দেশি কোচদের সুযোগ দেওয়া বিসিবির দারুণ উদ্যোগ, বিসিবি সভাপতির প্রশংসায় সাব্বির
দেশি কোচদের সুযোগ দেওয়া বিসিবির দারুণ উদ্যোগ, বিসিবি সভাপতির প্রশংসায় সাব্বির
দেশি কোচদের সুযোগ দেওয়া বিসিবির দারুণ উদ্যোগ, বিসিবি সভাপতির প্রশংসায় সাব্বির
অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে আয়োজিত ‘টপ অ্যান্ড টি-টোয়েন্টি’ টুর্নামেন্ট খেলতে বর্তমানে অবস্থান করছে বাংলাদেশের হাই পারফরম্যান্স (এইচপি) দল। এই সফরে জাতীয় দলের সাবেক তারকা সাব্বির রহমানের অন্তর্ভুক্তি বেশ নজর কেড়েছে, যিনি মালয়েশিয়ার বিপক্ষে সাম্প্রতিক টি-টোয়েন্টি সিরিজে প্রত্যাশানুযায়ী রান না পেয়েও পুনরায় নিজের ছন্দ খোঁজার বড় সুযোগ পেয়েছেন।
অভিজ্ঞ এই ক্রিকেটারের সঙ্গে পরামর্শক বা মেন্টর হিসেবে ডারউইনে সফরসঙ্গী হয়েছেন টাইগারদের দীর্ঘদিনের কাণ্ডারি মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, যা দলের তরুণ ও অভিজ্ঞ উভয় সদস্যের জন্যই বাড়তি অনুপ্রেরণার উৎস হিসেবে দেখা দিচ্ছে।
ডারউইনে অনুশীলন সেশনের ফাঁকে উপস্থিত সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সাব্বির রহমান তাঁর বহুদিনের সতীর্থ মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের মেন্টরিং ভূমিকা, তাঁদের সম্পর্কের রসায়ন এবং নতুন দায়িত্ব পালনের অনন্য ধরন নিয়ে নিজের অনাবিল উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।
জাতীয় দলে সাত-আট বছর ধরে একসঙ্গে খেলার কারণে তাঁদের বোঝাপড়াটা কতটা সহজ এবং কার্যকর হচ্ছে, সে প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে ডানহাতি এই ব্যাটার মন্তব্য করেন, ‘(রিয়াদ ভাইয়ের সঙ্গে কাজ) এক কথায় ফ্যান্টাস্টিক। যেভাবে আমাদের মনিটর করছেন, পার্ট বাই পার্ট বুঝাচ্ছেন। মনে হচ্ছে আমার কলিগই আমাকে বুঝাচ্ছেন। উনার সাথে ৭-৮ বছর খেলেছি। খুব ফ্রি-লি কথা বলতে পারছি। ফ্যান্টাস্টিক ওয়ার্ক।’
এই সফরে সাবেক অধিনায়ক ইমরুল কায়েস সহকারী কোচের ভূমিকা পালন করছেন, যা দেশীয় অভিজ্ঞ ক্রিকেটারদের কোচিং জগতে যুক্ত করার এক নতুন দৃষ্টান্ত। দীর্ঘ এক বা দেড় দশকের আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতাসম্পন্ন দেশি ক্রিকেটারদের কোচিং স্টাফে যুক্ত করার এই সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত এবং বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে সংবাদমাধ্যমের সামনে সাব্বির রহমান বলেন,
‘অবশ্যই এটা বড় অর্জন হবে। দেশি কোচ প্লেয়ারদের চেনেন। যারা আসছেন সবাই ১০-১২-১৫ বছর জাতীয় দলে খেলেছেন। এটা খুব ভালো উদ্যোগ। (বিসিবি সভাপতি) তামিম (ইকবাল) ভাই খুব ভালোভাবে এটা নিচ্ছে। প্লেয়ারদের জন্য ভালো ব্যাপার।’
