গতকালের ম্যাচে নিয়ন্ত্রণ এসেছে মাহমুদউল্লাহর চেষ্টায়, মন্তব্য হেম্পের
-
1
ফাইনালে পাকিস্তানকে ১৯ রানে হারিয়ে স্বর্ণ জয় ভারতের
-
2
শ্রীলঙ্কার কাছে হেরে শূন্য হাতে এশিয়ান কাপ শেষ করল বাংলাদেশ
-
3
খালি হাতে ফেরার হতাশায় লিটনের স্বীকারোক্তি, আমরা ভালো ক্রিকেট খেলিনি
-
4
শাই হোপের ব্যাটে ভারতকে হারাল ওয়েস্ট ইন্ডিজ, সিরিজ ভারতের
-
5
পাকিস্তান ও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ত্রিদেশীয় সিরিজের ফেরানো হলো অভিষ্কা ফার্নান্দোকে, বাদ আসালাঙ্কা
গতকালের ম্যাচে নিয়ন্ত্রণ এসেছে মাহমুদউল্লাহর চেষ্টায়, মন্তব্য হেম্পের
গতকালের ম্যাচে নিয়ন্ত্রণ এসেছে মাহমুদউল্লাহর চেষ্টায়, মন্তব্য হেম্পের
গতকালের ম্যাচ নিয়ে বেশ খুশি বাংলাদেশের ব্যাটিং কোচ ডেভিড হেম্প। দায়িত্বের জায়গাটা নতুন, তবে বাংলাদেশের সাথে কাজ করছেন আরও আগে থেকে। হাই পারফরম্যান্স বিভাগে প্রধানের দায়িত্বে ছিলেন তিনি। বাংলাদেশ জাতীয় দলের প্রথম ওয়ানডে ম্যাচ দেখলেন দায়িত্ব গ্রহণের পর। টপ অর্ডারে দ্রুত উইকেট পতনে কিছুটা ঘাবড়ে গেলেও, হেম্পকে আশাবাদী করে তুলেছে; নাজমুল হোসেন শান্ত ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের জুটি।
শ্রীলঙ্কার দেওয়া ২৫৬ রান তাড়া করতে গিয়ে বাংলাদেশ শুরুতেই উইকেট হারায়। দলীয় ২৩ রানে কিছুটা বিপদে যখন টাইগাররা, তখন দলের হাল ধরেন শান্ত, সাথে অভিজ্ঞ মাহমুদউল্লাহ। এই দুইজনের জুটির প্রশংসা গতকাল মুশফিকুর রহিমের মুখেও শোনা যায়। আজ শোনা গেল হেম্পের কণ্ঠে। বাংলাদেশের এই ব্যাটিং কোচ বলেন,“রিয়াদ খুব বুঝেশুনে খেলছিল। তার এপ্রোচ শ্রীলঙ্কাকে চাপে ফেলে দেয়। শান্তর সাথে তার ৬৯ রানের পার্টনারশিপই ম্যাচের গতিপথ গড়ে দিয়েছে। তার এপ্রোচই শ্রীলঙ্কার কাছ থেকে আমাদের হাতে নিয়ন্ত্রণ এনে দিয়েছে।”হেম্প জানেন সবচেয়ে বড় জুটি শান্তর সাথে মুশফিকের। তা ছিল অপরাজিত ১৬৫ রানের। তবে ম্যাচের গতিপথ পাল্টে দিয়েছে শান্ত ও মাহমুদউল্লাহর প্রয়াস। মাহমুদউল্লাহ পরে ফিরেছেন ৩৭ বলে ৩৭ রানে। আর শান্ত ও মুশফিক মিলে ম্যাচ জিতিয়ে বের হয়েছেন। শান্ত সেঞ্চুরি করে ১২২ রানে অপরাজিত রইলেন, আর মুশফিকের ব্যাটে আসে ৭৩ টি রান। হেম্পের কণ্ঠে অধিনায়ক শান্তর প্রশংসা ভাসল।
“১৬৫ রানের পার্টনারশিপ আমাদের ম্যাচ জিতিয়েছে, শান্ত ও মুশফিক ম্যাচ জিতিয়ে মাঠ ছেড়েছে দেখে খুব ভালো লাগল। ক্যাপ্টেন সামনে থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছে এটা ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। সে নিজের কাঁধে দায়িত্ব নিচ্ছে। খেলোয়াড় হিসেবে তো বটেই, অধিনায়ক হিসেবেও এমন ইনিংস মুগ্ধকর। ব্যাটাররা নিজেদের শক্তিমত্তা অনুযায়ী খেলছে। আমিও ওদের বলেছি, নিজের শক্তির জায়গা বুঝে খেলো।”
