

প্রকাশ: 1 ঘন্টা আগে আপডেট: 1 সেকেন্ড আগে
পিএসএলের নিষেধাজ্ঞা ঘিরে বিতর্ক, মুজারাবানির পক্ষে এজেন্টের কঠোর প্রতিক্রিয়া

পিএসএলের নিষেধাজ্ঞা ঘিরে বিতর্ক, মুজারাবানির পক্ষে এজেন্টের কঠোর প্রতিক্রিয়া

পিএসএলের নিষেধাজ্ঞা ঘিরে বিতর্ক, মুজারাবানির পক্ষে এজেন্টের কঠোর প্রতিক্রিয়া

জিম্বাবুয়ের পেসার ব্লেসিং মুজারাবানিকে দুই বছরের জন্য নিষিদ্ধ করেছে পাকিস্তান সুপার লিগ (পিএসএল)। এই সিদ্ধান্ত ঘিরে তৈরি হয়েছে তীব্র বিতর্ক। নিষেধাজ্ঞাকে “অত্যন্ত কঠোর” বলে আখ্যা দিয়ে এর বিরোধিতা করেছেন ক্রিকেটারের এজেন্ট রব হামফ্রিজ।

এক বিবৃতিতে হামফ্রিজ দাবি করেন, পিএসএল বা ইসলামাবাদ ইউনাইটেডের সঙ্গে মুজারাবানির কোনো আনুষ্ঠানিক চুক্তিই হয়নি। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ মৌসুমে খেলার প্রস্তাব পেলেও সেটি ছিল জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট বোর্ডের অনাপত্তিপত্র (এনওসি) পাওয়ার শর্তসাপেক্ষ। কিন্তু সেই এনওসি পেতে হলে আগে আনুষ্ঠানিক চুক্তিপত্র প্রয়োজন, যা কখনোই পাঠানো হয়নি।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, “যে চুক্তি কখনোই হাতে পাওয়া হয়নি, তা ভঙ্গ করার প্রশ্নই আসে না।” হামফ্রিজের মতে, পুরো ঘটনাটি পিএসএলের প্রশাসনিক ত্রুটির ফল এবং এ কারণে এত বড় শাস্তি দেওয়া অযৌক্তিক।

ঘটনার ধারাবাহিকতায় জানা যায়, প্রস্তাবের প্রায় দুই সপ্তাহ পরও যখন কোনো আনুষ্ঠানিক চুক্তিপত্র পাঠানো হয়নি, তখনই ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের দল কলকাতা নাইট রাইডার্স মুজারাবানিকে প্রস্তাব দেয়। প্রায় এক লাখ ষাট হাজার ডলারের সেই প্রস্তাবে রাজি হয়ে আইপিএলে খেলার সিদ্ধান্ত নেন এই পেসার।

অন্যদিকে পিএসএল ও পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড ভিন্ন অবস্থানে রয়েছে। তাদের দাবি, পারিশ্রমিকসহ মূল শর্তগুলো নিয়ে লিখিত যোগাযোগের মাধ্যমে দুই পক্ষের সম্মতি হয়েছিল, যা একটি বাধ্যতামূলক চুক্তি হিসেবে গণ্য। সেই চুক্তি উপেক্ষা করে আইপিএলে যোগ দেওয়াকেই নিয়ম ভঙ্গ হিসেবে দেখছে তারা।

পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড জানিয়েছে, এই নিষেধাজ্ঞা পুনর্বিবেচনার কোনো পরিকল্পনা নেই। ফলে মুজারাবানি ২০২৯ সাল পর্যন্ত পিএসএলে অংশ নিতে পারবেন না।

এর আগে একই ধরনের ঘটনায় দক্ষিণ আফ্রিকার পেসার করবিন বশ মাত্র এক বছরের নিষেধাজ্ঞা পেয়েছিলেন। বোর্ডের মতে, তিনি তুলনামূলকভাবে বেশি সহযোগিতা করেছিলেন বলেই তার শাস্তি কম ছিল।

এদিকে, শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক দাসুন শানাকার ক্ষেত্রেও পিএসএল চুক্তি ভেঙে আইপিএলে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। রাজস্থান রয়্যালসের হয়ে খেলার জন্য তিনি দল ছাড়লেও তার বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি পিএসএল।

সব মিলিয়ে, মৌখিক বা লিখিত সম্মতির ভিত্তিতে চুক্তির বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেই এই বিতর্ক নতুন মাত্রা পেয়েছে।