গতকালের ম্যাচে নিয়ন্ত্রণ এসেছে মাহমুদউল্লাহর চেষ্টায়, মন্তব্য হেম্পের
-
1
তিন বছর পর কি মুক্তি মিলছে ইমরান খানের, নেপথ্যে সমঝোতার আভাস
-
2
বুমরাহর বদলি হিসেবে শ্রীলঙ্কা সফরের টেস্ট দলে প্রথমবার ডাক পেলেন আকিব নবি
-
3
অস্ট্রেলিয়ায় ইতিহাস গড়ার স্বপ্ন নিয়েই যাচ্ছে বাংলাদেশ, বললেন হাবিবুল বাশার
-
4
দুর্নীতির দায়ে যুক্তরাষ্ট্রের স্পিনার রেড্ডির আট বছরের নিষেধাজ্ঞা
-
5
অস্ট্রেলিয়া মিশনে ইতিবাচক শুরু, ডারউইনের প্রস্তুতিতে স্বস্তি খুঁজে পেল বাংলাদেশ
গতকালের ম্যাচে নিয়ন্ত্রণ এসেছে মাহমুদউল্লাহর চেষ্টায়, মন্তব্য হেম্পের
গতকালের ম্যাচে নিয়ন্ত্রণ এসেছে মাহমুদউল্লাহর চেষ্টায়, মন্তব্য হেম্পের
গতকালের ম্যাচ নিয়ে বেশ খুশি বাংলাদেশের ব্যাটিং কোচ ডেভিড হেম্প। দায়িত্বের জায়গাটা নতুন, তবে বাংলাদেশের সাথে কাজ করছেন আরও আগে থেকে। হাই পারফরম্যান্স বিভাগে প্রধানের দায়িত্বে ছিলেন তিনি। বাংলাদেশ জাতীয় দলের প্রথম ওয়ানডে ম্যাচ দেখলেন দায়িত্ব গ্রহণের পর। টপ অর্ডারে দ্রুত উইকেট পতনে কিছুটা ঘাবড়ে গেলেও, হেম্পকে আশাবাদী করে তুলেছে; নাজমুল হোসেন শান্ত ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের জুটি।
শ্রীলঙ্কার দেওয়া ২৫৬ রান তাড়া করতে গিয়ে বাংলাদেশ শুরুতেই উইকেট হারায়। দলীয় ২৩ রানে কিছুটা বিপদে যখন টাইগাররা, তখন দলের হাল ধরেন শান্ত, সাথে অভিজ্ঞ মাহমুদউল্লাহ। এই দুইজনের জুটির প্রশংসা গতকাল মুশফিকুর রহিমের মুখেও শোনা যায়। আজ শোনা গেল হেম্পের কণ্ঠে। বাংলাদেশের এই ব্যাটিং কোচ বলেন,“রিয়াদ খুব বুঝেশুনে খেলছিল। তার এপ্রোচ শ্রীলঙ্কাকে চাপে ফেলে দেয়। শান্তর সাথে তার ৬৯ রানের পার্টনারশিপই ম্যাচের গতিপথ গড়ে দিয়েছে। তার এপ্রোচই শ্রীলঙ্কার কাছ থেকে আমাদের হাতে নিয়ন্ত্রণ এনে দিয়েছে।”হেম্প জানেন সবচেয়ে বড় জুটি শান্তর সাথে মুশফিকের। তা ছিল অপরাজিত ১৬৫ রানের। তবে ম্যাচের গতিপথ পাল্টে দিয়েছে শান্ত ও মাহমুদউল্লাহর প্রয়াস। মাহমুদউল্লাহ পরে ফিরেছেন ৩৭ বলে ৩৭ রানে। আর শান্ত ও মুশফিক মিলে ম্যাচ জিতিয়ে বের হয়েছেন। শান্ত সেঞ্চুরি করে ১২২ রানে অপরাজিত রইলেন, আর মুশফিকের ব্যাটে আসে ৭৩ টি রান। হেম্পের কণ্ঠে অধিনায়ক শান্তর প্রশংসা ভাসল।
“১৬৫ রানের পার্টনারশিপ আমাদের ম্যাচ জিতিয়েছে, শান্ত ও মুশফিক ম্যাচ জিতিয়ে মাঠ ছেড়েছে দেখে খুব ভালো লাগল। ক্যাপ্টেন সামনে থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছে এটা ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। সে নিজের কাঁধে দায়িত্ব নিচ্ছে। খেলোয়াড় হিসেবে তো বটেই, অধিনায়ক হিসেবেও এমন ইনিংস মুগ্ধকর। ব্যাটাররা নিজেদের শক্তিমত্তা অনুযায়ী খেলছে। আমিও ওদের বলেছি, নিজের শক্তির জায়গা বুঝে খেলো।”
