তিন জয়ের লক্ষ্য নিয়ে বিশ্বকাপে বাংলাদেশ

৯৭ প্রতিবেদক:

প্রকাশ: 2 ঘন্টা আগে আপডেট: 1 সেকেন্ড আগে
তিন জয়ের লক্ষ্য নিয়ে বিশ্বকাপে বাংলাদেশ

তিন জয়ের লক্ষ্য নিয়ে বিশ্বকাপে বাংলাদেশ

তিন জয়ের লক্ষ্য নিয়ে বিশ্বকাপে বাংলাদেশ

নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বাংলাদেশের জন্য বরাবরই কঠিন এক মঞ্চ। ছয় আসর পেরিয়েও সাফল্যের পাল্লা ভারী হয়নি, বরং জমেছে হতাশার হিসাব। তবে অতীতের সেই ব্যর্থতার পরিসংখ্যানকে সামনে রেখে এবার নতুন গল্প লিখতে চায় নিগার সুলতানা জ্যোতির দল। অধিনায়কের চোখে এবারের বিশ্বকাপ শুধুই আরেকটি টুর্নামেন্ট নয়, বরং বাংলাদেশের নারী ক্রিকেটের ইতিহাস বদলে দেওয়ার সুযোগ।

এখন পর্যন্ত নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ খেলেছে ২৫টি ম্যাচ। সেখানে জয় এসেছে মাত্র তিনটিতে। শ্রীলঙ্কা, আয়ারল্যান্ড ও স্কটল্যান্ডকে হারানোর স্মৃতি ছাড়া বাকি ম্যাচগুলোতে হার সঙ্গী হয়েছে টাইগ্রেসদের। বিশেষ করে ব্যাটিং দুর্বলতা দীর্ঘদিন ধরেই ভুগিয়েছে দলকে। বোলাররা লড়াই করলেও বড় সংগ্রহ গড়তে না পারায় বেশিরভাগ ম্যাচেই পিছিয়ে পড়তে হয়েছে বাংলাদেশকে।

আসন্ন বিশ্বকাপকে সামনে রেখে প্রস্তুতির অংশ হিসেবে স্কটল্যান্ডে ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ। সেই সিরিজে স্বাগতিকদের পাশাপাশি প্রতিপক্ষ হিসেবে থাকবে নেদারল্যান্ডসও। সফরের উদ্দেশ্যে আজ দিবাগত রাত ১টা ৪০ মিনিট ও ২৬ তারিখ সকালে দুই ভাগে দেশ ছাড়বেন জ্যোতিরা।

দেশ ছাড়ার আগে রোববার মিরপুরে সংবাদ সম্মেলনে অতীতের হতাশা পেছনে ফেলে নতুন করে পথচলার বার্তা দেন বাংলাদেশ অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি। টানা ব্যর্থতাকে তিনি চাপ নয়, বরং নিজেদের প্রমাণের সুযোগ হিসেবেই দেখছেন। জ্যোতি বলেন, ‘একটা উইনলেস রোড যাচ্ছিল। তবে আমি এটাকে বোঝা মনে করছি না, বরং ইতিহাস বদল করার একটা চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছি।’

বিশ্বকাপের আগে দলের প্রস্তুতি ও খেলোয়াড়দের মানসিকতা নিয়েও আত্মবিশ্বাসী জ্যোতি। সাম্প্রতিক সিরিজগুলোতে ফল পক্ষে না এলেও সেখান থেকে ইতিবাচক দিক খুঁজে নেওয়ার চেষ্টা করেছে দল। বিশেষ করে বোলিং ইউনিটের ধারাবাহিকতা এবং কয়েকজন ক্রিকেটারের ফর্ম নিয়ে আশাবাদী অধিনায়ক। প্রস্তুতির পরিকল্পনা নিয়েও বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেন তিনি। জ্যোতি বলেন, ‘আমরা গত সিরিজের পর থেকে কাজ করেছি। সেখানে আমরা কিছু ম্যাচ খেলেছি, যদিও ফল আমাদের পক্ষে আসেনি কিন্তু অনেক ভালো কিছু নেওয়ার ছিল। আমাদের বোলিং ইউনিট ভালো করছে এবং দুই-তিনজন নির্দিষ্ট খেলোয়াড় আছে যারা ধারাবাহিক। আমাদের চিন্তা ছিল যারা ভালো করছে তাদের যেন ক্যারি করা যায় এবং ওয়ার্ল্ড কাপে তারা যেন একইভাবে থাকে সেটা নিশ্চিত করা।’