তামিম-রিয়াদে আশার আলো দেখছেন সাকিব
তামিম-রিয়াদে আশার আলো দেখছেন সাকিব
তামিম-রিয়াদে আশার আলো দেখছেন সাকিব
মাত্র ৯ রান তুলতেই ওপেনার সৌম্য আর সাব্বিরের উইকেট নেই, তাও আয়ারল্যান্ডের সাথে। স্কোর কার্ড দেখলে চোখ কপালে উঠার মত অবস্থা, কেননা গত দু-বছর ধরে এমন কান্ড খুব কমই ঘটেছে!
এমন অবস্থার পেছনে আইরিশদের সবুজ উইকেটও কম দায়ী নয়। পিচের পুরো সুবিধা নিতে গিয়ে স্বাগতিক আয়ারল্যান্ড পিচ থেকে ঘাস যেন কাটেইনি। কোনটা পিচ কোনটা আউটফিল্ড বোঝাই মুশকিল ছিল।
খেলার আগে বৃষ্টি আর উইকেটের সুবিধা নিয়ে আইরিশ বোলাররা ভালোই চেপে ধরেছিলো টাইগার ব্যাটারদের। ৮০ রানের মধ্যেই সাকিব-মুশফিকের উইকেট হারিয়ে বিপদে বাংলাদেশ।
এত কিছুর পরও ঠিকই এক প্রান্ত আগলে রেখেছিল তামিম ইকবাল।
মুশফিকের বিদায়ের পর মাহমুদুল্লহ কে সাথে নিয়ে খেলা বন্ধ হওয়ার আগ পর্যন্ত ৩১.১ ওভারে অবিচ্ছিন্ন ৮৭ রানের জুটিতে তুলে ফেলেন ১৫৭ রান। ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ৩৫ তম ফিফটির পর অপরাজিত ছিলেন ৮৮ বলে ৬৪ রানে আর তাকে দারুন সমর্থন দিয়ে দলকে বিপদমুক্ত করা রিয়াদ অপরাজিত ছিলেন ৫৬ বলে ৪৩ রানে।
রিয়াদ-তামিমের এই ব্যাটিংই স্বপ্ন আর সাহস জুগাচ্ছে ওই ম্যাচের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়কত্ব সাকিব আল হাসান কে।
এ প্রসঙ্গে সাকিব বলেন, ‘আমি আশাবাদী হয়ে উঠছি তামিম-মাহমুদুল্লাহর ব্যাটিং দেখে। আয়ারল্যান্ড কন্ডিশনে সময় যত গড়াবে, বাংলাদেশ ততই ভালো খেলবে। কারণ, যে কন্ডিশনে খেলে আমরা অভ্যস্ত, পরিস্থিতি ছিল তার পুরোটাই উল্টো। এমন বিপরীত কন্ডিশনেই আমাদের ব্যাট হাতে নামতে হয়েছিল। কিন্তু, সময়ের সাথে সাথে বল যত পুরোনো হয়েছে আমরাও কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পেরেছি। প্রথম ম্যাচে অভিজ্ঞতা ভালোই হলো।এখন আমরা নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে পরের ম্যাচের অপেক্ষায় আছি।’
সাকিব আরও বলেন, ‘তামিম দারুণ ব্যাট করেছে। সে নিজেকে কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নিয়েছিল খুব দ্রুত। এমন ঠান্ডা আর সবুজ উইকেটে তামিম নিজেকে সঠিকভাবে প্রয়োগ করেছে। মাহমুদুল্লাহর ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। তাদের জুটি ম্যাচের চেহারা পাল্টে দিয়েছিল। ম্যাচের নিয়ন্ত্রণটাও একটু একটু করে আমাদের হাতেই চলে এসেছিল।’
নিউজিল্যান্ড ম্যাচে শুধু বাংলাদেশ দল নয়, বাংলাদেশ ভক্তরাও তাকিয়ে থাকবে তামিম-রিয়াদের ব্যাটিংয়ের দিকে। প্রত্যাশাটা এমনই।
