মোহামেডানের কাছে হেরে সুপার লিগ শুরু গাজীর
-
1
মাসুদের সেঞ্চুরির পরও চাপে পাকিস্তান, ১৫৫ রানে এগিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ
-
2
গ্লোবাল সুপার লিগে ইমনের মাঝারি ইনিংসের পরও ৫৩ রানে হারলো লাহোর কালান্দার্স
-
3
বৈভব সূর্যবংশীর তাণ্ডবে জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে ৩-০ ব্যবধানে সিরিজ জিতল ভারত
-
4
সোহানের ঝোড়ো ইনিংসের পর গালের বড় জয়
-
5
দক্ষিণ আফ্রিকায় যাচ্ছে বাংলাদেশ ইমার্জিং দল, ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজে অংশ নেবে
মোহামেডানের কাছে হেরে সুপার লিগ শুরু গাজীর
মোহামেডানের কাছে হেরে সুপার লিগ শুরু গাজীর
দুই দিন বিরতির পর আজ শুরু হয়েছে ডিপিএলের সুপার লিগের ম্যাচ। সুপার লিগ রাউন্ডের প্রথম দিনেই মাঠে নেমেছে ৬ টা দল। নারায়ণগঞ্জে লিগের টেবিল টপার গাজী গ্রুপের মুখোমুখি হয়েছিল টেবিলের নিচের সারির দল মোহামেডান। যদিও ম্যাচে মোহামেডানের কাছে ৭ রানে হার মানে গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স। নারায়ণগঞ্জের খান সাহেব ওসমান আলি স্টেডিয়ামে সকালে টসে জিতে মোহামেডানকে ব্যাট করার আমন্ত্রণ জানান গাজী অধিনায়ক নাদিফ চৌধুরি। মোহামেডান ওপেনার শামসুর রহমান আর সৈকত আলি ভাল শুরুর আভাস দিলেও দলীয় ৪০ ও ব্যাক্তিগত ২৭ রানে সৈকত কে ফিরিয়ে ওপেনিং জুটি ভাঙ্গেন গাজীর মোহাম্মদ শাহাজাদ। এরপর মোহামেডানের গত ম্যাচের দুই সেঞ্চুরিয়ান শামসুর রহমান ও রনি তালুকদার আজকেও আভাস দিচ্ছেলেন ব্যাক টু ব্যাক সেঞ্চুরি তুলে নেওয়ার। ১৪৪ রানে জুটি গড়ে শামসুর ব্যাক্তিগত ৭৪ রানে ফিরে যাওয়ার পর বেশিক্ষণ দাঁড়াতে পারেননি রনিও। নড়বড়ে নব্বইয়ে (৯২) ফিরে যান রনি তালুকদার! শেষদিকে বিপুল শর্মা ও নাজমুল হোসেন মিলনের ব্যাটে ভর করে নির্ধারিত ৫০ ওভার শেষে ৩২৪/৮ রানের বড় সংগ্রহ পায় ঐতিহ্যবাহী ক্লাবটি। গাজীর হয়ে শেহজাদ ও আবু হায়দার রনি ২ টি করে উইকেট নেন। ৩২৫ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে ঝড়ো শুরু করেন গাজীর দুই ওপেনার এনামুল হক বিজয় ও মুনিম শাহরিয়ার। ৬ ওভার ৪ বলের মাথায় দলীয় ৬১ রানে ব্যাক্তিগত ৩৬ করে বিজয় আউট হলে ভাঙ্গে এই জুটি, বিজয়ের পর মমিনুলও দ্রুত ফিরে গেলে কিছুটা চাপে পড়ে গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স। পরে জহুরুল ইসলাম ও মুনিম হাসানের ব্যাটে ভালোই জবাব দিতে থাকে গাজী। মুনিম ৮৮, জহুরুল ৩১ ও পারভেজ রসুল ৪০ রানে ফিরে গেলে শেষ দিকে সোহরাওয়ার্দি শুভ ও মেহেদি হাসানের ব্যাটে জয়ের আশা দেখে গাজী গ্রুপ। মেহেদি ২৭ রানে আউট হলেও লড়াই চালিয়ে যান শুভ, শেষ পর্যন্ত ৫৭* রানে অপরাজিত থাকলেও জেতাতে পারেননি গাজীকে। নির্ধারিত ৫০ ওভার শেষে ৩১৭/৮ রানে থামে গাজীর ইনিংস। ৭ রানে জয় পায় মোহামেডান। সংক্ষিপ্ত স্কোরঃ মোহামেডান ৩২৪/৮ (৫০ ওভার) রনি তালুকদার ৯২, শামসুর রহমান ৭২, শাহাজাদ হোসেন ২/৫২, আবু হায়দার রনি ২/৭৮ গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স ৩১৭/৮ মুনিম শাহরিয়ার ৮৮, সোহরাওয়ার্দি শুভ ৫৭* কামরুল ইসলাম রাব্বি ২/৫৯, বিপুল শর্মা ২/৬০ ম্যাচসেরাঃ রনি তালুকদার। ফলাফলঃ মোহামেডান ৭ রানে জয়ী।
