ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে সিরিজ সমতায় ফেরাল পাকিস্তান
-
1
তাওহীদ হৃদয়ের ঝড়ো ফিফটিতে জয় পেল জাফনা কিংস
-
2
সাজিদের ঘূর্ণিতে চাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজ, সিরিজ সমতায় পাকিস্তান থেকে মাত্র ৬০ রানের দূরত্বে
-
3
দক্ষিণ আফ্রিকা সফর অনিশ্চিত নেসারের, বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজেও নেই
-
4
বৃষ্টিতে ভেসে গেল ম্যাচ, ২০২৭ বিশ্বকাপে সরাসরি খেলার আশা শেষ আয়ারল্যান্ডের
-
5
অনুমোদনহীন লিগে খেলায় সাবেক ক্রিকেটারদের বিরুদ্ধে কঠোর হচ্ছে পিসিবি, দুই বছরের নিষেধাজ্ঞার হুঁশিয়ারি
ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে সিরিজ সমতায় ফেরাল পাকিস্তান
ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে সিরিজ সমতায় ফেরাল পাকিস্তান
ত্রিনিদাদের কুইন্স পার্ক ওভালে দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টের চতুর্থ দিনে স্বাগতিক ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৮ উইকেটে হারিয়ে দুই ম্যাচের সিরিজ ১-১ সমতায় শেষ করেছে পাকিস্তান।
ব্রায়ান লারা স্টেডিয়ামে প্রথম টেস্টে ৯০ রানে হেরে পিছিয়ে পড়া পাকিস্তান এই ম্যাচে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ায়। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য পাকিস্তানের সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় মাত্র ৭৫ রান।
আবদুল্লাহ শফিক ও অধিনায়ক বাবর আজমের ব্যাটে ভর করে দুই উইকেট হারিয়েই সহজেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় সফরকারীরা। স্পিনার জোমেল ওয়ারিক্যানকে টানা দুই বলে ছক্কা মেরে পাকিস্তানের জয় নিশ্চিত করেন বাবর। এর আগে দিনের শুরুতেই সফরকারী স্পিনারদের তোপে মাত্র ১১৭ রানে গুটিয়ে যায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের দ্বিতীয় ইনিংস।
ম্যাচটি পাকিস্তানের জন্য একটি ঐতিহাসিক সাফল্য। ১৯৭৭ সালে মুশতাক মোহাম্মদের নেতৃত্বে জয়ের পর এই প্রথম কুইন্স পার্ক ওভালে কোনো টেস্ট জিতল তারা। পাশাপাশি এই জয়ের মাধ্যমে বিদেশের মাটিতে টানা আটটি টেস্ট হারের লজ্জাজনক ধারাবাহিকতা ভাঙল পাকিস্তান, যা শুরু হয়েছিল ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে পার্থে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে।
সিরিজসেরা বা ম্যাচের নায়ক নির্বাচিত হন দলে দেরিতে সুযোগ পাওয়া আবদুল্লাহ শফিক। চোট পাওয়া শান মাসুদের বদলি হিসেবে শেষ মুহূর্তে দলে আসা শফিকের অপরাজিত ১৬০ রানের ইনিংসের ওপর ভিত্তি করেই পাকিস্তান প্রথম ইনিংসে ৩৮৭ রান তোলে।
পাকিস্তানের জয়ের মূল কারিগর ছিলেন তাদের স্পিনাররা। অফ-স্পিনার সাজিদ খান ৮ উইকেট নিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ইনিংসে ধস নামান। অন্যদিকে, বাঁহাতি স্পিনার আলী ওসমান দ্বিতীয় ইনিংসে ৩৯ রানে ৪টিসহ পুরো ম্যাচে ৬টি উইকেট নেন।
অন্যদিকে, ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল কিছুটা ব্যাকফুটে ছিল ওপেনার ব্র্যান্ডন কিংয়ের ইনজুরির কারণে। পিঠের ব্যথার কারণে দ্বিতীয় ইনিংসে তিনি ব্যাট করতেই পারেননি।
