জো রুটের অলরাউন্ড পারফর্মেন্সে পর্যুদস্ত আইরিশরা
জো রুটের অলরাউন্ড পারফর্মেন্সে পর্যুদস্ত আইরিশরা
জো রুটের অলরাউন্ড পারফর্মেন্সে পর্যুদস্ত আইরিশরা
প্রথম ম্যাচে এক আদিল রশিদের ঘুর্ণিজাদুতে কুপোকাত হয়েছিলো আয়ারল্যান্ড। লর্ডসে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে ইংল্যান্ডের দলীয় প্রচেষ্টার কাছে মাথানত করলো আইরিশরা। আর তাতে ব্যাট, বল দুইটি ডিপার্টমেন্টেই নেতৃত্ব দিয়েছেন জো রুট। দুই ম্যাচই হেরে ধবলধোলাই হলো সফরকারী আয়ারল্যান্ড। সিরিজের ২য় ও শেষ ওয়ানডেতে টসে টসে হেরে ব্যাটিং এ নামে একসময় আয়ারল্যান্ডের প্রতিনিধিত্ব করা মরগানের নেতৃত্বাধীন ইংল্যান্ড। দলীয় পঞ্চাশ থেকে ১ রান দূরে থেকে টিম মুরগাটের বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন ওপেনার অ্যালেক্স হেলস। ১১ রান পর জেসন রয়কে ম্যাককার্থি ফেরালে লড়াইয়ের আভাস দেয় আয়ারল্যান্ড। তবে আয়ারল্যান্ডের সাজানো বাগান তছনছ করে দেয় ইংলিশ অধিনায়ক মরগান ও জো রুটের ১৪০ রানের পার্টনারশিপ। এই দুজন ১৩৬ বলে ১৪০ রান করলে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় ইংল্যান্ড। দলীয় ২০০ রানের মাথায় সেঞ্চুরি থেকে ২৭ রান দূরে থাকতে ফেরেন জো রুট। ১৩ রান পর সেঞ্চুরি থেকে ২৪ রান দূরে থেকে সাজঘরে ফেরেন অধিনায়ক মরগানও। পরে জনি বেয়ারস্টোর ৪৪ বলে ৭২ ও আদিল রশিদের ২৫ বলে ৩৯ রানের ইনিংসে ৩২৮ রানের বড় পুঁজি পায় ইংল্যান্ড। ৩২৯ রানের বড় লক্ষ্য নিয়ে খেলতে নেমে আয়ারল্যান্ডকে ভালো সূচনা এনে দেন পল স্টারলিং। ৪২ বলে ৪৮ রানের সময়োপযোগী ইনিংস খেলেন তিনি। দলীয় ৬৮ রানের মাথায় স্টারলিং ফিরলে তাকে অনুসরণ করে ১০০ রানের আগেই ফেরেন এড জয়েস ও এন্ডি বলবিরিন। মার্ক উডের বলে ৮২ রানে আউট হবার আগে আয়ারল্যান্ডের ইনিংসকে একা টেনে নেবার চেষ্টা করেন আইরিশ কাপ্তান উইলিয়াম পোর্টারফিল্ড। অধিনায়ককে যোগ্য সঙ্গ দিতে পারেননি আর কেওই। আয়ারল্যান্ডের ইনিংস তাই থামে ২৪৩ রানে। ইংল্যান্ডের হয়ে সর্বোচ্চ ৩টি করে উইকেট দখল করেন লিয়াম প্লাংকেট ও জো রুট। সংক্ষিপ্ত স্কোরঃ ইংল্যান্ড ৩২৮/৬(৫০), মরগান ৭৬, রুট ৭৩ ও বেয়ারস্টো ৭২। আয়ারল্যান্ড ২৪৩/১০(৪৬.১), পোর্টারফিল্ড ৮২, স্টারলিং ৪৮, রুট ৫২/৩। ইংল্যান্ড ৮৫ রানে জয়ী। ম্যাচসেরাঃ জো রুট(ইংল্যান্ড)।
