আইপিএল শুরুর আগেই অস্ট্রেলিয়ান পেসারদের নিয়ে দুশ্চিন্তায় ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো
আইপিএল শুরুর আগেই অস্ট্রেলিয়ান পেসারদের নিয়ে দুশ্চিন্তায় ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো
আইপিএল শুরুর আগেই অস্ট্রেলিয়ান পেসারদের নিয়ে দুশ্চিন্তায় ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো
আসন্ন আইপিএল ২০২৬ শুরুর আগে বড় ধাক্কা খেল কয়েকটি ফ্র্যাঞ্চাইজি। অস্ট্রেলিয়ার দুই শীর্ষ পেসার মিচেল স্টার্ক ও জশ হ্যাজলউড টুর্নামেন্টের শুরুর কয়েকটি ম্যাচে খেলতে পারবেন না বলে জানা গেছে। ব্যস্ত আন্তর্জাতিক সূচি সামনে রেখে তাদের ওয়ার্কলোড ব্যবস্থাপনায় রেখেছে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া (সিএ)।
এই পরিস্থিতিতে দিল্লি ক্যাপিটালস ও রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু শুরুতেই গুরুত্বপূর্ণ দুই বোলারকে পাচ্ছে না। স্টার্ক খেলেন দিল্লির হয়ে, আর হ্যাজলউড রয়েছেন বেঙ্গালুরুর দলে।
অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটারদের অনুপস্থিতির তালিকাও ধীরে ধীরে বড় হচ্ছে। এর আগে সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদের অধিনায়ক প্যাট কামিন্স টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই ছিটকে গেছেন। একই দলের জ্যাক এডওয়ার্ডস পুরো আসর থেকেই বাদ পড়েছেন। চেন্নাই সুপার কিংসের নাথান এলিসও হ্যামস্ট্রিং ইনজুরির কারণে খেলতে পারবেন না বলে ধারণা করা হচ্ছে।
চোটের কারণে গত কয়েক মাস ধরেই ভুগছেন কামিন্স ও হ্যাজলউড। অ্যাশেজ সিরিজে কামিন্স খেলেছেন মাত্র একটি টেস্ট, সেটিও ছিল ডিসেম্বরের তৃতীয় ম্যাচ। অন্যদিকে হ্যাজলউড হ্যামস্ট্রিং ও অ্যাকিলিস সমস্যার কারণে পুরো অ্যাশেজ সিরিজ থেকেই ছিটকে ছিলেন। যদিও পরবর্তীতে ঘরের মাঠে দক্ষিণ আফ্রিকা ও ভারতের বিপক্ষে এবং নিউজিল্যান্ড সফরে সীমিত কিছু ম্যাচ খেলেছেন তিনি।
অন্যদিকে অ্যাশেজে অস্ট্রেলিয়ার সাফল্যে বড় ভূমিকা রেখেছিলেন স্টার্ক। পাঁচ ম্যাচে ৩১ উইকেট নিয়ে সিরিজসেরা হন তিনি এবং দলকে ৪-১ ব্যবধানে জয়ে নেতৃত্ব দেন। মৌসুমের শেষ দিকে বিগ ব্যাশ লিগেও খেলেছেন এই বাঁহাতি পেসার। তবে টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক থেকে অবসর নেওয়ায় সাম্প্রতিক টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ছিলেন না তিনি।
আগামী সময়সূচি বিবেচনায় অস্ট্রেলিয়ার সামনে রয়েছে ব্যস্ত ক্রিকেট ক্যালেন্ডার। ২০২৬ সালের আগস্ট থেকে ২০২৭ সালের জুলাইয়ের মধ্যে দলটি সর্বোচ্চ ২১টি টেস্ট ম্যাচ খেলতে পারে। তাই এখন থেকেই পেসারদের ফিটনেস ও ইনজুরি ব্যবস্থাপনায় সতর্ক অবস্থানে রয়েছে দেশটির ক্রিকেট বোর্ড।
উল্লেখ্য, আগামী ২৮ মার্চ শুরু হবে আইপিএলের এবারের আসর, যা চলবে মে মাসের শেষ পর্যন্ত।
