লিটনের লড়াকু সেঞ্চুরিতে ধস সামলে বাংলাদেশের ২৭৮ রান

৯৭ প্রতিবেদক:

প্রকাশ: 3 ঘন্টা আগে আপডেট: 29 মিনিট আগে
লিটনের লড়াকু সেঞ্চুরিতে ধস সামলে বাংলাদেশের ২৭৮ রান

লিটনের লড়াকু সেঞ্চুরিতে ধস সামলে বাংলাদেশের ২৭৮ রান

লিটনের লড়াকু সেঞ্চুরিতে ধস সামলে বাংলাদেশের ২৭৮ রান

ব্যাটিং ধসের ভেতরেও মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে ছিল একটি ইনিংস। সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে পাকিস্তানের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম দিনে বাংলাদেশকে লড়াইয়ে রাখলেন লিটন কুমার দাস। তার দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে প্রথম ইনিংসে ২৭৮ রান তুলেছে স্বাগতিকরা। দিন শেষে পাকিস্তানের সংগ্রহ বিনা উইকেটে ২৭ রান।

ম্যাচের শুরুটা অবশ্য ছিল বাংলাদেশের জন্য হতাশার। টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই সাজঘরে ফেরেন ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয়। এরপর দলীয় ৪৪ রানে বিদায় নেন অভিষিক্ত তানজিদ হাসান তামিম। আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে ৩৪ বলে ২৬ রান করেছিলেন তিনি।

ঢাকা টেস্টে ধারাবাহিক পারফরম্যান্স দেখানো মুমিনুল হক সিলেটে সেই ছন্দ ধরে রাখতে পারেননি। সবশেষ পাঁচ ইনিংসে ফিফটি করা এই ব্যাটার এবার থামেন মাত্র ২২ রানে। আরেকদিকে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তও বড় ইনিংস খেলতে ব্যর্থ হন। তিনি করেন ২৯ রান।

দলের অভিজ্ঞ ব্যাটার মুশফিকুর রহিমও ইনিংস বড় করতে পারেননি। ২৩ রান করে আউট হন সাবেক এই অধিনায়ক। তার বিদায়ের পর দ্রুত ফেরেন মেহেদি হাসান মিরাজও। মাত্র ৪ রান করা মিরাজের সাম্প্রতিক ব্যাটিং ব্যর্থতা আরও দীর্ঘ হলো।

১১৬ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় বাংলাদেশ। ঠিক তখনই প্রতিরোধ গড়ে তোলেন লিটন কুমার দাস। সপ্তম উইকেটে তাইজুল ইসলামকে নিয়ে ৬০ রানের জুটি গড়েন তিনি। যদিও তাইজুল ১৬ রান করে ফিরে যান, তবু লিটনের ব্যাট থামেনি।

এরপর তাসকিন আহমেদের সঙ্গে অষ্টম উইকেটে ৩৮ রান যোগ করেন লিটন। পরে শরীফুল ইসলামের সঙ্গে গড়ে তোলেন গুরুত্বপূর্ণ ৬৬ রানের জুটি। নিচের সারির ব্যাটারদের নিয়ে ধৈর্যের সঙ্গে ইনিংস এগিয়ে নিয়ে যান এই উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান।

শেষ পর্যন্ত ১৫৯ বলে ১২৬ রান করে আউট হন লিটন। তার ইনিংসে ছিল ১৬টি চার ও ২টি ছক্কা। হাসান আলির বাউন্সারে বাউন্ডারি হাঁকাতে গিয়ে ক্যাচ দেন তিনি। এটি ছিল তার টেস্ট ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ এবং আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ১১তম সেঞ্চুরি।

লিটনের বিদায়ের পর আর কোনো রান যোগ করতে পারেনি বাংলাদেশ। ২৭৮ রানেই গুটিয়ে যায় পুরো ইনিংস। পাকিস্তানের হয়ে খুররম শাহজাদ নেন ৪ উইকেট। মোহাম্মদ আব্বাস শিকার করেন ৩টি উইকেট, আর হাসান আলি পান ২ উইকেট। জবাবে ব্যাট করতে নেমে দিন শেষ করেছেন পাকিস্তানের দুই ওপেনার, কোনো উইকেট না হারিয়ে তাদের সংগ্রহ ২৭ রান।