প্রোটিয়াদের হোয়াইট ওয়াশের ল'জ্জায় ডুবা'ল ওয়েস্ট ইন্ডিজ
-
1
বিসিবি নিয়ে সংসদে সরব প্রতিমন্ত্রী আমিনুল, তদন্তের ঘোষণা
-
2
উইজডেনের আইপিএল সেরা একাদশে সাকিব
-
3
বুলবুল ফিরেছেন, এবার ফিরুক ক্রিকেটের প্রাণপ্রবাহ
-
4
ক্রীড়াবিদদের জন্য নতুন দিগন্ত, বেতন কাঠামো ও ক্রীড়া কার্ডের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
-
5
বল টেম্পারিং অভিযোগে নিষেধাজ্ঞার মুখে ফখর, নাটকীয় ম্যাচে বিতর্কের ছায়া
প্রোটিয়াদের হোয়াইট ওয়াশের ল'জ্জায় ডুবা'ল ওয়েস্ট ইন্ডিজ
প্রোটিয়াদের হোয়াইট ওয়াশের ল'জ্জায় ডুবা'ল ওয়েস্ট ইন্ডিজ
দক্ষিণ আফ্রিকাকে ডার্কওয়ার্থ লুইস পদ্ধতিতে ৮ উইকেটে হারিয়ে বিশাল জয় পেয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এই জয়ের মাধ্যমে ৩ ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজের সব কয়টিতে জিতে প্রোটিয়াদের হোয়াইটওয়াশ করলো ক্যারিবিয়ানরা।
মঙ্গলবার ত্রিনিদাদের ব্রায়ান লারা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে জিতে প্রথমে বল করার সিন্ধান্ত নেয় ওয়েস্ট ইন্ডিজের অধিনায়ক রস্টন চেজ। বৃষ্টির বাধায় খেলা নেমে আসে ১৩ ওভারে। টস হেরে ব্যাটিংয়ে নামা প্রোটিয়াদের ব্যাটিং শুরু থেকেই ভালো হয়নি।
৯ রান করে রোমারিও শেফার্ডের বলে প্রথমে আউট হয়ে যান প্রোটিয়া ওপেনার রিজা হেনড্রিকস। পাওয়ার প্লে থেকে আসে ২৩ রান। এইডেন মার্করাম আর রায়ান রিকেলটন ৪২ রানের জুটি গড়েন। ১২ বলে ২০ রান করে আউট হয়ে যান মার্করাম।
৫ রান যোগ করতেই দলীয় ৬৬ রানে আউট হয়ে যায় রিকেলটন ও। তিনি করেন ২৪ বলে ২৭ টান। তার ইনিংসে ছিলো ২ টি চার ও ২ টি ছক্কা। শেষ দিকে ঝড়ো ব্যাটিং করেন স্ত্রিস্টান স্ট্যাবস। ১৫ বলে ৫ চার ৩ ছক্কায় ৪০ রান করেন তিনি। ১৩ ওভারের শেষে দক্ষিণ আফ্রিকার সংগ্রহ দাড়ায় ৪ উইকেটে ১০৮ রানের।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে বল হাতে ১৪ রানে ২ উইকেট নেন রোমারিও শেফার্ড। ১ টি করে উইকেট নেন আকেল হোসেইন ও ম্যাথু ফোর্ড।
১০৯ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে রান তাড়ায় দলীয় ২ রানে এবং ব্যাক্তিগত ১ রানে আউন হন অলিক আথনাজে। তারপর শাই হোপ আর নিকোলাস পুরান দারুন ব্যাটিং করে এগিয়ে নিতে থাকে দলকে। এই জুটি থেকে আসে ২০ বলে ৫৮ রান।
পুরান আউট হন ১৩ বলে ২ চার ৪ ছক্কায় ৩৫ রান করে। তৃতীয় উইকেটে আবারো ৩৩ বলে ৫৬ রানের জুটি গড়েন শাই হোপ আর শিমরন হেটমায়ার। এই জুটিতেই মাত্র ৯.২ ওভারেই ৮ উইকেট হাতে রেখে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। হোপ ২৪ বলে ১ চার ৪ ছক্কায় ৪২ এবং হেটমায়ার ১৭ বলে ৪ চার ১ ছক্কায় ৩১ রানে অপরাজিত থাকেন।
ম্যাচ সেরা হন রোমারিও শেফার্ড এবং সিরিজ সেরা হন শাই হোপ।
